চ্যানেল আই অনলাইন
হৃদয়ে বাংলাদেশ প্রবাসেও বাংলাদেশ

মোটর সাইকেল দুর্ঘটনায় মৃত্যু বেড়েছে ৭১ শতাংশ: জরিপ

চলতি বছরের জানুয়ারি থেকে অক্টোবর পর্যন্ত ১০ মাসে গত বছরের তুলনায় মোটরসাইকেল দুর্ঘটনা বেড়েছে ৬৩.৬০% এবং প্রাণহানি বেড়েছে ৭১.৩৫%। গত বছর জানুয়ারি থেকে অক্টোবর পর্যন্ত দেশে ১০১১টি মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় ১০২৬ জন নিহত হয়েছিল।

রোড সেফটি ফাউন্ডেশনের জরিপে এ তথ্য পাওয়া গেছে।

রোড সেফটি ফাউন্ডেশন জানিয়েছে, দেশে মোটরসাইকেল দুর্ঘটনা মহাসড়কে বেশি ঘটছে। অধিকাংশ মোটরসাইকেল দুর্ঘটনা ঘটছে ট্রাক, কাভার্ডভ্যান, পিকআপ ও বাসের ধাক্কা, চাপা ও মুখোমুখি সংঘর্ষে। তাছাড়া মোটরসাইকেল চালকদের অধিকাংশই কিশোর-যুবক। তরুণরা বেপরোয়াভাবে মোটরসাইকেল চালিয়ে নিজেরা দুর্ঘটনায় আক্রান্ত হচ্ছে এবং অন্যদের আক্রান্ত করছে।

বিজ্ঞাপন

রোড সেফটি ফাউন্ডেশনেশনের নির্বাহী পরিচালক সাইদুর রহমান সাক্ষরিত বিবৃতিতে আরো বলা হয়েছে, বর্তমানে দেশে প্রায় ৩৫ লাখ মোটরসাইকেল চলছে। শুধু রাজধানীতেই চলছে ১২ লাখের বেশি। মানসম্মত গণপরিবহনের অভাব এবং যানজটের কারণে মোটরসাইকেলের ব্যবহার অস্বাভাবিক হারে বাড়ছে।

মোটরসাইকেল দুর্ঘটনার কারণসমূহ:

১. কিশোর-যুবকদের বেপরোয়াভাবে মোটরসাইকেল চালানো;
২. অতি উচ্চগতির মোটরসাইকেল ক্রয় এবং ব্যবহারে সহজলভ্যতা ও বাধাহীন সংস্কৃতি;
৩. ট্রাফিক আইন না জানা ও না মানার প্রবণতা;
৪. দুর্বল ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা;
৫. সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের নজরদারির শিথিলতা;
৬. বাস-ট্রাক-পিকআপ-প্রাইভেটকার-মাইক্রোবাসসহ দ্রুতগতির যানবাহনের বেপরোয়া গতি;
৭. চালকদের অদক্ষতা ও অস্থিরতা;
৮. ইজিবাইক-সিএনজি-নসিমন-ভটভটি ইত্যাদি স্বল্পগতির যানবাহন অপরিকল্পিত ও অদক্ষ হাতে চালানো;
৯. সড়ক-মহাসড়কে ডিভাইডার না থাকা;
১০. সড়ক নিরাপত্তা বিষয়ে সচেতনতামূলক প্রচারণা না থাকা;
১১. পারিবারিকভাবে সন্তানদের বেপরোয়া আচরণকে প্রশ্রয় দেয়া;
১২. দেশে দুর্বৃত্তায়িত রাজনীতির পৃষ্ঠপোষকতায় কিশোর-যুবকদের বেপরোয়া মোটরসাইকেল চালানোর সংস্কৃতি গড়ে ওঠা ইত্যাদি।

বিজ্ঞাপন