চ্যানেল আই অনলাইন
হৃদয়ে বাংলাদেশ প্রবাসেও বাংলাদেশ

রোহিঙ্গা ইস্যুতে মানবিক, সামাজিক, অর্থনৈতিক সীমাহীন ক্ষতি

মিয়ানমারের বিরুদ্ধে কঠোর পদক্ষেপের বিরোধিতা করেছে নিরাপত্তা পরিষদের স্থায়ী দুই দেশ চীন ও রাশিয়া। রোহিঙ্গা সংকট নিয়ে জাতিসংঘ মহাসচিব আন্টনিও গুতেরেসের সঙ্গে নিরাপত্তা পরিষদের বৈঠকের দিন বৃহস্পতিবার রাখাইন রাজ্যের নির্যাতিত রোহিঙ্গাদের দেখতে কূটনীতিকদের একটি সফর মিয়ানমার সরকার বাতিল করেছে। রোহিঙ্গা মুসলমানরা কেন মিয়ানমার ছেড়ে পালাতে বাধ্য হয়েছে তা জানতে চায় জাতিসংঘ।

মিয়ানমার থেকে আসা এই রোহিঙ্গাদের নাগরিকত্ব যাচাইয়ের কাজটি জাতিসংঘের তত্ত্বাবধানে করার পক্ষে অবস্থান প্রকাশ করেছে বাংলাদেশ সরকার। যুক্তরাজ্য সরকার ৩০ মিলিয়ন পাউন্ড (৪ কোটি ২ লাখ ৭৬ হাজার ডলার) দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে, যা মিয়ানমার ও বাংলাদেশে ক্ষতিগ্রস্ত রোহিঙ্গাদের জন্য ব্যয় করা হবে। যুক্তরাষ্ট্র ইউএস এজেন্সি ফর ইন্টারন্যাশনাল ডেভেলপমেন্টের (ইউএসএআইডি) মাধ্যমে দেবে আরও ৬০ লাখ ডলার, যা জাতিসংঘের বিশ্ব খাদ্য সংস্থার (ডাব্লিউএফপি) মাধ্যমে রোহিঙ্গাদের সহায়তায় ব্যয় হবে।

মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্যে চলমান সহিংসতায় পুড়িয়ে দেয়া ভূমির দখল মিয়ানমার সরকার নেবে। ২৬ সেপ্টেম্বর সকাল থেকে মাইকিং করে রোহিঙ্গাদের মংডু শহরের আশপাশের গ্রামগুলোতে ছাড়ার নির্দেশ দিচ্ছেন মিয়ানমারের সেনাবাহিনী, এরপর কয়েকটি গ্রামে আগুন দেয় তারা। বাংলাদেশের অর্থনৈতিক অগ্রযাত্রা আজ হুমকির সম্মুখীন মিয়ানমারের কারণে।

অং সাং সু চি শিক্ষিত কিন্তু তাকে শিক্ষিত বলা যায় না। তিনি সেনাবাহিনীর সর্বাধিনায়ক সিনিয়র জেনারেল মিন অং হি লাইং, লে. জেনারেল কায়াও সু , লে. জেনারেল ইয়ে অং , লে. জেনারেল সেইন উইন , বৌদ্ধ জঙ্গি ধর্মগুরু উইরাথু সহযোগিতায় গণহত্যায় লিপ্ত, যা এ অঞ্চলে সমস্যার সৃষ্টি করছে।

রোহিঙ্গা সমস্যাকে রাষ্ট্র কর্তৃক পরিচালিত জেনোসিড বললে অত্যুক্তি করা হবে না। অথচ এ রোহিঙ্গা ইস্যুর কারণে মানবিক, সামাজিক, অর্থনৈতিক সীমাহীন ক্ষতি হচ্ছে। আজ অর্থনৈতিক বিপর্যয়ের কুপ্রভাব বাংলাদেশে এসে পড়েছে। তারা তাদের জীবনযাত্রার ন্যূনতম চাহিদা পূর্ণ করতে পারছে না। তারা নৃশংস মিয়ানমার সেনাবাহিনী ও আইন শৃংখলা বাহিনী এবং মিয়ানমার সরকারের বিভিন্ন সময়ে যারা ক্ষমতায় ছিলেন তাদের অপশক্তি অন্যায় অবিচারে প্রাণ হরাচ্ছেন, সম্ভ্রম হারাচ্ছেন। তাদের বস্তত ভিটা হারাচ্ছেন। আর্থিকভাবে দুর্বল হয়ে বাধ্য হচ্ছেন।

