চ্যানেল আই অনলাইন
হৃদয়ে বাংলাদেশ প্রবাসেও বাংলাদেশ

শনাক্তের তুলনায় সুস্থতার হার বেশি

২৪ ঘণ্টায় মারা গেছে ১৮ জন

দেশে কোভিড-১৯ প্রাদুর্ভাবের ২৩৮তম দিনে শনাক্তের তুলনায় সুস্থতার হার বেশি। গত ২৪ ঘণ্টায় আক্রান্ত শনাক্তের হার বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১২ দশমিক ৫০ শতাংশ। গতকাল শনিবার যা ছিল ১১ দশমিক ৪৫ শতাংশ। 

নতুন করে দেশে ১ হাজার ৫৬৮ জনের দেহে করোনাভাইরাসের উপস্থিতি শনাক্ত হয়েছে। তবে এই সময়ে সুস্থ হয়েছেন ১ হাজার ৭৯৫ জন। মারা গেছেন ১৮ জন।

বিজ্ঞাপন

রোববার দুপুরে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের অতিরিক্ত পরিচালক (প্রশাসন) অধ্যাপক ডা. নাসিমা সুলতানা স্বাক্ষরিত সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তর জানায়, নতুন করে ১২ হাজার ৬২০টি নমুনা সংগ্রহ করা হয়। পরীক্ষা করা হয়েছে ১২ হাজার ৫৪৯টি। এ নিয়ে দেশে মোট ২৩ লাখ ৪৮ হাজার ৮১১টি নমুনা পরীক্ষা করা হলো। নমুনা পরীক্ষার তুলনায় নতুন করে শনাক্তের হার ১২ দশমিক ৫০ শতাংশ।

সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, নতুন নমুনা পরীক্ষায় আরও ১ হাজার ৫৬৮ জনের দেহে করোনাভাইরাস শনাক্ত হয়। এ নিয়ে দেশে মোট আক্রান্ত ৪ লাখ ৯ হাজার ২৫২ জন। মোট পরীক্ষার বিপরীতে সংক্রমণ শনাক্তের হার ১৭ দশমিক ৪২ শতাংশ।

নতুন করে আক্রান্তদের মধ্যে মারা গেছেন ১৮ জন। এদের মধ্যে ১৫ জন পুরুষ ও ৩ জন নারী। শনাক্ত বিবেচনায় মৃত্যু হার ১.৪৫ শতাংশ।

বিজ্ঞাপন

মৃতদের মধ্যে সবাই হাসপাতালে মারা গেছেন। এখন পর্যন্ত পুরুষ ৪ হাজার ৫৬৮ জন মারা গেছেন যা মোট মৃত্যুর ৭৬ দশমিক ৮৮ শতাংশ এবং ১ হাজার ৩৭৩ জন নারী মৃত্যুবরণ করেছেন যা ২৩ দশমিক ১২ শতাংশ।

তবে এ সময়ে সুস্থ হয়েছেন আরও ১ হাজার ৭৯৫ জন। সবমিলিয়ে সুস্থ হওয়ার সংখ্যা ৩ লাখ ২৫ হাজার ৯৪০ জন। শনাক্ত বিবেচনায় সুস্থতার হার ৭৯ দশমিক ৬৪ শতাংশ।

বয়সভিত্তিক বিশ্লেষণে দেখা গেছে, নতুন করে করোনায় মৃত ১৮ জনের মধ্যে একুশ থেকে ত্রিশ বয়সী ২ জন, ত্রিশোর্ধ্ব ১ জন, পঞ্চাশোর্ধ্ব ৬ জন এবং ষাটোর্ধ্ব ৯ জন রয়েছেন।

বিভাগ অনুযায়ী, নতুন করে করোনায় মৃত ১৮ জনের মধ্যে ঢাকা বিভাগে ১৪ জন, চট্টগ্রাম বিভাগে ৩ জন ও সিলেট বিভাগে ১ জন রয়েছেন।

চীন থেকে ছড়িয়ে পড়া করোনাভাইরাসে বিশ্বের ২১৫টি দেশ ও অঞ্চলে এখন পর্যন্ত ৪ কোটি ৬৪ লাখেরও বেশি মানুষ আক্রান্ত হয়েছেন। এদের মধ্যে মারা গেছেন ১২ লাখের বেশি মানুষ। তবে সুস্থ হয়ে ঘরে ফিরেছেন ৩ কোটি ৩৫ লাখের বেশি।

করোনাভাইরাসের বিস্তার ঠেকাতে প্রথমে ২৬ মার্চ থেকে ৪ এপ্রিল পর্যন্ত সাধারণ ছুটি ঘোষণা করে সরকার। পরে বিভিন্ন মেয়াদে ছুটি বাড়িয়ে সর্বশেষ ৩০ মে পর্যন্ত সাধারণ ছুটি ছিল। দেশের ইতিহাসে দীর্ঘ এ ছুটির পর স্বাস্থ্যবিধি মেনে ৩১ মে থেকে অফিস-আদালত খোলা হয়েছে। এছাড়াও স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলছে গণপরিবহনও।