বিভিন্ন পদক্ষেপে প্রাথমিক শিক্ষা ক্ষেত্রে বদলে যাওয়ার চিত্র

প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষার্থী ও শিক্ষিকা ক্লাসে শিক্ষাদান করছেন, শিক্ষার মান উন্নয়নের জন্য।. Channel i News – চ্যানেল আই নিউজ
শিক্ষা জাতির মেরুদণ্ড, শিক্ষা ছাড়া কোন জাতি কখনো উন্নতি লাভ করতে পারে না। শিক্ষার ইতিহাস অনেক পুরনো হলেও এখনও পর্যন্ত আমরা এ ক্ষেত্রে বেশ পিছিয়ে আছি। এমনকি দক্ষিণ এশিয়ার অতি ক্ষুদ্র দেশ মালদ্বীপ পর্যন্ত আমাদের চেয়ে এগিয়ে। আমাদের দেশে সাক্ষরতার হার ৭২.৩% বিধায় নিরক্ষরতামুক্ত বাংলাদেশ গড়তে প্রাথমিক পর্যায়ে শতভাগ ভর্তির বিকল্প নেই। ২০১০ সালের মধ্যে শতভাগ ভর্তি নিশ্চিত করার জাতীয় লক্ষ্যমাত্রা থাকলেও নির্ধারিত সময়ের মধ্যে আমরা ৯৮% বিদ্যালয় গমনোপযোগী শিশুকে বিদ্যালয়ে ভর্তি করাতে সক্ষম হয়েছিলাম।
বিভিন্ন প্রতিকূলতা যেমন: দুর্গত এলাকা, চর ও নদীভাঙ্গণ অঞ্চল, চা বাগান সমূহ ও হাওর অঞ্চলের অনুন্নত যোগাযোগ ব্যবস্থা এবং ক্ষেত্রবিশেষে শিশুদের বাসস্থান থেকে স্কুল দুরবর্তী হওয়া, সামাজিক অসচেতনতা, শিশুশ্রম এবং বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন শিশুদের জন্য আমাদের বিদ্যালয়গুলোতে সুযোগ-সুবিধা সীমিত পর্যায়ে থাকার কারণে এ পর্যন্ত আমরা ২% শিশুকে বিদ্যালয়ে আনতে পারিনি।
এহেন অবস্থায় প্রাথমিক শিক্ষাক্ষেত্রে শতভাগ ভর্তি নিশ্চিতকরণে স্কুল, ইউনিয়ন, উপজেলা, জেলা, বিভাগ ও জাতীয় পর্যায়ে বর্তমান শিক্ষাবান্ধব সরকার কর্তৃক যে সমস্ত কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে সে সম্পর্কে নিচে কিছুটা আলোকপাত করা হল:
১. প্রতি বছর ডিসেম্বর মাসে প্রতিটি বিদ্যালয়ের ক্যাচমেন্ট এলাকার শিশুজরিপ নিবিড়ভাবে হালনাগাদ করে বিদ্যালয়ে নিজ ক্যাচমেন্ট এলাকার শিশুর নাম, পিতার নাম, ঠিকানা ও বয়স অনুযায়ী সংরক্ষণ করা হয়।
২. ১লা জানুয়ারি থেকে নিজ ক্যাচমেন্ট এলাকার সকল বিদ্যালয় গমনোপযোগী (৬+ থেকে ১০+ বয়সী) শিশুকে ভর্তির ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয় এবং সাথে সাথে তাদের হাতে পাঠ্যপুস্তক বিতরণ উৎসবের মাধ্যমে সরকার প্রদত্ত দৃষ্টিনন্দন বিনামূল্যের বই তুলে দেওয়া হয়।