দেশের প্রধানমন্ত্রী বলেছেন যে, ২১ সেপ্টম্বর জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে তিনি রোহিঙ্গা ইস্যু তুলে ধরবেন। হিংস্রতা, গণধর্ষণ, মানবহত্যা, ভুখা নাঙ্গা আর কর্মহীন করে রাখার মাধ্যমে রোহিঙ্গাদেরকে একটি অমানবিক দৃষ্টির সীমা রেখায় পৌঁছে দিচ্ছে। এক হিসাবে দেখা যায় কেবল চলতি বছরের ২৫ শে আগস্ট ২০১৭ থেকে এখন পর্যন্ত অমানবিক কর্মকাণ্ডে এক হাজার আটশ কোটি ডলার (১৮০০ মার্কিন ডলার) রোহিঙ্গাদের ক্ষতি হয়েছে। যারা রাষ্ট্রীয় সন্ত্রাস করছে তাদের বিরুদ্ধে আন্তর্জাকি আদালতে বিচার করার জন্যে আহ্বান জানাচ্ছি।

পশুত্বের শেষ সীমায় এসে কেবল মানুষ হত্যা করছে না বরং নারী শিশু কেউই বাদ যাচ্ছে না। এমনকি মিয়ানমারের নৃশংস সেনাবাহিনী রোহিঙ্গাদের নামটি মুছে দিতে চাচ্ছেন। ইউরোপীয় পার্লামেন্ট যেখানে মিয়ানমারকে চাপ দিচ্ছে। ভূতাত্ত্বিক কারণে এ অঞ্চলের গুরুত্ব অপরিসীম। অথচ বিমস্টেক আঞ্চলিক সংস্থা হিসাবে চরম ব্যর্থ। আইএসরা বসেন থাকতে পারেও বলে পত্রিকান্তরে রিপোর্ট রেবিয়েছে। অন্যদিকে আন্তর্জাতিক চক্রান্তের অংশ হিসাবে আরকান রাজ্য প্রতিষ্ঠার প্রয়াস তুলতে পারে যা কোনমতেই মায়ানমার ভারত আর বাংলাদেশ কারোর কাছেই গ্রহণযোগ্য নয়।

কফি আনানের রিপোর্ট জমা দেয়ার পর রাখাইনের ৩০টি পুলিশ পোস্ট এবং একটি সেনা ক্যাম্পের যে বিদ্রোহ করেছে বলে মায়ানমার কর্তৃপক্ষ দাবি করেছিলো এখন প্রতিয়মান হচ্ছে মিয়ানমারের নিরাপত্তা বাহিনী নিজেরাই এই স্যাবটেজ ঘটিয়েছে। লাশ গুম করে গ্রাম পুড়িয়ে মানুস হত্যা করে অংসান সুকী আজ লেডী ম্যাকবেথের ট্র্যাজিক হিরো। অবস্থাসৃষ্টে তিনি ভুলে গেছেন সকল অপকর্মের দায় শেষ পর্যন্ত তার উপর পড়বে কেননা তিনি মিয়ানমারের ডি ফ্যাক্টো নেতা। রোহিঙ্গা-মিয়ানমার-অং সান সু চি

ঘৃণ্য এ নারীর আন্তর্জাতিক আদালতে বিচার হওয়া বাঞ্ছনীয়। সাথে মিয়ানমারের সেনাবাহিনী প্রধান দুষ্কৃতিকারীদের অবশ্যই আন্তর্জাতিক আদালতে জেনোসাইডের বিচারের আওতায় আনতে হবে। মিয়ানমার আজ সকল আইন কানুন ন্যাযতার উর্ধ্বে উঠে অর্থনৈতিকভাবে পশ্চাৎপদ হচ্ছে পাশাপাশি বাংলাদেশের  উন্নয়ন ও অগ্রযাত্রাকে প্রতিহত করতে একের পর এক চক্রান্ত করে চলেছে।  বাংলাদেশে সরকারের উচিৎ বছরের পর বছর মিয়ানমারের রিফইউজিরা বাংলাদেশে থাকায় যে পরিমাণ আর্থিক ক্ষতি হচ্ছে তার ইতিহাস তুলে ধরে বিশ্বের বিভিন্ন দেশে প্রেরণ করে মিয়ানমারের কাছ থেকে ক্ষতিপূরণ আদায় করা।

