চ্যানেল আই অনলাইন
হৃদয়ে বাংলাদেশ প্রবাসেও বাংলাদেশ

রাবির সাবেক ভিসির ৩ সহযোগীর ব্যাংক হিসাব তলব 

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের (রাবি) সাবেক উপাচার্য অধ্যাপক ড. এম আব্দুস সোবহান ও তার স্ত্রী-ছেলেমেয়ে সহ ৫ জনের ব্যাংক হিসাব তলব করার পর এবার তার ৩ সহযোগী ও তাদের স্ত্রীসহ ৬ জনের ব্যাংক হিসাব তলব করেছে জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সেল (সিআইসি)।

সোমবার এনবিআর সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন

সূত্র জানায়, গতকাল রোববার সিআইসি উপপরিচালক মোছা. ফাতেমা খাতুন স্বাক্ষরিত ব্যাংকগুলোর এমডি বরাবর পাঠানো এক চিঠিতে তাদের লেনদেন, সঞ্চয়সহ যাবতীয় তথ্য পাঠাতে বলা হয়। আগামী ৭ দিনের মধ্যে তথ্য দিতে বলা হয়।

যাদের ব্যাংক হিসাব তলব করা হয়েছে তারা হলেন- রাবি প্রক্টর প্রফেসর ড. লুৎফর রহমান ও তার স্ত্রী মনিরা ইয়াসমিন, সহকারী রেজিস্ট্রার মো. মামুন-অর-রশীদ ও তার স্ত্রী মাহফুজা আক্তার, রাবি ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি ও এমএস এন্টারপ্রাইজের মালিক ইব্রাহীম হোসেন মুন, তার স্ত্রী আয়েশা সিদ্দিকা।

বিজ্ঞাপন

এর আগে গত সপ্তাহে আব্দুস সোবহান, তার স্ত্রী মনোয়ারা সোবহান, ছেলে মুসফিক সোবহান, মেয়ে সানজানা সোবহান, মেয়ের স্বামী এটিএম শাহেদ পারভেজের ব্যাংক হিসাব তলব করেছিল রাজস্ব বোর্ড।

চিঠিতে বলা হয়, এই ৬ জনের একক বা যৌথ নামে অথবা তাদের মালিকানাধীন ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের নামে আমানত হিসাব (এফডিআর ও এসটিডি হিসাবসহ যেকোনো ধরনের বা নামের মেয়াদী আমানত হিসাব), যেকোনো ধরনের বা মেয়াদের সঞ্চয়ী হিসাব, চলতি হিসাব, ঋণ হিসাব, ফরেন কারেন্সি হিসাব, ক্রেডিট কার্ড, লকার বা ভল্ট, সঞ্চয়পত্র বা অন্য যেকোনো ধরনের সেভিংস ইনস্ট্রুমেন্ট, ইনভেস্টমেন্ট স্কিম বা ডিপোজিট স্কিম বা অন্য যে কোন ধরনের বা নামের হিসাব পরিচালিত বা রক্ষিত হয়ে থাকলে তা জমা দিতে বলা হয়েছে।

চিঠিতে আরও বলা হয়, বিশেষ করে এসব হিসাব ২০১৪ সালের ১ জুলাই পর্যন্ত হালনাগাদ তথ্য আগামী ৭ দিনের মধ্যে আয়কর অধ্যাদেশ, ১৯৮৪-এর ১১৩ (এফ) ধারায় প্রদত্ত ক্ষমতাবলে তথ্য দিতে অনুরোধ করা হয়। তবে এ সময়ের মধ্যে বা পূর্বে হিসাব শুরু হয়ে ২০১৪ সালের ১ জুলাই সময়ের মধ্যে হিসাব বন্ধ হয়ে গেলে অথবা শেষ হয়ে গেলে অথবা সুপ্ত অবস্থায় থাকলেও তথ্য দিতে বলা হয়েছে। আগামী ৭ দিনের মধ্যে যাবতীয় তথ্য দিতে বলা হয়েছে।

গত ৬ মে উপাচার্য হিসেবে দায়িত্ব পালনের শেষ কর্মদিবসে ১৪১ জনকে নিয়োগ দিয়ে আলোচনায় আসেন আব্দুস সোবহান। অর্থের বিনিময়ে এ নিয়োগ দেয়া হয়েছে বলে অভিযোগ উঠে তার বিরুদ্ধে।