৩. জানুয়ারি মাসের প্রথম সপ্তাহ অতিক্রমের পর শিশুদের ঠিকানা অনুযায়ী শিক্ষকগণ কর্তৃক পুনরায় হোমভিজিট করে অভর্তিকৃতদের ভর্তির ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়। স্টুডেন্টস কাউন্সিল এবং ছাত্র-ব্রিগেডের সদস্যদের দিয়ে অভর্তিকৃতদের ভর্তির ব্যাপারে বার্তা পাঠানো হয়। এস.এম.সি ও পি.টি.এ সভায় আলোচনা করে চিহ্নিত শিশুদের বাড়িতে গমন এবং উঠোনে বৈঠক করে ভর্তির ব্যাপারে উৎসাহিত করা হয়। এ ছাড়াও, ইমাম ও পুরোহিতদের মাধ্যমে উপসনালয়সমূহে শতভাগ ভর্তির বিষয়ে আলোচনার মাধ্যমে জনসাধারণকে উদ্বুদ্ধ করা হয়।
৪. অনেক বিদ্যালয়ে উৎসবমুখর পরিবেশে শিশুবরণ অনুষ্ঠান আয়োজন করা হয়। এখানে শিশু-শিক্ষার্থীদের মা-বাবা ও অভিভাবকদের আমন্ত্রণ জানানো হয় যাতে তাঁরা বিদ্যালয় সম্পর্কে ইতিবাচক ধারণা পোষণ করেন।
৫. মা সমাবেশে এ ব্যাপারে আলোচনার একটি দফা সংরক্ষণ করা হয় যাতে তাঁরা অন্যদের উৎসাহিত করতে পারেন। বিভিন্ন বিদ্যালয়ে ক্যাচমেন্ট এলাকার বিভিন্ন পাড়া / মহল্লা অনুযায়ী সচেতন মা চিহ্নিত করে সকল পাড়া থেকে প্রতিনিধিত্ব নিয়ে ১৫-২৫ জনের ‘একটিভ মাদারস ফোরাম’ গঠন করা হয়, তাদের মাধ্যমে আশেপাশের অভর্তিকৃত শিশুদের খোঁজে বের করার এবং শিশুদের অভিভাবকদের সাথে আলোচনা করে বিদ্যালয়ে অনতিবিলম্বে ভর্তির ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয় আগামীতে সকল বিদ্যালয়ে এই প্রক্রিয়া চালু করার ব্যাপারে আমরা আশাবাদী।
৬. বছরের শুরুতে বিদ্যালয় পর্যায়ে শতভাগ ভর্তি র্যালির আয়োজন করা হয়। এছাড়া ভর্তিকৃত শিক্ষার্থীদের গুণগত মানসম্পন্ন শিক্ষার পরিবেশ সৃষ্টি করতে বিদ্যালয় ভবনকে বর্ণিল সাজে সজ্জিত করতে ভিন্ন ভিন্ন রঙ দিয়ে দেয়াল রঙ করা হয়। শ্রেণিকক্ষকে আকর্ষণীয়ভাবে সাজানো এবং শিক্ষার্থীদের নিজের আঁকা ও নিজের লেখা শ্রেণিকক্ষে টানিয়ে অথবা বই আকারে সংরক্ষণ করে শিক্ষার্থীদের কাজের স্বীকৃতি প্রদানের চেষ্টা করা হয় যাতে শিক্ষার্থীরা ভবিষ্যতে নিজের ভাষায় লেখা ও নিজের পছন্দমত চারু ও কারুকলা তথা সৃজনশীল কাজে উৎসাহিত হয়, অভতিকৃতরাও বিদ্যালয়ের প্রতি আকৃষ্ট হয়।
৭. বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে দোলনা, স্লিপার, ঢেঁকি ইত্যাদি বিনোদন সামগ্রী স্থাপন করা হয় যাতে শিক্ষার্থীরা বিদ্যালয়ে নিয়মিত আগমণ ও অবস্থানে আনন্দদায়ক অনুভূতি অনুভব করে।
