চ্যানেল আই অনলাইন
হৃদয়ে বাংলাদেশ প্রবাসেও বাংলাদেশ

যে ১০ কারণে মেসি বার্সায় থাকতে চান না

কেনো ২০ বছরের প্রিয় ক্লাবকে ছাড়তে চাইছেন মেসি, কারণ খুঁজতে গেলে বের হবে অসংখ্য তথ্য। এসবের মধ্যে আছে আইনি ও খেলাধুলা বিষয়ক কারণও। যার গুরুত্বপূর্ণ দশটি তুলে ধরা হচ্ছে-

আইনগত কারণ
১. মেসির সঙ্গে ২০১৭ সালে বার্সার করা চুক্তিতে ছিল ২০১৯-২০ মৌসুমের পর চাইলে ক্লাব ছাড়তে পারবেন আর্জেন্টাইন মহাতারকা। যদিও তাকে বিষয়টা অবহিত করতে হবে ১০ জুনের মধ্যে। করোনার কারণে ক্লাব ছাড়ার সিদ্ধান্ত জানাতে দেরি হলেও মেসি মনে করেন তার বার্সা ছাড়ার সিদ্ধান্ত এখন পর্যন্ত আইনগতভাবে বৈধ।

বিজ্ঞাপন

২. সেই চুক্তিতেই ছিল শেষ বছরে মেসির নামে ৭০ কোটি ইউরোর রিলিজ ক্লজ কার্যকর থাকবে না।

বিজ্ঞাপন

৩. বার্সা সভাপতি জোসেপ মারিয়া বার্তেমেউ এর আগে একাধিকবার বলেছেন, চাইলেই বার্সা ছাড়তে পারবেন মেসি।

খেলাধুলাজনিত কারণ
৪. মেসি মনে করেন না বর্তমান বার্সা দলটার মাঝে জয়ের কোনো ইচ্ছা আছে। গত পাঁচ বছর ধরে বার্সার কর্মকর্তারা এমন কোনো দল গড়তে পারেননি যাতে ইউরোপসেরা হওয়া যায়।

বিজ্ঞাপন

৫. জানুয়ারিতে পছন্দের কোচ আর্নেস্টো ভালভার্দের ছাঁটাই হওয়াটা ভালো লাগেনি মেসির। তার মতে কোচ ছাঁটাইয়ের জন্য সময়টা উপযুক্ত ছিল না।

৬. বোর্ড কর্মকর্তাদের সঙ্গেও দ্বন্দ্বে জড়িয়েছেন মেসি। বেশকিছু কারণ নিয়ে তাদের সঙ্গে মতের বিরোধ জন্মেছে আর্জেন্টাইন অধিনায়কের। মেসি এবং তার স্ত্রীকে নিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে কুৎসা রটানো, খেলোয়াড়দের বেতন কেটে নেয়ার মতো বিষয়গুলোতে খেলোয়াড়দের দিকটা বাজেভাবে উপস্থাপনের জন্য বিরক্ত তিনি।

৭. ভালভার্দের চাকরি যাওয়ার কারণ হিসেবে খেলোয়াড়দের দোষ দিয়েছিলেন সাবেক স্পোর্টিং ডিরেক্টর এরিক আবিদাল। এতেও মেসি বেশ চটেছিলেন।

৮. মেসি মনে করতে শুরু করেছিলেন যে, ক্লাব তার কথা গুরুত্ব দিচ্ছে না। ভালো মানের খেলোয়াড় উঠিয়ে আনার জন্য একাডেমির দিকে নজর দেয়ার বিষয়ে যে পরামর্শ তিনি দিয়েছিলেন, আর্জেন্টাইন ফরোয়ার্ডের সে কথাগুলোও গুরুত্বের সঙ্গে নেননি ক্লাব কর্মকর্তারা।

৯. বার্সেলোনায় একটা যুগের শেষ হতে চলেছে, মেসি তাই ভাবতেন। সেজন্য নিজেরা সরে গিয়ে তরুণদের জায়গা করে দেয়া উচিৎ, জেরার্ড পিকের এমন আহ্বানে সাড়া দিয়েছেন ৩৩ বছর বয়সী মেসি।

১০. গত এবং চলতি বছরের শুরুতে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে আক্রমণের শিকার হন মেসি ও তার পরিবার। পরে একাধিক প্রতিবেদনে এর পেছনে বার্সা সভাপতির হাত আছে বলেও অভিযোগ উঠেছিল। এসব যুক্তি সত্য না মিথ্যা তা জানা না গেলেও ক্লাবের উপর মনে মনে ক্ষুব্ধ হয়ে উঠেছেন আর্জেন্টাইন মহাতারকা।