চ্যানেল আই অনলাইন
হৃদয়ে বাংলাদেশ প্রবাসেও বাংলাদেশ

রাবেয়া খাতুনের মৃত্যুতে বিভিন্ন সামাজিক-সাংস্কৃতিক সংগঠনের শোক

স্বাধীনতা পুরস্কার, একুশে পদক ও বাংলা একাডেমিসহ অসংখ্য পুরস্কার ও সম্মাননায় ভূষিত প্রখ্যাত কথাসাহিত্যিক রাবেয়া খাতুনের মৃত্যুতে গভীর শোক ও দুঃখ প্রকাশ করেছে দেশের বিভিন্ন সামাজিক-সাংস্কৃতিক সংগঠন।

পৃথক শোকবার্তায় তারা এ শোক জানিয়েছে।

বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন

গভীর শোক প্রকাশ করেছে সম্মিলিত সাংস্কৃতিক জোট, মণি-সিংহ ফরহাদ স্মৃতি ট্রাস্ট, বাংলাদেশ বেতার পরিবার। শোক এবং সমবেদনা জানিয়েছেন ঐক্য ফাউন্ডেশন সভাপতি শাহীন আকতার রেনী।

গভীর শোক ও দুঃখ প্রকাশ করেছেন জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর ড. হারুন-অর-রশিদ ও উপ-উপাচার্য প্রফেসর ড. মো. মশিউর রহমান।

এক শোক বার্তায় উপাচার্য ও উপ-উপাচার্য বলেন, প্রয়াত রাবেয়া খাতুন বাংলা সাহিত্যের উজ্জ্বল নক্ষত্র। সাহিত্যকর্ম ও সৃজনশীলতার জন্য তার অবদান সাহিত্য জগতে চির স্মরণীয় হয়ে থাকবে। তার মৃত্যুতে সাহিত্যাঙ্গনে এক বিশাল শূন্যতার সৃষ্টি হলো।

বিজ্ঞাপন

ছিয়াশি বছরে মারা যাওয়া রাবেয়া খাতুন সাহিত্যের সকল শাখায় সফলভাবে বিচরণ করেছেন। দীর্ঘ জীবনে তিনি বাংলা সাহিত্যকে যেমন সমৃদ্ধ করেছেন তেমনি ভূষিত হয়েছেন অসংখ্য পুরস্কারেও।

বাংলা সাহিত্যে উজ্জ্বল নক্ষত্রের নাম রাবেয়া খাতুন। ১৯৩৫ সালে বিক্রমপুরে জন্ম তার। লেখালেখির পাশাপাশি শিক্ষকতা এবং সাংবাদিকতাও করেছেন।

উপন্যাস, ছোটগল্প, ভ্রমণকাহিনী, কিশোর উপন্যাস, স্মৃতিকথাসহ চলচ্চিত্র ও নাট্য জগতেও বিচরণ রাবেয়া খাতুনের। তার মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক উপন্যাস ‘মেঘের পরে মেঘ’ জনপ্রিয় একটি চলচ্চিত্র। ‘মধুমতি’ এবং ‘কখনো মেঘ কখনো বৃষ্টিও প্রশংসিত হয়েছে সব মহলে।

তার স্বামী প্রয়াত এটিএম ফজলুল হক ছিলেন দেশের চলচ্চিত্র বিষয়ক প্রথম পত্রিকা সিনেমার সম্পাদক ও চিত্রপরিচালক। বাংলাদেশের প্রথম শিশুতোষ চলচ্চিত্র ‘প্রেসিডেন্ট’ এর পরিচালকও তিনি।

১৯৫২ সালের ২৩ জুলাই তাদের বিয়ে হয়। তাদের চার সন্তানের মধ্যেে রয়েছে, ফরিদুর রেজা সাগর, কেকা ফেরদৌসী, ফরহাদুর রেজা প্রবাল ও ফারহানা কাকলী।

বাংলা একাডেমি, চলচ্চিত্র জুরী বোর্ড, লেডিস ক্লাব, বাংলাদেশ লেখিকা সংঘ, মহিলা সমিতিসহ অসংখ্য সংগঠনের সাথে ছিলেন রাবেয়া খাতুন।