চ্যানেল আই অনলাইন
হৃদয়ে বাংলাদেশ প্রবাসেও বাংলাদেশ

যুক্তরাষ্ট্রে ধসে পড়া ভবনে নারী-শিশুসহ নিখোঁজ ৩০, নিহত ১

লাতিন আমেরিকার বেশ কয়েকটি দেশের কর্তৃপক্ষ নিশ্চিত করেছে যে, যুক্তরাষ্ট্রের ফ্লোরিডার সারফাইডের ভবন ধসে পড়ায় তাদের অন্তত ৩০ জন নাগরিক নিখোঁজ রয়েছেন।  যারা ধসে পড়ার সময় ভবনটিতে অবস্থান করছিলেন।

লাতিন আমেরিকার বিভিন্ন দেশের কর্তৃপক্ষের বরাত দিয়ে মার্কিন গণমাধ্যম সিএনএন একটি পরিসংখ্যান দিয়েছে।

বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন

এতে দেখা যায়, প্যারাগুয়ের ফার্স্ট লেডি সিলভানা লোপেজ মোরেইরার বোন, ভগ্নিপতি এবং তাদের তিন সন্তানসহ ৬ জন, কলম্বিয়ার ৬ জন নাগরিক, ভেনিজুয়েলার ৬ জন আর্জেন্টিনার ৯ জন এবং উরুগুয়ের ৩ জন নাগরিক নিখোঁজ রয়েছেন।

এখন পর্যন্ত তাদের কোনো খোঁজ মেলেনি বলে জানিয়েছে কর্তৃপক্ষ।

বৃহস্পতিবার ধসে পড়া ভবনে ১ জন নারী নিহতের খবর দিয়েছে উদ্ধারকর্মীরা।

উদ্ধার দলের এক কর্মকর্তা জানান, ভবন ধসের পর ধ্বংস্তুপ থেকে ৩৭ জনকে টেনে তোলা হয়েছে। ১১ জনকে গুরুতর অবস্থা হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়েছে।  মোট ১০২ জনকে উদ্ধার করার খবর মিললেও আরও অনেকে নিখোঁজ রয়েছেন।

বিজ্ঞাপন

কর্তৃপক্ষ বলছেন, ১০২ জন সম্পর্কে আমরা খবর পেয়েছি। তারা নিরাপদ। কিন্তু আরও কিছু মানুষের কোনো হদিস নেই। তারা জীবিত আছে নাকি মারা গেছেন, তার কোনো নিশ্চয়তা নেই। তবে আমরা আশাবাদী। আমরা উদ্ধার তৎপরতা বন্ধ করছি না।

ভবনটিতে ঠিক কত পরিমাণ মানুষ অবস্থান করছিলেন, তার সঠিক সংখ্যা এখনো জানা যায়নি।  আর ভবনটি ধসে পড়ার কারণও এখনো জানা যায় নি।

কর্তৃপক্ষ বলছেন, তারা এখনো ‍ধসে পড়ার কারণ নিয়ে ভাবছেন না। তাদের সকল মনোযোগ নিখোঁজদের উদ্ধারে তৎপর থাকা।

চ্যামপ্লেইন টাওয়ার্স সাউদ নামের ১২ তলার ভবনটি নিয়ে গবেষণা করেছিলেন ফ্লোরিডা ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির ইনস্টিটিউট অব এনভায়রনমেন্টের একজন অধ্যাপক শিমন উডোভিনস্কি।

তিনি সিএনএনকে জানিয়েছেন, গত বছর তিনি একটি গবেষণায় দেখিয়েছিলেন চ্যামপ্লেইন টাওয়ারস সাউদ কনডো ১৯৯০ এর দশক থেকে ডেবে যাওয়ার ইঙ্গিত দিয়ে আসছে।

তার গবেষণায় দেখা গেছে, বহুতল ভবনটি ১৯৯৩ থেকে ১৯৯৯ সাল পর্যন্ত বছরে দুই মিলিমিটার করে ডেবেছে। তবে অধ্যাপক উডোভিনস্কি জানান, শুধু ডেবে যাওয়ার কারণে এভাবে ভবন ধসে যেতে পারে না, এটি একটি মাত্র প্রভাবক হতে পারে।