চ্যানেল আই অনলাইন
হৃদয়ে বাংলাদেশ প্রবাসেও বাংলাদেশ

লকডাউন এলাকায়ও খোলা থাকবে সরকারি ৬ ব্যাংক

কর্মকর্তা-কর্মচারীদের যাতায়াতের জন্য বাহনের ব্যবস্থা করার নির্দেশ

মহামারী করোনাভাইরাস সংক্রমণ রোধে প্রশাসন যেসব এলাকা লকডাউন করেছে সেসব এলাকায় বেসরকারি বাণিজ্যিক ব্যাংক বন্ধ থাকলেও সরকারি ৬ ব্যাংকের শাখা খোলা রাখার নির্দেশ দিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক।

ট্রেজারি কার্যক্রম, সরকারি ভাতা-অনুদান প্রদানসহ সাধারণ মানুষের আর্থিক প্রয়োজনের স্বার্থে এ নির্দেশনা দেয়া হয়েছে। তবে আগের মতোই সীমিত আকারে চলবে ব্যাংকিং কার্যক্রম।

বিজ্ঞাপন

শনিবার বাংলাদেশ ব্যাংকের ডিপার্টমেন্ট অব অফ-সাইট সুপারভিশন থেকে এ বিষয়ে প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে।

বিজ্ঞাপন

প্রজ্ঞাপনে সোনালী, জনতা, অগ্রণী, রূপালী, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক এবং রাজশাহী কৃষি উন্নয়ন ব্যাংক খোলা রাখার নির্দেশ দেয়া হয়।

বিজ্ঞাপন

জেলা-উপজেলায় এসব ব্যাংকের সব শাখা আগামী ১২ এপ্রিল হতে সকাল ১০টা থেকে দুপুর ১টা পর্যন্ত গ্রাহক লেনদেন করতে পারবে। তবে ব্যাংক খোলা থাকবে দুপুর ২টা পর্যন্ত। এছাড়া ব্যাংকিং লেনদেনের জন্য খোলা রাখা শাখায় প্রশাসনের সহায়তা নিয়ে নির্দিষ্ট দূরত্ব (বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার গাইডলাইন অনুযায়ী) বজায় রাখার বিষয়ে নির্দেশনা নিশ্চিত করতে হবে।

এতে বলা হয়েছে, ট্রেজারি কার্যক্রম, সরকারি ভাতা ও অনুদান বিতরণ এবং জনসাধারণের অতি জরুরি আর্থিক প্রয়োজন মেটানোর জন্য সরকার, জেলা প্রশাসন, উপজেলা প্রশাসন অথবা আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর মাধ্যমে লকডাউন ঘোষিত এলাকাতেও সীমিত আকারে ব্যাংকিং কার্যক্রম চালু রাখতে হবে। যদিও গত বৃহস্পতিবার বাংলাদেশ ব্যাংকের একই বিভাগ থেকে লকডাউন ঘোষিত এলাকায় ব্যাংকের শাখাসমূহ বন্ধ রাখার নির্দেশনা জারি করা হয়েছিল। জনসাধারণের আর্থিক দিক বিবেচনা করে এ সিদ্ধান্ত পরিবর্তন করা হয়েছে।

প্রজ্ঞাপনে আরও বলা হয়, জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে লকডাউন ঘোষিত এলাকায় ব্যাংকের সকল শাখায় আগামী ১২ এপ্রিল থেকে দৈনিক ব্যাংকিং লেনদেনের সময়সূচি হবে সকাল ১০টা থেকে দুপুর ১টা পর্যন্ত। শাখাগুলোতে সরকারি চালান গ্রহণ, পে অর্ডার ইস্যু, জরুরি বৈদেশিক লেনদেন, টাকা জমা, উত্তোলন এবং সরকার কর্তৃক প্রদত্ত বিভিন্ন ভাতা ও অনুদান বিতরণ কার্যক্রম সম্পাদন করতে হবে। এক্ষেত্রে সকল শাখায় বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা ঘোষিত সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখার নির্দেশ দেয়া হয়েছে।

এছাড়া জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে অবস্থিত শাখাগুলোতে ব্যাংকের কার্যক্রম অব্যাহত রাখার স্বার্থে দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা কর্মচারীদের যাতায়াতের সুবিধার জন্য বাহনের ব্যবস্থা করার নির্দেশ দিয়েছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক।