চ্যানেল আই অনলাইন
হৃদয়ে বাংলাদেশ প্রবাসেও বাংলাদেশ

রাজনৈতিক সিদ্ধান্তের বৈচিত্র্যতায় ফজিলাতুন নেছা

চেতনায় অম্লান দীপ্তি: শেখ ফজিলাতুন নেছা মুজিব

বঙ্গবন্ধু পরিবারের অত্যন্ত ঘনিষ্ট, বঙ্গবন্ধু হত্যাকাণ্ডের বিচারের দাবির স্বপক্ষে আন্তর্জাতিক আন্দোলনের অন্যতম ব্যক্তিত্ব সুলতান শরিফ একান্ত সাক্ষাতকারে বলেন, ‘১৯৫৪ সালে যুক্তফ্রন্ট সরকার গঠিত হয়, সে সরকারের সর্বকনিষ্ঠ সদস্য নির্বাচিত হয় পরবর্তীতে আমাদের জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান, বাঙালি জাতির মুক্তির যে স্তম্ভ তিনি সারাজীবনের পরিশ্রম সংগ্রামের মাধ্যমে তৈরি করেছেন তার জন্য বাল্যবন্ধু, সহধর্মিনী, রাজনৈতিক সহকর্মী হিসেবে বাল্যবয়স থেকে পরস্পরের সহযোগী হিসেবে কাজ করেছেন বেগম মুজিব।

বঙ্গবন্ধুর অবর্তমানে রাজনৈতিক কর্মী যারা জেলের অভ্যন্তরে থেকেছেন তাদেরকে বিভিন্নভাবে বেগম মুজিব সাহায্য করেছেন। কখনো উকিলদের মাধ্যমে সাহায্য করেছেন, আর্থিকভাবে সাহায্য দিয়েছেন বা সান্তনা দিয়ে, অনুপ্রেরণা দিয়েছেন বিপথগ্রস্ত পরিবারদের। এই চরম দুঃসময়ে সহযোদ্ধা, সহকর্মী, দলীয় কর্মী, মুজিব অনুরাগীদেরকে আশ্রয়, মুজিবের ভক্ত ও ফ্যানদের প্রশ্রয় এবং সমস্ত অত্যাচার নীরবে সহ্য করেছেন, মুক্তিকামী মানুষের জীবনে ফিরে আসার সমস্ত অনুপ্রেরণা যুগিয়েছেন।’ রাজনৈতিক কর্মীদের তিনি নিজের সন্তান, ভাই এবং সহযোদ্ধা হিসেবে মেনে নিয়েছিলেন।

বিজ্ঞাপন

জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত গ্রহণের পূর্বে বঙ্গজননীর সাথে সবসময়ই শলাপরামর্শ করতেন। বঙ্গবন্ধুর ফজিলাতুন নেছার পরামর্শ গ্রহণ করা প্রসঙ্গে সুলতান শরিফ বলেন, “বঙ্গবন্ধু কিন্তু যেকোন ব্যাপারে আমাদের সাথে আলোচনা করতেন, ভাবীও আমাদের সাথে তেমন আলোচনা করতেন। বঙ্গবন্ধুর কোন সিদ্ধান্তের বিষয়ে খটকা লাগলে তিনি ছাত্রনেতাদের কাছ থেকে পরামর্শ নিতেন, তোমাদের মতামত কী? প্রধানমন্ত্রীর অফিসিয়াল পরামর্শ নিয়ে কাজ করার বিধান ছিল, কিন্তু বেগম মুজিবের সাথে আলাপকালে কর্মীদের নিকট হতে প্রাপ্ত সিদ্ধান্তের কথা চলে আসত সরাসরি। ছাত্রনেতাদের কনসার্নগুলো সম্বন্ধে ওয়াকিবহাল করতেন বেগম মুজিব। আমি, আমার স্ত্রী এবং সন্তানদের জন্য উনার কাছ থেকে অপত্য স্নেহ পেয়েছি। এ রকম মানুষের জন্যই দেশ স্বাধীন হয়েছে নির্মলভাবে। শেখ হাসিনা আমাদের পরবর্তী প্রজন্মের জন্য একটি মুক্ত বাংলাদেশ দিয়ে যাবেন সে প্রত্যাশাই করছি আমরা। বেগম মুজিবের দেখানো পথেই শেখ হাসিনা তার বাবার আদর্শের অসাম্প্রদায়িক চেতনাকে বাস্তবে রূপদানের জন্য আপ্রাণ চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন এবং সফলতার রূপরেখায় ইতিমধ্যে আমরা পদায়ন করেছি।”

বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের সোনার বাংলা বিনির্মাণে বর্তমান প্রজন্মকে ফজিলাতুন নেছা মুজিবের ন্যায় সারথিরূপে কাজ করতে হবে, তবেই না মুক্তিযুদ্ধের চেতনার বাস্তবায়ন নিশ্চিত হবে নিমিষেই।

