চ্যানেল আই অনলাইন
হৃদয়ে বাংলাদেশ প্রবাসেও বাংলাদেশ

রাষ্ট্রচিন্তার দিদারুলকে জামিন দিয়েছেন হাইকোর্ট

ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের মামলায় গ্রেপ্তার হয়ে কারাগারে থাকা ‘রাষ্ট্রচিন্তা’র সদস্য দিদারুল ভূঁইয়াকে জামিন দিয়েছেন হাইকোর্ট।

সোমবার বিচারপতি এম. ইনায়েতুর রহিম ও বিচারপতি মো. মোস্তাফিজুর রহমানের হাইকোর্ট বেঞ্চ এই জামিন আদেশ দেন।

বিজ্ঞাপন

আদালতে জামিন আবেদনের পক্ষে শুনানিতে ছিলেন আইনজীবী হাসনাত কাইয়ুম, কাজী জাহেদ ইকবাল ও জ্যোতির্ময় বড়ুয়া। এর আগে বিচারিক আদালতে দিদারুলের জামিন আবেদন নামঞ্জুর হয়। এরপর হাইকোর্টে জামিন আবেদন করেন তিনি।

বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন

ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে রমনা থানায় র‌্যাবের করা মামলায় দিদারুলকে গত ৬ মে গ্রেফতার দেখানো হয়। এই মামলার অপর আসামিরা হলেন, কার্টুনিস্ট আহম্মেদ কবির কিশোর, ব্যবসায়ী মোস্তাক আহম্মেদ, ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) পরিচালক মিনহাজ মান্নান, সাংবাদিক তাসনিম খলিল ও সাহেদ আলম, সায়ের জুলকারনাইন, আশিক ইমরান, ফিলিপ শুমাখার, স্বপন ওয়াহিদ ও ব্লগার আসিফ মহিউদ্দীন।

এই মামলায় আসামিদের বিরুদ্ধে ফেসবুক ব্যবহার করে জাতির জনক, মুক্তিযুদ্ধ, করোনাভাইরাস মহামারী সম্পর্কে গুজব, রাষ্ট্র/সরকারের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করার অভিপ্রায়ে অপপ্রচার বা বিভ্রান্তি ছড়ানো, অস্থিরতা-বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির পাঁয়তারার অভিযোগ আনা হয়।

এছাড়া মামলার এজাহারে বলা হয়, ‘I am Bangladeshi’ পেইজ থেকে রাষ্ট্রের সুনাম ও ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করতে বিভিন্ন পোস্ট দেওয়া হয়। সায়ের জুলকারনাইন, আহমেদ কবির কিশোর, আশিক ইমরান, ফিলিপ শুমাখার, মুশতাক আহমেদ, স্বপন ওয়াহিদ দীর্ঘদিন এই পেইজটি পরিচালনা করছেন। আর দিদারুল ও মিনহাজ ফেসবুকে মুশতাকের ‘ফ্রেন্ড’ উল্লেখ করে মামলার এজাহারে বলা হয়, তাদের হোয়াটস অ্যাপ ও ফেসবুক মেসেঞ্জারে রাষ্ট্রের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রমূলক চ্যাটিংয়ের প্রমাণ পাওয়া গেছে।’