৮. বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা প্রতিবছর উৎসবমুখর ও আনন্দঘন পরিবেশে সকলের অংশগ্রহণে নির্বাচন কমিশনার, রিটার্নিং অফিসার, প্রিজাইডিং অফিসার, পোলিং অফিসার ও পোলিং এজেন্ট নিজেদের মধ্যে থেকে নির্ধারণ করে স্টুডেন্টস কাউন্সিল নির্বাচন সম্পন্ন করে -এক্ষেত্রে শিক্ষকরা প্রয়োজনীয় সহযোগিতা দান করে থাকেন। এ নির্বাচনে জয়লাভের মাধ্যমে যারা সদস্য নির্বাচিত হয় তারা বিদ্যালয়ভিত্তিক স্বাস্থ্য, পরিষ্কার পরিচ্ছন্নতা, বৃক্ষরোপণ, খেলাধুলা, লাইব্রেরি ওয়ার্ক ইত্যাদির দায়িত্বপ্রাপ্ত হয় এবং নিজ নিজ দায়িত্ব পালনের মাধ্যমে তাদের সুপ্ত প্রতিভা ও নেতৃত্বের বিকাশ ঘটায়। এতে সকলের মধ্যে নেতৃত্বের প্রতি শ্রদ্ধাবোধ,আত্মনির্ভরশীলতা, পরমতসহিষ্ণুতা, সহনশীলতা, ধৈর্য্য, নৈতিকতা, শৃঙ্খলা, পারস্পরিক সহযোগিতা ও গণতান্ত্রিক মনোভাবের বিকাশ ঘটে।
৯. প্রাথমিক শিক্ষা সপ্তাহে হোমভিজিট ও অভিভাবক সমাবেশে শতভাগ ভর্তির বিষয়টি সম্পর্কে আলোচনা করা হয় এবং নির্ধারিত বিভিন্ন দিবসে শিক্ষামূলক চলচ্চিত্র যেমন- জোছনার ফুল, আলো আমার আলো, দীপু নাম্বার টু, তার এ জমিন পার ইত্যাদি প্রদর্শন করা হয়। বিদ্যালয়ের আন্ত:প্রাথমিক ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতার পুরস্কার বিতরণীতেও শতভাগ ভর্তির ব্যাপারে উৎসাহিত করা হয়।
১০.স্থানীয় পর্যায়ে বিভিন্ন কর্মকর্তা কর্তৃক গৃহীত বিভিন্ন উদ্ভাবনী পরিকল্পনা বিদ্যালয় পর্যায়ে বাস্তবায়ন করা হয় এতে শিশুরা আনন্দের সাথে স্বত:স্ফূর্তভাবে অংশগ্রহণ করে। উদাহরণস্বরূপ, সিলেট সদরের উপজেলা শিক্ষা অফিসার জনাব মো: আব্দুল মুন্তাকিম মহোদয়ের উদ্ভাবনী পরিকল্পনা ‘আজ আমাদের গল্প বলার দিন’ উপজেলার সকল বিদ্যালয়ে সফলভাবে বাস্তবায়িত হওয়ায় শিশুরা বিদ্যালয়ে আনন্দদায়ক পরিবেশে অবস্থান করছে এবং অভর্তিকৃত শিশুরাও বিদ্যালয়ে ভর্তি হচ্ছে।
১১. সিএফএস কর্মসূচির আওতায় বিদ্যালয়কে দৃষ্টিনন্দন করা ও মানসম্মত শিক্ষা বাস্তবায়নে বিভিন্ন শিক্ষা উপকরণ ক্রয় এবং বিশেষ পরিকল্পনা ভিত্তিক পাঠদান করার ফলে ভর্তির হার বৃদ্ধি পাচ্ছে।