রাজনৈতিক পরিস্থতি সম্বন্ধে অত্যন্ত প্রাজ্ঞতার সাথে অবগত ছিলেন ফজিলাতুন নেছা। সর্বক্ষণ চোখ মুখ খোলা রাখতেন এবং এলাকা ভিত্তিক কর্মীদের খবরাখবর দেওয়ার জন্য অনুরোধ করতেন। তিনি আগে থেকেই আঁচ করতে পারতেন রাজনৈতিক ভবিষ্যৎ নিয়ে। মুস্তাফা সারওয়ার রচিত “বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব কাছে থেকে দেখা” গ্রন্থে ফজিলাতুন নেছা সম্বন্ধে বাগ্মিক মন্তব্য সহ সামগ্রিক বিষয়াবলী তুলে ধরা হয়েছে। গ্রন্থটির লেখক অসংখ্য গুণাবলির অধিকারী; একাধারে আওয়ামী লীগ নেতা, বায়ান্নর ভাষা আন্দোলনের অগ্রজ সৈনিক, কলামিস্ট, গ্রন্থকার, সমাজ সেবক এবং সর্বোপরী মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সংগঠক।

গ্রন্থটিতে তিনি উল্লেখ করেন, “সম্ভবত বেগম মুজিবের সাথে প্রথম ঘনিষ্ট হয়েছিলাম ১৯৬৬ এর ৮ মে’র অনেকদিন পরে। আমি নারায়ণগঞ্জের আওয়ামী লীগের সভাপতি হিসেবে ৬ দফার ৬টি তারকা প্রতীক চিহ্নসহ একটা সোনার মেডেলসহ বঙ্গবন্ধুকে নারায়নগঞ্জের জনসভায় দাঁড়িয়ে ৬টি কবুতর উড়িয়ে দিয়েছিলাম। সেদিনই আমার অর্ধনির্মিত বাড়ির নামকরণ ‘বাংলা ভবন’ করে চা-নাস্তা খেয়ে ঢাকায় ফিরে গ্রেপ্তার হন ৩২ নম্বর রোডের বাসভবনে। তখন ঢাকায় নারায়নগঞ্জ আওয়ামী লীগের দলীয় অবস্থান ছিল অন্যতম শক্তি। পুলিশ এসবি’দের চোখ এড়িয়ে ধানমন্ডির ৩২ নম্বরে তৎকালীন পেছনের রাস্তা দিয়ে অপরাধীর মতো বেগম মুজিবের সাথে গোপনে দেখা করলে তিনি বলেছিলেন, ভাই আপনারা সাবধান হয়ে যান, অ্যারেস্ট এড়াতে পারবেন না। বেশকিছু কথা বলার পর তিনি বলেছিলেন, ভাবীকে (আমার স্ত্রী) বলবেন ‘বাংলা ভবন’-এ খালি জমিতে চৌবাচ্চা তৈরি করে মাগুর মাছ, জিয়ল মাছ, মুরগী পালার ব্যবস্থা করতে। মনটাও ভাল থাকবে বাজারের দিকেও চেয়ে থাকতে হবে না। এই ধরণের কথাগুলো বলে বেগম ফজিলাতুন নেছা আমার নিশ্চুপ মুখ দেখে অনেক উৎসাহ দিয়েছিলেন।” পরিবারের প্রধান কর্তা ব্যক্তি গ্রেপ্তার হয়ে কারাগারে থাকলে সংসারের আর্থিক টানাপোড়েনের চিত্রও তিনি তুলে ধরেছিলেন, কারণ এ বিষয়টায় তিনি ভুক্তভোগী ছিলেন।

একজন রাজনৈতিক নেতার স্ত্রী হিসেবে বারংবার স্বামী গ্রেপ্তার হয়ে কারাবরণ করলে সংসার পরিচালনায় সম্ভাব্য কষ্টকর অবস্থার কথা স্মরণ করিয়ে দিয়ে রাজনৈতিক কর্মীদের সতর্ক করে দিয়েছিলেন ফজিলাতুন নেছা মুজিব। কারণ, তিনি জানতেন কী হতে পারে ভবিষ্যতে, তাই নারায়ণগঞ্জ আওয়ামী লীগের সভাপতিকে বিষয়গুলো বুঝিয়ে দিয়েছিলেন। এর কিছুদিন পরেই মুস্তাফা সারওয়ারকে গ্রেপ্তার করে কারাগারে নিয়ে যাওয়া হয়।

