চ্যানেল আই অনলাইন
হৃদয়ে বাংলাদেশ প্রবাসেও বাংলাদেশ

রাজধানীতে কোয়ারেন্টাইনে থাকা ২ পুলিশ সদস্যের মৃত্যু

করোনাভাইরাস এ আক্রান্ত হয়ে রাজধানীতে কোয়ারেন্টাইনে থাকা এক কর্মকর্তাসহ ২ পুলিশ সদস্যের মৃত্যু হয়েছে।

নিহতদের একজন ডিএমপি পাবলিক অর্ডার ম্যানেজমেন্ট দক্ষিণ বিভাগে কর্মরত এসআই আব্দুল খালেক।

বিজ্ঞাপন

হোটেল আরামবাগে হোম কোয়ারেন্টাইনে থাকা অবস্থায় সেখানেই মারা যান তিনি।

বিজ্ঞাপন

অন্যজন ডিএমপি ট্রাফিক উত্তর বিভাগের কনস্টেবল আশেক মাহমুদ। তিনি সিদ্ধেশ্বরী কলেজে হোম কোয়ারেন্টাইনে থাকা অবস্থায় করোনায় আক্রান্ত হয়ে কেন্দ্রীয় পুলিশ হাসপাতালে মারা যান।

বিজ্ঞাপন

আব্দুল খালেকের বাড়ি বরগুনার বেতাগী উপজেলার ঝোপখালী গ্রামে। তার বাবার নাম আজিম উদ্দিন মৃধা। আশেক মাহমুদের বাড়ি জামালপুরের মেলান্দহ উপজেলায়।

ডিএমপির পাবলিক অর্ডার ম্যানেজমেন্টের (পিওএম) যুগ্ম কমিশনার আব্দুল মালেক জানান, প্রাথমিকভাবে করোনার উপসর্গ দেখা দেয়ার পর এএসআই আব্দুল খালেককে আরামবাগে একটি হোটেলে প্রাতিষ্ঠানিক কোয়ারেন্টাইন সেন্টারে নেয়া হয়। বুধবার তার করোনার পরীক্ষার নমুনা পাঠানো হয়। রিপোর্টে তার করোনায় পজিটিভ আসে। কোয়ারেন্টাইনে অবচেতন অবস্থায় পাওয়া যাওয়ার পর তাকে হাসপাতালে নেয়া হয়। সেখানে রাত সোয়া ১২টার দিকে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

ডিএমপির ট্রাফিক উত্তরের সহকারী কমিশনার (এডমিন) বদরুল হাসান জানান, করোনার উপসর্গ দেখা দেয়ার পর আশেক মাহমুদকে সিদ্ধেশ্বরী স্কুল অ্যান্ড কলেজের পুলিশ তত্ত্বাবধানের প্রাতিষ্ঠানিক কোয়ারেন্টারে রাখা হয়। গত ২৬ এপ্রিল করোনার নমুনা পরীক্ষা করা হয়। পরদিন অর্থাৎ ২৭ এপ্রিল তার করোনা পজিটিভ আসে।

বুধবার তার অবস্থার অবনতি হলে রাজারবাগ পুলিশ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানে তাকে আইসিইউতে রাখা হয়। রাত সাড়ে ৯টার দিকে তিনি মারা যান।

এর আগে মঙ্গলবার রাতে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে জসিম উদ্দিন (৪০) নামের একজন পুলিশ কনস্টেবল মারা যান। জসিম উদ্দিন ওয়ারী পুলিশ বিভাগে কর্মরত ছিলেন। ওয়ারী ফাঁড়িতে দায়িত্ব পালনের সময় তিনি করোনাভাইরাসে সংক্রমিত হন।