চ্যানেল আই অনলাইন
হৃদয়ে বাংলাদেশ প্রবাসেও বাংলাদেশ

লকডাউনেও কাটতে হবে সাঁতার, তাই ৭ হাজার ডলারে সুইমিংপুল ভাড়া

লকডাউন চলছে চলুক, তাই বলে সাঁতার কাটা তো বন্ধ রাখা যায় না! কিন্তু লকডাউনের কড়াকড়িতে নিজের অ্যাপার্টমেন্টে সেই সুযোগ পাচ্ছিলেন না সিঙ্গাপুর প্রবাসী এক ইংরেজ। তাই নিরুপায় হয়ে মাসে ১০ হাজার সিঙ্গাপুরী ডলার বা ৭ হাজার মার্কিন ডলারে ভাড়া নিয়ে নিলেন একটি বাংলোর সুইমিংপুল।

প্রথমে তিনি চেয়েছিলেন, সিঙ্গাপুরের দক্ষিণ উপকূলে সেন্তোসা কোভ এলাকায় ৩০ মিলিয়ন সিঙ্গাপুরী ডলারের গোটা বাংলোটি লিজ নিতে। কিন্তু তার জন্য মাসে গুণতে হয় ৩০ হাজার সিঙ্গাপুরী ডলার, যা তার পক্ষেও বেশি হয়ে যায়।

বিজ্ঞাপন

যে সংস্থাটি তার জন্য এই বাংলো জোগাড় করে তার এজেন্ট তাকে প্রশ্ন করেন, তার এখনকার অ্যাপার্টমেন্টে কি জায়গার অভাবের কারণে নতুন বাংলো খুঁজছেন? উত্তরে ওই ইংরেজি বলেন, অন্য কিছু নয়, তিনি শুধু সুইমিং পুল ব্যবহার করতে চান!

বিশ্বের অন্য অনেক দেশের মতো সিঙ্গাপুরেও লকডাউন ঘোষণা করা হয়েছে। আংশিক লকডাউন চতুর্থ সপ্তাহে পড়েছে এরই মধ্যে। করোনার প্রাদুর্ভাব কমাতে তা বাড়ানো হয়েছে ১ জুন পর্যন্ত। লকডাউনের সময় অনেক কড়াকড়ি চলছে সেখানে। বাইরে ঘোরাঘুরি পুরোপুরি বন্ধ, ফলে স্পোর্ট হল বা জিম- কেউ কোথাও যেতে পারছেন না। কারণ ছাড়া রাস্তায় বার হলে বসছে জরিমানা, এমনকি জেলও হচ্ছে, সাসপেন্ড করা হচ্ছে ওয়ার্ক পারমিট।

বিজ্ঞাপন

এমতাবস্থা ওই ব্রিটিশ শুধু পুলটি ব্যবহার করতে চান। তার এজেন্ট চেন বাংলো মালিকের সঙ্গে একটি বোঝাপড়ায় আসেন।

তাদের রোববার উভয়পক্ষে  চুক্তি হয় দুটি শর্তে। শুধু পুল ও বাগান ভাড়া নিতে পারবেন।

প্রথমত, ভাড়া দেওয়া হবে ৩ মাসের জন্য। দ্বিতীয়ত, যদি অন্য কেউ গোটা বাংলো ভাড়া নিতে চান, তবে এই চুক্তি বাতিল করা হবে।

বাড়িতে সদর দরজা দিয়ে ঢোকা সম্ভব নয় বলে ওই ব্যক্তি ও তার পরিবার ভেতরে ঢুকছেন পাশের একটি দরজা দিয়ে।

এ ধরনের বাগান ও পুল ভাড়া চেয়ে আরও অনুরোধ এসেছে বলে ওই এজেন্ট জানিয়েছেন।