এমন অনেক সময় এসেছে যখন বঙ্গবন্ধু যে ইস্যুটি নিয়ে চিন্তা করতেন না, অথচ তার গোড়াপত্তন করতেন বেগম মুজিব। চিন্তা, চেতনা, ভাবনা আর বিশালত্বে ফজিলাতুন নেছা মুজিব অনমনীয় রূপ ধারণ করায় স্বাধীনতা যুদ্ধকে সহজেই বাঙালির নিয়ন্ত্রণে নিয়ে আসার রণকৌশল ত্বরান্বিত করতে ফজিলাতুন নেছা মুজিব রাজনীতিবিদ, মুক্তিযোদ্ধা, সাংবাদিক, বুদ্ধিজীবী, শিক্ষাবিদ এবং নানা পেশার মানুষজনদের সাথে চিঠিপত্রের মাধ্যমে যোগাযোগ রাখতেন অবলীলায়। যদিও এ কাজটা করতে দুঃসহ যন্ত্রণা, অপঘাত এবং পাকিস্তানি দোসরদের কড়া নজরকে চ্যালেঞ্জ হিসেবে নিয়েই তিনি এ সকল কাজ করছেন দেশমাতার টানে।

বিজ্ঞাপন

রাজনৈতিক প্রজ্ঞায় ফজিলাতুন নেছা মুজিবের ধারে কাছে প্রতিষ্ঠিত রাজনীতিবিদরা হার মানবে অবলীলায়, কারণ তিনি তীক্ষ্ণ দৃষ্টি দিয়ে সবকিছু পর্যবেক্ষণ করতেন, অনুধাবন করে ব্যবস্থা নেওয়ার চেষ্টা করতেন। ভবিষ্যতের চিন্তাকে বিবেচনায় নিতে পারতেন নিমিষেই, আর তার চেতনায় ছিল স্বামীর ন্যায় বাঙালির মুক্তি এবং স্বাধীনতা। ব্যক্তিগত স্বার্থকে সর্বদা জলাঞ্জলি দিয়ে জনতার মুক্তিসংগ্রামের কথা ভাবতেন।

মুক্তিযুদ্ধের উত্তাল সময়ে ফজিলাতুন নেছার শ্বশুর-শ্বাশুড়ী পিজি হাসপাতালে ভর্তি ছিলেন। সেই কঠিন সময়ে নিজের বাবা-মা সমতুল্য শ্বশুর-শ্বাশুড়ীর জন্য খাবার নিয়ে যেতেন। সেখানে বসেই তিনি মুক্তিযুদ্ধের রণকৌশল সাজাতেন এবং মুক্তিযোদ্ধাদের সাথে যোগাযোগ রক্ষা করতেন। এমনই একদিন পিজি হাসপাতালে পাকিস্তানের উদারপন্থী রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব এয়ার ভাইস মার্শাল আসগর খানের সাথে সাক্ষাৎ হয়। সেখানে তিনি তার সাথে মিটিং করে বাঙালিদের উপর পাকিস্তানের নির্মম অত্যাচারের বিরুদ্ধে ঘোরতর প্রতিবাদ করেন। এমনকি হত্যা, নির্যাতন, লুণ্ঠন এবং গণহত্যার সংবাদ বিশ্ববিবেকের সামনে প্রকাশ করার জন্য অনুরোধ জ্ঞাপন করেন। কেননা, পাকিস্তান সরকারের কড়া নিরাপত্তা এবং বিধি-নিষেধ পেরিয়ে বিশ্ববাসী কখনো প্রকৃত তথ্য জানতে পারতো না, এমনকি শান্তিকামি পাকিস্তানিদেরকে নৃশংস নির্যাতনের খবরের বাইরে রাখা হয়েছিল। সে বিষয়টা তিনি আসগর খানের কাছে তুলে ধরেছিলেন, এখানেও ব্যতিক্রমতার পরিচয় দিয়েছিলেন। ঘুণাক্ষরেও স্বামী বঙ্গবন্ধুর মুক্তির ব্যাপারে কোন সুপারিশ বা অনুরোধ করেননি।

ষাটের দশকে বাংলাদেশের রাজনীতিতে অনবদ্য অবদান রেখেছিলেন এই মহিয়সী নারী। আন্দোলনের উত্তাল সময়ে বঙ্গবন্ধুসহ জাতীয় এবং সিনিয়র নেতাদের একের পর এক মিথ্যা মামলা দিয়ে কারাগারে প্রেরণ করা হতো। সে সময়টায় তিনি সংগঠকের ভূমিকা পালন করেছিলেন নিরলসভাবে, ভাবী কিংবা মায়ের স্নেহ দিয়ে তিনি সবাইকে আগলে রেখে আন্দোলনকে বেগবান করতে চূড়ান্ত ভূমিকা পালন করেন। রাজনীতিতে প্রতিক্রিয়াশীল হলেও এমন কোন নেতা বাকি নেই যারা ধানমন্ডির ৩২ নম্বর বাড়ির আতিথেয়তা গ্রহণ করেননি। মামলা পরিচালনা, আন্দোলন পরিচালনার জন্য সিদ্ধান্ত গ্রহণ, বঙ্গবন্ধুকে কারাগার থেকে মুক্ত করা ইত্যাদি সবগুলো বিষয়ের সিদ্ধান্ত গ্রহণ ফজিলাতুন নেছা মুজিবের মাধ্যমেই ধানমন্ডির ৩২ নম্বর রোডের বাসা থেকে আসতো।

