চ্যানেল আই অনলাইন
হৃদয়ে বাংলাদেশ প্রবাসেও বাংলাদেশ

যে ঘুষ দেয় সে-ও সমান অপরাধী: প্রধানমন্ত্রী

যে ঘুষ নেয় সে যেমন অপরাধী, যে ঘুষ দেয় সে-ও সমান অপরাধী বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

শনিবার প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের শাপলা হল থেকে মন্ত্রণালয়গুলোর বার্ষিক কর্মসম্পাদন চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে এ কথা বলেন তিনি।

বিজ্ঞাপন

প্রধানমন্ত্রী বলেন: দুর্নীতির কারণে যেনো কোনো কাজ ব্যাহত না হয়। দুর্নীতির কারণে যদি সব অর্জন নষ্ট হয়ে যায় তবে সেটা হবে খুব দুঃখজনক। খালি ঘুষ নিলেই না, যে ঘুষ দেবে সে-ও সমান অপরাধী।

উন্নয়ন যাতে ক্ষতিগ্রস্ত না হয় সে বিষয়টা সবাইকে দেখতে হবে। সেজন্য আপনাদের কাজ করতে হবে। একদম নিম্নস্তরে যারা কাজ করছেন তাদেরকে যথাযথ নির্দেশনা দিতে হবে। সরকারি কাজে এখন গতি বেড়েছে। আরো গতিশীলতা প্রয়োজন। লাল ফিতার দৌরাত্ম্য রাখা যাবে না।

প্রধানমন্ত্রী বলেন: সরকারি কর্মকর্তাদের আন্তরিকতার সাথে কাজ করার ফলাফল দেশ পাচ্ছে, দেশের মানুষ পাচ্ছে। শুধু নির্দিষ্ট কর্মঘণ্টা নয়, কর্মঘণ্টার বাইরেও তারা রাত-দিন পরিশ্রম করছেন। যে কারণে আমরা স্বল্পোন্নত দেশ থেকে উন্নয়নশীল দেশে উন্নীত হয়েছি। আমরা এই ধারা অব্যাহত রাখতে চাই।

বিজ্ঞাপন

বাজেটের কথা উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন: আমরা যে ৫ লাখ ২৩ হাজার ১৯০ কোটি টাকার বাজেট দিয়েছি। এটা অনেকে ভাবতেও পারেনি। তবে আমাদের এটা লক্ষ্য ছিলো অনেক আগে থেকে। আমাদের সাবেক অর্থমন্ত্রীর সাথে এ নিয়ে অনেক অলোচনা করেছি। তবে এবার আমরা পেরেছি।

আমাদের এই জায়গাটা ধরে রেখেই এগোতে হবে। বাংলাদেশ এখন অনেক দেশের কাছে শিক্ষণীয় দেশ হিসেবে গ্রহণযোগ্য।

দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা ছাড়া কখনো অভিষ্ট লক্ষ্যে পৌঁছানো যায় না উল্লেখ করে শেখ হাসিনা বলেন: উন্নয়ন শুধু শহরকেন্দ্রিক নয়, তৃণমূল থেকে হতে হবে। গ্রাম থেকে শহরে আসা বন্ধ করতে হবে। গ্রামেই মানুষের সব ধরণের সুযোগ-সুবিধা নিশ্চিত করতে হবে। ৫ হাজার ২৭৫ ডিজিটাল সেন্টার স্থাপন করে দিয়েছি। যাতে গ্রামেই বসে মানুষ সব নাগরিক সুবিধা পেতে পারে। গ্রাম থেকে শহরে এসে কাজ খুঁজতে না হয়।

গ্রামের উন্নয়নের নানা চিত্র তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী বলেন: স্বচ্ছলতা বাড়ার সাথে সাথে গ্রামে যার যেখানে জমি আছে সেখানেই দালানকোঠা বানাচ্ছে। আমরা চাচ্ছি এটা যেনো পরিকল্পিতভাবে হয়। যাতে করে জমি নষ্ট না হয় এবং ডিজিটাল সুযোগ-সুবিধার আওতায় সবাই আসতে পারে।

আসন্ন বন্যা মোকাবিলায় সব ধরণের প্রস্তুতি আছে উল্লেখ করে শেখ হাসিনা বলেন: বন্যা যেমন ক্ষতি করে তেমন আশীর্বাদ হিসেবেও আসে। কারণ আমরা দেখেছি প্রতিবার বন্যার পর আমাদের ফসল আরও বেশি ফলে। তবে বন্যা যেনো ক্ষতির কারণ না হয় সেজন্য বন্যা মোকাবিলায় আমাদের সব ধরণের প্রস্তুতি আছে।

Bellow Post-Green View