চ্যানেল আই অনলাইন
হৃদয়ে বাংলাদেশ প্রবাসেও বাংলাদেশ

ম্যাকডোনাল্ড বার্গারে থাকবে না কোন মাংস

বার্গারের জন্য পৃথিবীব্যাপী বিখ্যাত ফাস্ট ফুড চেইন ম্যাকডোনাল্ড এর বার্গারে থাকছে না মাংসের ব্যবহার। প্রাণীজ মাংসের বিকল্প হিসেবে উদ্ভিদজাত খাবার আনার ঘোষণা দিয়েছে তারা। 

বিবিসির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, মার্কিন ফাস্ট ফুড জায়ান্টটি ২০২১ সালে ‘ম্যাকপ্ল্যান্ট’ নামে উদ্ভিদজাত মাংসের বার্গার ও ফাস্ট ফুড বিক্রি করবে।

বিজ্ঞাপন

ম্যাকডোনাল্ড জানায়, বার্গার ছাড়াও চিকেন আইটেম এবং ব্রেকফাস্ট স্যান্ডউইচে উদ্ভিদজাত মাংস ব্যবহার করা হবে।

করোনা পরিস্থিতিতে মানুষের খাদ্যাভ্যাসে পরিবর্তন আসছে। এর মধ্যে বেশ কয়েকটি কোম্পানি বিকল্প মাংসের ব্যবহার শুরু হয়েছে। চীনেও প্রচলিত হয়েছে উদ্ভিদজাত এ খাবার।

যুক্তরাজ্যভিত্তিক বিনিয়োগকারী প্রতিষ্ঠান বার্কলেস ব্যাংকের পূর্বাভাস, ২০২৯ সালের মধ্যে বিকল্প মাংসের ব্যবহার ১৪০ বিলিয়ন ডলার পর্যন্ত পৌঁছবে।

বিজ্ঞাপন

পরিবেশ ও প্রাণী রক্ষা সেইসঙ্গে স্বাস্থ্যগত ঝুঁকির উদ্বেগ থেকে প্রথাগত মাংস থেকে সরে আসতে উদ্ভিদজাত মাংসের দিকে ঝুঁকছে ম্যাকডোনাল্ডের মতো ফাস্টফুড চেইন।

ম্যাকডোনাল্ড ইন্টারন্যাশনাল অপারেশনের প্রধান ইয়ান বরডেন বলেন, ‘আমরা সুযোগটি নিয়ে আগ্রহী কারণ আমরা বিশ্বাস করি আমাদের একটি প্রমাণিত ও সুস্বাদু পণ্য রয়েছে।’

যদিও মাংস-মুক্ত খাবারের মার্কেটে ম্যাকডোনাল্ড একটু দেরিতেই প্রবেশ করেছে।

এর মধ্যে বার্গার কিং, হোয়াইট ক্যাসল, ডানকিন ব্র্যান্ডস গ্রুপসহ আরও কোম্পানি তাদের খাদ্য পণ্যে উদ্ভিদজাত মাংসের ব্যবহার শুরু করেছে।

উদ্ভিদজাত মাংস শুনলেই বোঝা যায়, উদ্ভিদ থেকে উদ্ভূত কোনো খাবার। তবে এটি এভাবে প্রস্তুত করা হয় যা দেখতে এবং খেতে একেবারে প্রাণীজ মাংসের মতো। প্রাণীজ মাংসের মতোই এটি রান্না করা হয়।