এখানে আরেকটি ঘটনার অবতারণা করা যায় ফজিলাতুন নেছা মুজিবের রাজনৈতিক প্রজ্ঞার উদাহরণ হিসেবে। ঘটনাটির সময়কাল ১৯৭১ সালের ২৩ কি ২৪ মার্চ রাতে। আওয়ামী লীগের সাথে তৎকালীন পিপিপি’র সমন্বয়ে কোয়ালিশন সরকারের গঠনের উদ্যোগ নেয় পাকিস্তানি প্রশাসনের প্রভাবশালী মহল। এ প্রস্তাব যখন বঙ্গবন্ধুর কাছে আসে, তখন তা দেখে ফজিলাতুন নেছা শেখ মুজিবকে উদ্দেশ্য করে বলেন, “দেখো আমি তোমার রাজনীতি করিনা, তুমি যদি ভুট্টোর সাথে কোয়ালিশন করো তবে লোকে এই বাড়িতে পাথর মারবে। আমি এই বাড়িতে থাকবো না, টুঙ্গিপাড়ার বাড়িতে চলে যাবো।”

যেকোন সিদ্ধান্ত দেওয়ার পূর্বে এমন দৃঢ়চেতা মনোভাবের প্রকাশ ঘটাতেন ফজিলাতুন নেছা। তিনি সর্বদাই সঠিক বিষয়টি নিয়ে বঙ্গবন্ধুর সামনে উপস্থাপন করতেন যার প্রেক্ষিতে বঙ্গবন্ধুরও সিদ্ধান্ত নিতে সুবিধা হতো। ফজিলাতুন নেছা মুজিবের পরামর্শ গ্রহণ সাপেক্ষে আনীত ফলাফল দেশ ও জাতির জন্য মঙ্গলজনক হয়েছে, এমন অনেক উদাহরণ রেণু সৃষ্টি করেছেন; তাই বঙ্গবন্ধুও তার প্রিয় সহধর্মিণীকে মূল্যায়ন করতেন, গুরুত্ব দিতেন। রাজনৈতিক সহযোদ্ধা হিসেবে ফজিলাতুন নেছা ছিলেন বিশ্ববিবেকের নামান্তর যেখানে নিপীড়িত, নিষ্পেষিত এবং অবহেলিত মানুষের স্বার্থকে প্রাধান্য দিয়ে সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নের জন্য অনুরোধ জ্ঞাপন করা হতো।

১৯৭২ সালের ১০ জানুয়ারি বঙ্গবন্ধুর স্বদেশ প্রত্যাবর্তন উপলক্ষ্যে সফরসূচি চূড়ান্ত করার জন্য তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী তাজউদ্দিন আহমেদ বঙ্গমাতার সঙ্গে বৈঠকে মিলিত হন। বৈঠকে সফরসূচি সম্বন্ধে জানানো হয়, বৃটিশ বিমানে বঙ্গবন্ধু দিল্লিতে পৌঁছাবেন। সেখানে যাত্রাবিরতি করে ভারতীয় বিমানে করে কলকাতা বিমানবন্দরে পুনরায় যাত্রাবিরতি দিয়ে বাংলাদেশে পৌঁছাবেন।

কিন্তু ফজিলাতুন নেছা মুজিব প্রস্তাব প্রত্যাখান করে যুক্তি দিয়ে উল্লেখ করেন; বঙ্গবন্ধু ব্রিটিশ বিমান বাদ দিয়ে যদি ভারতের বিমানে করে বাংলাদেশে আসে তাহলে বৃটেনের জনগণকে অপমান করা হবে। অন্যদিকে কলকাতায় যাত্রাবিরতি করলে ঢাকায় প্রবেশ করতে সন্ধ্যা হয়ে যাবে। কারণ বাংলাদেশের বিভিন্ন জায়গা থেকে বঙ্গবন্ধুকে বিরোত্তম সংবর্ধনা জানানোর জন্য মুক্তিযোদ্ধারা আসবেন, শত্রু রা রা তখনও ওঁৎপেতে ছিল, তাই কোন ধরনের কুচক্রি তৎপরতা বন্ধে সন্ধ্যার পূর্বেই ঢাকায় আসার জন্য সিডিউল দেওয়ার জন্য তাজউদ্দিনকে অনুরোধ জানান বঙ্গমাতা।

চলবে…

Bellow Post-Green View