১২. বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন শিশুর জন্য সরকারিভাবে এবং স্থানীয় উদ্যোগে ডাক্তারী পরীক্ষার পর হুইল চেয়ার, ক্র্যাচ, চোখ পরীক্ষা পূর্বক চশমা প্রদান, শ্রবণ প্রতিবন্ধীদের জন্য শ্রবণ যন্ত্র ইত্যাদি প্রদান করায় সহনীয় মাত্রার; ক্ষেত্র বিশেষে তীব্র মাত্রায় প্রতিবন্ধী শিশুরাও বিদ্যালয়ে ভর্তি হচ্ছে।
১৩. প্রাক-প্রাথমিক শিক্ষা চালু করায় বিদ্যালয়ে ৫+ বয়সী শিশুদের ভর্তি বৃদ্ধি পেয়েছে, তারা আনন্দদায়কভাবে সুসজ্জিত শ্রেণিকক্ষে অবস্থান করে বিভিন্ন ধরনের খেলা, নাচ, গল্প বলা, ছড়া, চারুকলা ও কারুকলা সহবিভিন্ন সৃজনশীল কাজে অংশগ্রহণ করায় পাড়া মহল্লায় শিশুদের বিদ্যালয়ে পাঠানোর প্রতি ব্যাপক সাড়া পড়েছে এবং শিশুরা বিদ্যালয়ে ভর্তি হচ্ছে। প্রাক-প্রাথমিক শিক্ষা সমাপ্তির পর ঐ শিক্ষার্থীরা প্রথম শ্রেণিতে ভর্তি হচ্ছে এবং ভীতিহীন, শঙ্কামুক্ত ও জড়তাবিহীন মানসিকতা নিয়ে বিদ্যালয়ে আসছে যা পরবর্তী বছরগুলোতে কার্যকর ও সক্রিয় শিখনে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখবে।
১৪. সকল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সকল শিক্ষার্থীকে (বছরে ১৫৩৫ কোটি টাকা ব্যয়ে ৬৩,৫৮৭টি বিদ্যালয়ের ১,৩০,০০,০০০জন ) উপবৃত্তির আওতায় নিয়ে আসার ফলে বিদ্যালয়ে শিশুভর্তি বৃদ্ধি পেয়েছে এবং পাচ্ছে।
১৫. ২৯টি জেলার দারিদ্র্যপীড়িত,দুর্গম ও হাওর অঞ্চলের ৯৩টি উপজেলার ১৪, ৬৬৪টি বিদ্যালয়ের ২৮,১৮,৮০৮ জন সুবিধাবঞ্চিত শিক্ষার্থীকে বাংলাদেশ সরকার ও ডব্লিউএফপির অর্থায়নে বছরে ৫৬০ কোটি টাকা ব্যয়ে স্কুল ফিডিং কর্মসূচীর আওতায় আনয়ন করায় সংশ্লিষ্ট এলাকায় ভর্তির হার উত্তরোত্তর বাড়ছে। বেশকিছু বিদ্যালয়ে স্থানীয় উদ্যোগে মিড-ডে-মিল চালুও শতভাগ ভর্তি লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে ইতিবাচক ভূমিকা রাখছে।
১৬. বিদ্যালয়ে মহান একুশে ফেব্রুয়ারি ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস, স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস, বাংলা নববর্ষ, জাতীয় শিশু দিবস, জাতীয় শোক দিবস, সাক্ষরতা দিবস, বিজয় দিবস, পঞ্চম শ্রেণির পাঠদান সমাপনী দিবস ও অভিভাবক দিবস ব্যাপকভাবে পালিত হওয়ায় প্রাথমিক বিদ্যালয়সমূহে উৎসবমুখর পরিবেশ বিরাজ করছে- এতে শিশুভর্তির হার পূর্ববর্তী যে কোন সময়ের চেয়ে অধিক বৃদ্ধি পাচ্ছে।
