চ্যানেল আই অনলাইন
হৃদয়ে বাংলাদেশ প্রবাসেও বাংলাদেশ

রোম সফর বাতিল করায় কেন্দ্রের ওপর ‘ঈর্ষা’র অভিযোগ মমতার

পশ্চিমবঙ্গের মূখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জী কেন্দ্রের উপর ঈর্ষার অভিযোগ এনেছেন। তার মতে, ঈর্ষাকাতরতা থেকেই রোম কেন্দ্রিক ক্যাথলিক ফাউন্ডেশন কমিউনিটি অব সান্ট এগিডিওর আলোচনা সভায় অংশগ্রহণ বাতিল করে দিয়েছে দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।

মমতা বলেন, কেন্দ্র তাকে বলেছে এই আয়োজন আপনার লেভেলের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়।

বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন

দুই দিনের ওই শান্তি সম্মেলনে ৫০০ জন ধর্মীয় ও রাজনৈতিক নেতাদের মধ্যে জার্মানির চ্যান্সেলর অ্যাঙ্গেলা মেরকেল, ইটালির প্রধানমন্ত্রী মারিও দ্রাঘি এবং পোপ ফ্রান্সিসেরও থাকার কথা রয়েছে।

শনিবার মমতা বলেন, বিশ্ব শান্তি নিয়ে রোমে একটি আলোচনা আছে, আমি সেখানে আমন্ত্রিত। জার্মান চ্যান্সেলর, পোপ (ফ্রান্সিস) সেখানে অংশ নিবেন বলে ধারণা করা হচ্ছে। ইটালি আমার উপস্থিতির জন্য বিশেষ অনুমতি দিয়েছে। কিন্তু কেন্দ্র অনুমতি দেয়নি, বলেছে এটা মূখ্যমন্ত্রীর জন্য সঠিক নয়।

তিনি ঘোষণা করেন, আপনি আমাকে থামাতে পারবেন না। বিদেশ সফরের জন্য আমি উদগ্রীব নই। কিন্তু এটা আমাদের দেশের সম্মানের ব্যাপার। আপনি (মোদি) বারবার হিন্দুদের কথা বলেন। আমিও একজন হিন্দু নারী। তাহলে আমাকে কেন যেতে দিচ্ছেন না? আপনি পুরোপুরি ঈর্ষান্বিত।

বিজ্ঞাপন

তৃণমূলের এই নেতা বলেন, আমাদের দেশকে রক্ষা করতে হবে। ‘তালেবানি’ বিজেপি ভারত চালাতে পারে না। তৃণমূল একাই বিজেপিকে হারাতে পারে। খেলা শুরু হবে ভবানীপুর দিয়ে আর শেষ হবে পুরো দেশে জয়ের পরে।

বৃহস্পতিবার হওয়া ভবানীপুরের নির্বাচন নিয়ে সমালোচনার মুথে পড়েন এই তৃণমূল নেতা। এমএলএ হতে হলে এবং মূখ্যমন্ত্রী থাকতে হলে এখানে তাকে জয় পেতেই হবে। ৩ অক্টোবর এই নির্বাচন ফল প্রকাশ হবে।

কোভ্যাক্সিন নিয়ে কিভাবে প্রধানমন্ত্রী মোদি যুক্তরাষ্ট্র সফর করতে পারেন সেই প্রশ্নও তোলেন মমতা। এই ভ্যাক্সিন এখনও আমেরিকান সরকার এবং বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার অনুমোদন পায়নি। ফলে যেসব ভারতীয় কোভ্যাক্সিন নিয়েছেন তারা দেশের বাইরে মুক্তভাবে ভ্রমণ করতে পারবে না। কোয়োরেন্টাইন ও পরীক্ষা করার নিয়ম অনুসারে তাদের গন্তব্যে গিয়ে স্বেচ্ছা আইসোলেশন করতে হবে।

তবে দেশটির স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় জানিয়েছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা শীঘ্রই কোভ্যাক্সিনকে অনুমোদন দিবে।

এপ্রিলে কোভ্যাক্সিনের দ্বিতীয় ডোজ নিয়ে এই সপ্তাহে নিউইয়র্ক ভ্রমণ করেন নরেন্দ্র মোদি। জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের সম্মেলনে অংশ নিয়ে তিনি মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন, ভাইস প্রেসিডেন্ট কমলা হ্যারিস এবং অস্ট্রেলিয়া ও জাপানের প্রধানমন্ত্রীদের সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক বৈঠক করেন।