প্রতিদিন প্রায় ত্রিশ থেকে পয়ত্রিশ হাজার রোহিঙ্গা বাংলাদেশে প্রবেশ করছে। এর ফলে এদের ফুলফিলমেন্ট ঘটানো বাংলাদেশের একার পক্ষে কষ্টকর। কেননা এ ধরনের অন্যায় আচরণ তা আজ বিশ্ব বিবেকের কাছে প্রশ্ন হয়ে দেখা দিয়েছে। প্রায় পৌনে ছয় লাখ নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্য মিয়ানমারের কেন প্রয়োজন তা কি কেবল মানুষের হত্যাযজ্ঞের জন্যে সেটি বড় প্রশ্ন? রোহিঙ্গা বিভিন্ন সময়ে এদেশে প্রবেশ করে স্থানীয় মানুষের কর্মহীনতার সৃষ্টি করছে। বাজার মূল্যের চেয়ে কম মূলেল্য শ্রমশক্তি দিচ্ছে পাশাপাশি মাদক, অস্ত্র ব্যবসায় জঙ্গীবাদে জড়িত।

নিষ্ঠুরাত নির্মমতা বর্বরতার কারণে অর্থনৈতিক ক্ষেত্রে যে ব্যাপক ক্ষতি হচ্ছে, সেখানে অবশ্যই বৈশ্বিক নেতৃবৃন্দের সাহায্য দেয়া উচিত। তবে কোন ধরনের জঙ্গি সম্পৃক্ত এনজিও যেন, এআরএসএ জঙ্গিরা-সেখানে কাজের অনুমতি না পায় সেদিকে খেয়াল রাখা দরকার। সুযোগ সন্ধানীরা অনেক সময় ঘোলা পানিতে মাছ শিকার করে অাচার্যের ব্যাপার যারা এ ধরনের অপকর্ম ঘটাচ্ছেন তাদের নিয়ে ‘স্টালেট কক’ এর মত একটার পর একটা অন্যায় করে চলেছে।রোহিঙ্গা-জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদ

নিবন্ধিত এবং অনিবন্ধিত উভয় আশ্রয় কেন্দ্রে যেভাবে মানুষ আশ্রয় নিচ্ছে তার জন্যে যে বিপুল অর্থের প্রয়োজন তারা যোগান বাংলাদেশের ন্যায় ক্ষুদ্র দেশ কোথা থেকে দেবে। মিয়ানমারের রোহিঙ্গা অধ্যুষিত ১৭৬টি গ্রাম এখন জনমানবশূন্য। মিয়ানমারের নিরাপত্তা বাহিনীকে তুলনা করা চলে তালেবান বা আইএস-এর সাথে মিয়ানমারের প্রেসিডেন্টের মুখপাত্র এমনকি বিশ্বনেতাদের আহ্বান অগ্রাহ্য করে একের পর এক বিধনযজ্ঞ করছে।

বিজ্ঞাপন

অং সান সু চি-জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের সভা বর্জন করে এটাই প্রমাণ করলেন তার কাছে ক্ষমতা এবং মানুষ হত্যা সমানভাবে গ্রহণযোগ্য। আসলে এই যে রোহিঙ্গা নিধন, রোহিঙ্গারা বেঁচে থাকার জন্যে সব কিছু ফেলে এসে তাদের ক্রয় ক্ষমতা নেই বললেই চলে। এ ধরনের হিংস্র ঘটনা থেকে অনেক সময় মানুষের মধ্যে স্বাভাবিক বিচার-বুদ্ধি নষ্ট হয়-হিংস্রতার জালে মানুষ আবদ্ধ হয়। আর তথাকথিত ইসলামিক জঙ্গিরা আছেই।

