চ্যানেল আই অনলাইন
হৃদয়ে বাংলাদেশ প্রবাসেও বাংলাদেশ

মৌসুম শেষেও রাজধানীতে ডেঙ্গুর প্রকোপ

মৌসুম শেষ হয়ে গেলেও রাজধানীতে ডেঙ্গুর প্রকোপ কমছে না। ২০০৭ ও ২০০৮ সালের পর এবারের আগস্ট ও সেপ্টেম্বরে কয়েকশ’ গুণ বেশি মানুষ ডেঙ্গু জ্বরে আক্রান্ত হয়েছেন। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, থেমে থেমে বৃষ্টি ও বেশি আর্দ্রতার কারণে এ মৌসুমে ডেঙ্গু-আক্রান্তের হার দু’হাজারের ঘর ছাড়িয়ে।

দেশে ২০০৭ সালে প্রথম বারের মতো ব্যাপকভাবে ডেঙ্গু-আক্রান্ত রোগী সনাক্ত করা হয়। মৃত্যুও হয় অনেকের। তবে রোগী সনাক্ত করা এবং চিকিৎসা সহজলভ্য করে তোলায় ডেঙ্গু নিয়ে উদ্বেগ কমে আসে। জুলাই-আগস্ট-সেপ্টেম্বরে ডেঙ্গুর প্রকোপ নিয়মিত হলেও এবার মধ্য অক্টোবর পর্যন্ত সাড়ে চারশ’ জন আক্রান্ত হয়েছে।

২০০৭ এর আগস্টে আগস্টে আক্রান্ত হয়েছিল ৬শ’ আর এবার ৭শ’ ৬৫ জন। ২০০৮ এর সেপ্টেম্বরে আক্রান্তের সংখ্যা ছিল ২শ’ ৪৬ আর এবার ৯শ’৬৫ জন। অক্টোবরেও আক্রান্ত হয়েছে ৪শ’ ২৯ জন। এ মৌসুমে মৃত্যু হয়েছে ৪ জনের।

আইইডিসিআর এর প্রধান বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা, ডা. মুহাম্মদ মুস্তাক হোসেন বলেন, ২০০৭ সাল থেকে আমরা নিয়মিতভাবে ডেঙ্গু রোগীর তথ্য সংগ্রহ করছি। তবে এবারই প্রবণতা বেশী দেখা যাচ্ছে। এবার আমাদের গ্রাফ সবচেয়ে বেশী।

রোগতত্ত্ব, রোগ নির্ণয় ও গবেষণা প্রতিষ্ঠান- আইইডিসিআর এবং স্বাস্থ্য অধিদপ্তর ডেঙ্গু পরিস্থিতি নিয়ে সম্প্রতি জরিপ করেছে। এর ভিত্তিতে প্রকৃত চিত্র বিশ্লেষণ করে আইইডিসিআর।

বিজ্ঞাপন

এ অবস্থায় স্বাস্থ্যমন্ত্রীর নেতৃতে ডেঙ্গু সচেতনতায় র‌্যালি করে ঢাকা সিটি কর্পোরেশন উত্তর।

স্বাস্থ্যমন্ত্রী মোহাম্মদ নাসিম বলেন, স্বাস্থ্য মন্ত্রালয় থেকে দেশের সকল মিডিয়ার মাধ্যমে প্রচার করা হচ্ছে কিভাবে আমরা সচেতন হতে পারি।

ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশন মেয়র আনিসুল হক বলেন, ডেঙ্গু প্রতিরোধ করার জন্য আমরা বিভিন্ন কার্যপদ্ধতি গ্রহন করি তার মধ্যে মশার ওষুধ ছিটানো অন্যতম।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ডেঙ্গু রোগী সনাক্ত করা এবং সঠিক চিকিৎসা ব্যবস্থাপনার পাশাপাশি পরিবেশগত পরিচ্ছন্নতায় জনসচেতনতা জরুরি।

শেয়ার করুন: