চ্যানেল আই অনলাইন
হৃদয়ে বাংলাদেশ প্রবাসেও বাংলাদেশ

রাষ্ট্রীয় আমন্ত্রণে হিমালয়ের দেশে ইমতু রাতিশ

হিমালয় অধ্যুষিত দেশ নেপালে রাষ্ট্রীয় আমন্ত্রণ পেয়েছিলেন বাংলাদেশের মডেল, অভিনেতা ও উপস্থাপক ইমতু রাতিশ। গেল ২ জুন তিনি দেশটিতে যান। টানা ৯ দিন দেশটির বিভিন্ন উপত্যকা, হিমালয় ছাড়াও বিভিন্ন দর্শনীয় স্থান চড়ে বেড়িয়েছেন ইমতু রাতিশ।

এরপর দেশে ফিরেছেন ১০ জুন। ‘হিমালয় ও ট্রাভেল মার্ট-২০১৮’ এবং ‘ইস্ট ট্যুরিজম মার্ট-২০১৮’ এর সঙ্গে সার্বিক তত্বাবধানে ছিল নেপাল ট্যুরিজম মন্ত্রণালয়।

বাংলাদেশের মিডিয়া থেকে ইমতুই একমাত্র সেখানে আমন্ত্রণ পান। আজ, মঙ্গলবার সকালে চ্যানেল আই অনলাইনকে নেপালে ৯ দিন ঘোরাঘুরির রোমান্সকর অভিজ্ঞতার কথা জানান ইমতু।

বিজ্ঞাপন

তিনি বলেন, নেপালে তো আগে কয়েকবার গিয়েছি। কিন্তু এবার রাষ্ট্রীয় আমন্ত্রণ পেয়ে আমি সত্যিই গর্ববোধ করছি। ইমতু বলেন, মাউন্টটেন ভিউ-এ গিয়েছি। বিশেষ বিমানে চড়ে হিমালয়ের সব গুলো চূঁড়া একদম কাছ থেকে দেখেছি, এমনকি পাইলটের সঙ্গে ককপিটে বসে হিমালয় দেখার প্রথম অভিজ্ঞতা হলো। সেকি দৃশ্য! এখনও চোখে লেগে আছে। তিনি বলেন, পোখারাও গিয়েছিলাম। এছাড়া সারাংকোটের ১৭০০ ফিট উঁচু পাহাড় থেকে সূর্যোদয় দেখেছি।

সেখানে চারপাশে প্রকৃতি তার এতো এতো রূপ ছড়িয়ে-ছিটিয়ে রেখেছে যে কোনটা দেখবো এটা নিয়ে দ্বিধায় পড়তে হয়েছে। সেখান থেকে ৩০০ ফিট উঁচুতে প্যারাগ্লাইডিং করেছি। মোট ২০০০ ফিট উঁচুতে উঠছিলাম- বললেন ইমতু রাতিশ। আরও বলেন, ৮০০০ ফিট উপরে হিল্লে, ধারনে এলাকায় গিয়েছি। নেপালে সাবমেট্রোপলিটোন শহর বিরাটনগরেও গিয়েছি। বাংলাদেশের সীমান্ত থেকে সেটা মাত্র ১৫০ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত। সেখানে গিয়ে ৮০০ ফিট উঁচুতে উঠেছি। বাংলাদেশ থেকে যেতে হলে শিলিগুড়ি দিয়ে ওখানে যাওয়া যায়।

ইমতু বলেন, বিরাটনগর অনেক বাংলাদেশি বেড়াতে যায়। সেখানকার মানুষরা বাংলাদেশের মতো অনেকটা! পুরোটাই এনজয় করেছি। যোগ করে ইমতু বলেন, এর আগে ২০১১ ও ২০১৪ সালে মালয়েশিয়াতে রাষ্ট্রীয় আমন্ত্রণে দুইবার একই ধরণের উদ্দেশ্যে গিয়েছিলাম। এবছরও আমন্ত্রণ পেয়েছি। সেপ্টেম্বরে যাবো। এবার নেপাল সফরে গিয়ে এই সাথে একটি বেসরকারি চ্যানেলের ট্রাভেল শো করে এসেছি। আগামীতে প্রচার হবে। আমার সাথে ক্যামেরায় ছিলেন মোস্তাক জাহিদ। স্বপ্নের মতো সবকিছু কেটেছে।

বিজ্ঞাপন