বর্ত সাধারণ মানুষ অভূক্ত থেকে হিংস্র জানোয়ার হয়ে যায়। মিয়ানমারের হিউম্যান ডেভেলাপমেন্ট ইনডেক্স হচ্ছে ০.৫৫৬-অবস্থা দৃষ্টে দেখা যাচ্ছে মানুষ দরিদ্র হচ্ছে। তাদের লাইফ এক্সপেটেন্সী হচ্ছে ৬৬.১ বছর-শিক্ষায় নেয় গড়ে ৯.১। তাদের রাষ্ট্রের গড় হচ্ছে ১৪৫। বাংলাদেশে একের পর এক ব্যবসা চীন নিচ্ছে অথচ মিয়ানমারের পক্ষ অবলম্বন করছে। একই কথা রাশিয়ার ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য। তাদের সাহায্যে রূপপুর বিদ্যুৎ প্রকল্প হচ্ছে। অথচ ফলিস্তিনি সমস্যা করছে।

আসলে ধন বৈষম্য রাষ্ট্রটি প্রকঠ করেছে। তাদের নিরাপত্তাবাহিনী এখন লুঠতরাজ, হিংস্রতা, নৃশংসতা ও বর্বরতার পরিচয় দিচ্ছে। সেখানে কেবল নারী ধর্ষিত হচ্ছে না  বরং নারী সৈন্য দ্বারা পুরুষরা ধর্ষিত হচ্ছে। অং সান সু চি এখন কোটিল্যে পরিণত হয়েছেন। বৌদ্ধ ধর্মের অহিংসবাণী ভুলে গেছেন। তাদের দেশের বৌদ্ধ ভিক্ষুরা আমাদের দেশের ফতোবায়াজ যে যে সমস্ত কতিপয় আলেম আছে যারা ৭১ সালে মানব হত্যা করেছিলেন তাতে রূপান্তরিত হয়েছে। যারা ইতোপূর্বে তাদের কেউ কেউ বাংলাদেশের অভ্যন্তরে পরিবেশ দূষেণের পাশাপাশি মাদক বিক্রি, নারী বিক্রি, অস্ত্র বিক্রির কাজে জড়িয়ে পড়ছে। যখন কেউ দেয়ার পিঠ থেকে যায়, আয় প্রবাহ থাকে না তখন অপরাধ প্রবণ হয়ে যায়।রোহিঙ্গা-ডোনাল্ড ট্রাম্প-শেখ হাসিনা

তার দেশের নিরীহ মানুষকে কেবল ফিরিয়ে নেয়া নয় বরং পুনর্বাসন এবং কর্মসংস্থান সৃষ্টি করতে হবে। মিয়ানমারের সেনাবাহিনী দুর্নীতিপরায়ন দুর্নীতির মাধ্যমে যে অর্থ আয় করেছে তা যদি বন্টন করা হয় তবে দরিদ্র রোহিঙ্গা শ্রেণী লাভবান হবে। বিশ্ববিবেকের কাছে প্রশ্ন, বাংলাদেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নকে বাধাগ্রস্ত করতে এহেন ঘৃণ্য কর্মকাণ্ড মিয়ানমার চালিয়েছে এর ক্ষতিপূরণ কিভাবে পাবে?

আমাদের সমুদ্র সম্পদ  লুণ্ঠন করতে চায়। সুযোগ নিচ্ছে কিছু আন্তর্জাতিক অসাধু এনজিও। তারা ধর্ম বিদ্বেষ জাগিয়ে তুলতে চেয়েছে। রিফউজী সমস্যা সমাধান না করে বরং এভাবে মায়ানমার যে বছরের পর বছর তাদের দেশের নাগরিকদের আমাদের দেশে পাঠাচ্ছে তাতে বছরে গড়ে ১০০০ কোটি ডলারের অধিক ক্ষতি হচ্ছে। মিয়ানমারের বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক আদালতে মামলা করা উচিত।

১৯৭৮ সালে যখন এদেশে পাঠায় তখন রোহিঙ্গাদের সংখ্যা ছিল ২৫০,০০০। জাতিসংঘের হাই কমিশনার ফর রিফউজিসের মতে মিয়ানমার হেন অপরাধ করেনি যা মানবাধিকার লংঘন করেনি এবং বাংলাদেশের আর্থিক ক্ষতি ও স্থল-জল সম্পদ অধিকার দখল করার অপচেষ্টা, প্রথমত: মিয়ানমারের সাথে আমদানী রপ্তানী বন্ধ করা দরকার।   মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও চীন এবং রাশিয়া ভারতের সাথে অবশ্য যোগাযোগ হচ্ছে। কিন্তু   পাকিস্তান কোন বক্তব্যই রাখছে না।