১৭. বিদ্যালয়কে শিক্ষার্থীবান্ধব করে গড়ে তুলতে উপকরণসহ আনন্দদায়ক পাঠদানের প্রচেষ্টা গ্রহণ, বঙ্গবন্ধু গোল্ডকাপ প্রাথমিক বিদ্যালয় টুর্নামেন্ট, বঙ্গমাতা বেগম ফজিলাতুন্নেসা মুজিব গোল্ডকাপ প্রাথমিক বিদ্যালয় ফুটবল টুর্নামেন্ট ও আন্ত:প্রাথমিক বিদ্যালয় ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতায় সকল বিদ্যালয়ের বাধ্যতামূলক অংশগ্রহণ এবং প্রতিযোগিতার সকল পর্যায়ে পুরস্কার প্রদান শিশুদের বিদ্যালয়ের প্রতি আকৃষ্ট করছে।
এ সকল কর্মকাণ্ড যথাযথভাবে বাস্তবায়নসহ বিদ্যালয়, ইউনিয়ন, উপজেলা, জেলা, বিভাগ ও জাতীয় পর্যায়ে শতভাগ ভর্তি সংক্রান্ত টাস্কফোর্স গঠন ও কার্যক্রম পরিচালনা এবং সকল মাঠপর্যায়ের কর্মকর্তা বিষয়টি নিবিড়ভাবে তদারকী করার ফলশ্রুতিতে ২০১৭ সালের জানুয়ারি পর্যন্ত আমরা বিদ্যালয় গমনোপযোগী ৯৮.৪৭% শিশুর বিদ্যালয়ে ভর্তি নিশ্চিত করতে সক্ষম হয়েছি।
বিদ্যালয়ে আরো অধিক আকর্ষণীয় উপকরণ সরবরাহ, জীবনমুখী শিক্ষার প্রসার ঘটানো এবং দুর্গম এলাকায় ১৫০০টি বিদ্যালয় স্থাপনের পাশাপাশি প্রয়োজনে আরো প্রয়োজনীয় সংখ্যক বিদ্যালয় স্থাপনসহ হাওর অঞ্চলের জন্য বড় নৌকায় ভাসমান বিদ্যালয়ের ব্যবস্থা করলে এবং সর্বোপরি বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন শিশুদের জন্য বিদ্যালয়ে সুযোগ সুবিধা বৃদ্ধি করলে -বিশেষ করে তীব্র মাত্রার প্রতিবন্ধীদের জন্য উপজেলা পর্যায়ে একটি আবাসিক বিদ্যালয় স্থাপন ও প্রতিবন্ধী শিক্ষা বিষয়ে প্রশিক্ষিত শিক্ষক নিয়োগ ও সেবাদানকারী নিশ্চিত করতে পারলে অচিরেই আমরা শিশুদের শতভাগ ভর্তি নিশ্চিত করতে পারব বলে আশাবাদী। আর এ শতভাগ শিশুভর্তি তখনই সার্থক হবে যখন প্রাথমিক শিক্ষাস্তরে কোন শিক্ষার্থীই ঝরে না পড়ে সকল শিক্ষার্থী তাদের প্রাক-প্রাথমিক শ্রেণি থেকে শুরু করে পঞ্চম শ্রেণি পর্যন্ত নির্ধারিত প্রান্তিক যোগ্যতা তথা প্রয়োজনীয় জ্ঞান,দক্ষতা ও দৃষ্টিভঙ্গি অর্জন করে প্রাথমিক শিক্ষাচক্র সমাপ্ত করবে। আমরা দৃঢ়ভাবে আত্মপ্রত্যয়ী যে আমরা তা পারব-বর্তমান সরকারের গতিশীল নেতৃত্ব ও সকল শ্রেণিপেশার মানুষের ঐকান্তিক সহযোগিতায়; আমরা করব জয়, আমরা করব জয়, আমরা করব জয় একদিন।
(এ বিভাগে প্রকাশিত মতামত লেখকের নিজস্ব। চ্যানেল আই অনলাইন এবং চ্যানেল আই-এর সম্পাদকীয় নীতির সঙ্গে প্রকাশিত মতামত সামঞ্জস্যপূর্ণ নাও হতে পারে)



