চ্যানেল আই অনলাইন
হৃদয়ে বাংলাদেশ প্রবাসেও বাংলাদেশ

‘লকডাউনে শিশুরা সুষম খাদ্য থেকে বঞ্চিত হয়েছে’

করোনাভাইরাসের লকডাউনে মফস্বল এলাকায় খাদ্যাভাব না থাকলেও শিশুরা সুষম ও পুষ্টিযুক্ত খাদ্যের যোগান থেকে কিছুটা বঞ্চিত হয়েছে বলে জানিয়েছেন জাতীয় সংসদের ডেপুটি স্পিকার মো. ফজলে রাব্বী মিয়া।

সম্প্রতি “মাল্টি সেক্টর ইম্প্যাক্ট স্টাডি অফ কোভিড-১৯ টুওয়ার্ডস দ্যা লাইভস অফ চিলড্রেন এন্ড ইয়ুথ” শীর্ষক একটি গবেষণার প্রাপ্ত ফলাফল বিষয়ে অনলাইন সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।

বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন

চাইল্ড রাইটস অ্যাডভোকেসি কোয়ালিশন ইন বাংলাদেশ এবং জয়েনিং ফোর্সেস নামক শিশু অধিকার বিষয়ক দুটি কোয়ালিশন যৌথভাবে “মাল্টি সেক্টর ইম্প্যাক্ট স্টাডি অফ কোভিড-১৯ টুওয়ার্ডস দ্যা লাইভস অফ চিলড্রেন এন্ড ইয়ুথ” শীর্ষক একটি গবেষণা সম্পন্ন করেছে।

গবেষণায় প্রাপ্ত ফলাফল বিষয়ে সরকার, সুশীল সমাজ সহ বিভিন্ন স্টেকহোল্ডারদের অবহিত করণের লক্ষ্যে গতকাল বুধবার উভয় নেটওয়ার্কের সদস্য সংস্থাগুলো যৌথভাবে একটি অনলাইন সভার আয়োজন করে।

ডেপুটি স্পিকার জানান মাঠ পর্যায়ে শিশুরা যে সকল বাধাবিপত্তিগুলোর মুখোমুখি হচ্ছে সেগুলো সরকারের কাছে তুলে ধরলে সরকার সমাধানের ব্যবস্থা করতে উদ্যোগী হবে।

তিনি বলেন, সকলে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে কাজ করলে আমাদের শিশুদের সকল সমস্যার সমাধান করা সম্ভব।

বিজ্ঞাপন

বিশেষ অতিথি পার্লামেন্টারিয়ান ককাস অন চাইল্ড রাইটস এর সভাপতি অ্যাডভোকেট মো. শামসুল হক টুকু বলেন, প্রতিবেদনটি শিশু অধিকার বিষয়ে সরকারের একটি প্রামাণ্য দলিল হয়ে থাকবে। আজকের শিশু কালকের রাষ্ট্র নায়ক হবে যাদের নিরাপত্তা, সুস্বাস্থ্য এবং বয়স বৃদ্ধির প্রতিটি পর্যায়ে প্রয়োজনীয় সুযোগ সুবিধাগুলো প্রদান করা সরকারের পরিকল্পনায় আছে এবং সরকার এ বিষয়ে তৎপর।

করোনাভাইরাসের প্রকোপ কমে আসলে এ প্রতিবেদনে পাওয়া তথ্যগুলো জেলা, উপজেলা তথা মাঠ পর্যায়ে সরকারি ও বেসরকারি সকল সংগঠন ও দায়িত্বপ্রাপ্ত ব্যক্তিবর্গগণের কাছে পৌঁছে দেয়ার ব্যবস্থা করতে হবে।

বিশেষ অতিথি সমাজসেবা অধিদপ্তরের অতিরিক্ত পরিচালক মো. শহিদুল ইসলাম জানান, সারাদেশে ৩টি শিশু উন্নয়ন কেন্দ্র রয়েছে এবং এ সংখ্যা আরও বাড়ানোর পরিকল্পনা রয়েছে। কোভিডকালীন শিশুদের সুস্বাস্থ্য সুরক্ষার বিষয়টি খুব গুরুত্ব সহকারে দেখা হয়েছে। স্কুল বন্ধ থাকলেও দক্ষতা বৃদ্ধিমূলক প্রশিক্ষণগুলো নিয়মিত পরিচালনা করা হয়েছে এবং সরকারের থেকে যেকোনো নির্দেশনা প্রতিপালনে সমাজসেবা অধিদপ্তর সকল ধরণের পদক্ষেপ গ্রহণ করবে।

বিশেষ অতিথি জাতীয় মানসিক স্বাস্থ্য ইন্সটিটিউটের সহযোগী অধ্যাপক ডা. হেলাল উদ্দিন আহমেদ বলেন, করোনাকালীন শিশুদের মানসিক স্বাস্থ্যের বিষয়টি যথাযথভাবে আলোচিত হয়েছে বিগত বিশ বছরে সেভাবে আলোচিত হয়নি।

সরকার এ বিষয়টিকে গুরুত্ব সহকারে দেখবেন এবং এজন্য প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করবেন বলে তিনি আশা ব্যক্ত করেন।

শিশু জেবিন আক্তার জানান, করোনাকালীন স্কুল কলেজ সবকিছু বন্ধ হয়ে যাওয়ায় আমরা ঘর থেকে বেরোতে পারছিলাম না, অনেক চাপে ছিলাম। করোনা পরিস্থিতি এখন আগের তুলনায় একটু ভাল হওয়ায় এখন আমরা আগের চেয়ে অনেক ভাল আছি।