তুরস্ক আর ইন্দোনেশিয়া যত না আমাদের চাপ দিচ্ছে তার চেয়ে বেশী চাপ দেয়া উচিৎ মিয়ানমারের নাগরিকদের সেদেশে পুনর্বাসন করা। আন্তর্জাতিক মাইগ্রেশান সংস্থা যেখানে মার্কিন ডলার ১৮ মিলিয়ন চেয়েছিল ০.১২৩ মিলিয়ন লোকের জন্যে সেখানে তা বেড়ে ০.৮ মিলিয়ন লোক হয়ে গেছে। যারা এদেশে প্রবেশ করতে বাধ্য হচ্ছে তাদের অধিকাংশ নারী-শিশু এবং বয়োবৃদ্ধ-এরা নিজেদের যত্ন নিজেরা নিতে অক্ষম।

নতুন ০.৮ মিলিয়ন রোহিঙ্গিা ছাড়াও ইতোপূর্বে প্রেরিত ০.৪ মিলিয়ন রোহিঙ্গা এদেশে রয়ে গেছে। তাদের  ছেলে-মেয়ে, নাতি-নাতনীরা এখানে আছে। এদের আবার সন্তান-সন্ততি হচ্ছে। এরা বাংলাদেশের সাথে কোনভাবেই সম্পৃক্ত নয়। মিয়ানমার আজ তালেবান বা আইএস রাষ্ট্রে পরিণত হয়েছে। এরা জংলী, বর্বর ও নরপিশাচ। আন্তজাতিক মাইগ্রেশান সংস্থা মনে করে যে, অনুগ্রহকারীরা এদেশের পরিবেশের সাথে খাপ খাইয়ে নিতে অক্ষম। ভোনাল্ড ট্রাম্পের বাংলাদেশে অবস্থানরত মিয়ানমারের নাগরিকদের সেদেশের ফেরৎ নিতে বাধ্য করুন।  বড় ছেলে

আমরা ত্রাণ চাই না যতটুকু পেরেছি অন্য রাষ্ট্রের অধিবাসীদের সাহায্য করেছি। এখন তারা তাদের দেশে ফিরে যান। চীন ও রাশিয়া তাদের মিয়ানমার প্রীতি থেকে বেরিয়ে আসুক। মিয়ানমার তাদের অন্যায় কাজে চীন এবং রাশিয়া সমর্থন দিচ্ছে। ভূ রাজনৈতিক কারণে এবারের গণহত্যা বাড়তে থাকলে তা শুধু বাংলাদেশ নয়, ভারতেরও ঝুঁকির কারণ হবে। ভারত অবশ্য ত্রাণ সাহায্য দিচ্ছে। আরও শক্ত হতে হবে তাদের।

অং সান সুচি হচ্ছে প্যাথলজিক্যাল লায়ার। দীর্ঘস্থায়ী করেছেন নৃশংসতা ও সামাজিক সম্প্রতি নষ্ট করেছে। প্রশ্ন থেকে যায় এমন মিথ্যুকতে কি করে শান্তিতে নোবেল প্রাইজ দেয়া হয়েছে।  আমার ভয় হয় এভাবে নির্যাতন চলতে থাকলে শেষ পর্যন্ত সাম্রাজ্যবাদী শক্তি না আবার আরকান রাজ্য প্রতিষ্ঠা এবং বঙ্গোপসাগরে চীন অধিপত্য বাড়ে ব্রীকেসের ভূমিকা আজ প্রশ্নবিদ্ধ

সু চি যেখানে নারী হয়ে নারীর প্রতি সহিংসতা বন্ধ করছেন না, সেখানে শেখ হাসিনা যেভাবে মানবতার প্রতীক হয়ে দাঁড়িয়েছেন- তাকে অবশ্যই শান্তিতে নোবেল পুরস্কার দেয়া দরকার। কফি আনান কমিশনের সুপারিশ বাস্তবায়ন তথা রোহিঙ্গাদের নাগরিকত্ব দিয়ে তাদের নিজ মাতৃভূমিতে ফিরিয়ে হবে।

(এ বিভাগে প্রকাশিত মতামত লেখকের নিজস্ব। চ্যানেল আই অনলাইন এবং চ্যানেল আই-এর সম্পাদকীয় নীতির সঙ্গে প্রকাশিত মতামত সামঞ্জস্যপূর্ণ নাও হতে পারে)

বিজ্ঞাপন