চ্যানেল আই অনলাইন
হৃদয়ে বাংলাদেশ প্রবাসেও বাংলাদেশ

যুক্তরাষ্ট্রে শনাক্তের সংখ্যা ৭০ লাখ ছাড়াল

করোনাভাইরাস

করোনাভাইরাসের (কোভিড-১৯) প্রাদুর্ভাবে যুক্তরাষ্ট্রে আক্রান্ত শনাক্তের সংখ্যা ৭০ লাখ ছাড়িয়েছে। দেশটিতে মৃত্যু হয়েছে ২ লাখ ৪ হাজার ১১৮ জন মানুষের।

এখন পর্যন্ত সেখানে ২৫ লাখ ৫০ হাজারের বেশি মানুষ চিকিৎসাধীন থাকলেও সুস্থ হয়েছে ৪২ লাখ ৫০ হাজার।

বিজ্ঞাপন

সোমবার সকাল পর্যন্ত করোনাভাইরাসের সর্বশেষ আপডেট জানিয়ে ওয়ার্ল্ডোমিটারস বলছে, বিশ্বে করোনা আক্রান্তে দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে ভারত।

দেশটিতে এখন পর্যন্ত ৫৪ লাখ ৮৫ হাজারের ওপরে মানুষ আক্রান্ত হয়েছেন। মারা গেছেন ৮৭ হাজার ৯০৯ জন। এখন পর্যন্ত চিকিৎসাধীন আছেন ১০ লাখ ৫ হাজারের ওপরে মানুষ। দেশটিতে সুস্থ হয়েছেন প্রায় ৪৪ লাখ জন।

বিশ্বে করোনা আক্রান্তের তৃতীয় স্থানে রয়েছে ল্যাটিন আমেরিকার দেশ ব্রাজিল। দেশটিতে এখন পর্যন্ত ৪৫ লাখ ৪৪ হাজারের ওপরে মানুষ আক্রান্ত হয়েছেন। মারা গেছেন ১ লাখ ৩৬ হাজার ৮৯৫ জন। এখন পর্যন্ত চিকিৎসাধীন আছেন ৫ লাখ ৫৬ হাজারের ওপরে মানুষ। দেশটিতে সুস্থ হয়েছেন ৩৮ লাখ ৫১ হাজারের ওপরে মানুষ।

বিশ্বে করোনা আক্রান্তের চতুর্থ স্থানে রয়েছে রাশিয়া। দেশটিতে এখন পর্যন্ত ১১ লাখ ৩ হাজারের ওপরে মানুষ আক্রান্ত হয়েছেন। মারা গেছেন ১৯ হাজার ৪১৮ জন। এখন পর্যন্ত চিকিৎসাধীন আছেন ১ লাখ ৭৪ হাজারের ওপরে মানুষ। দেশটিতে সুস্থ হয়েছেন ৯ লাখ ৯ হাজারের ওপরে মানুষ।

বিজ্ঞাপন

বিশ্বে করোনা আক্রান্তের পঞ্চম স্থানে রয়েছে কলম্বিয়া। দেশটিতে এখন পর্যন্ত ৭ লাখ ৬৫ হাজারের ওপরে মানুষ আক্রান্ত হয়েছেন। মারা গেছেন ২৪ হাজার ২০৮ জন। এখন পর্যন্ত চিকিৎসাধীন আছেন ১ লাখ ৭ হাজারের ওপরে মানুষ। দেশটিতে সুস্থ হয়েছেন ৬ লাখ ৩৩ হাজারের ওপরে মানুষ।

এছাড়াও মেক্সিকোতে আক্রান্ত হয়েছেন ৬ লাখ ৯৭ হাজারের ওপরে মানুষ। দেশটিতে নতুন করে আক্রান্ত হয়েছেন ৩ হাজার ৫৪২ জন। মারা গেছেন ৭৩ হাজার ৪৯৩ জন। নতুন করে মারা গেছেন ২৩৫ জন। এখন পর্যন্ত চিকিৎসাধীন আছেন ১ লাখ ২৪ হাজারের ওপরে মানুষ। দেশটিতে সুস্থ হয়েছেন প্রায় ৫ লাখ।

আজ থেকে যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কে স্কুল খুলে দেয়ার কথা থাকলেও তা স্থগিত করা হয়েছে। তবে প্রাক কিন্ডারগার্টেনের শিক্ষার্থীরা স্কুলে যেতে পারবে।

নিউ ইয়র্কের মেয়র বিল ডি গ্লাসিও বলেছেন, স্কুলগুলো নিরাপদ করে শিক্ষার্থীদের প্রস্তুত করতে আরও বেশি সময় প্রয়োজন।

অস্ট্রিয়ায় করোনাভাইরাসের সংক্রমণ বৃদ্ধি পাওয়ায় বিধিনিষেধ আরও জোরালো করা হয়েছে। এক সাথে ১০ জনের বেশি আড্ডা দেওয়া যাবে না। তাছাড়া সবার জন্য মাস্ক পরা বাধ্যতামূলক করা হয়েছে।

কানাডায় নতুন করে সংক্রমণ বৃদ্ধি পাওয়ায় মহামারি ব্যবস্থাপনায় নিয়ন্ত্রণ হারাতে পারে বলে মন্তব্য করেছেন উচ্চ পর্যায়ের এক মেডিক্যাল কর্মকর্তা।