চ্যানেল আই অনলাইন
হৃদয়ে বাংলাদেশ প্রবাসেও বাংলাদেশ

মেয়েদের ইতিহাস গড়ার দিন

ক্যালেন্ডারের পাতায় ১০ জুন তারিখটা স্মরণীয় হয়ে আছে। দুই বছর আগে আজকের দিনেই স্বপ্নের সীমানা ছাড়িয়ে বাংলাদেশের মেয়েরা হাতে তুলেছিল টি-টুয়েন্টি এশিয়া কাপের ট্রফি। কুয়ালালামপুরে রুদ্ধশ্বাস ফাইনালে শেষ বলে ভারতকে ৩ উইকেটে হারিয়ে চ্যাম্পিয়ন হয়েছিল টিম টাইগ্রেস।

এত বড় সাফল্যের পরও খুব একটা ভাগ্য বদলায়নি মেয়েদের। সালমা-রুমানাদের বেতন কিছুটা বাড়লেও সুযোগ-সুবিধা থেকে গেছে অপ্রতুলই। মেয়েদের জন্য করা হয়নি আলাদা মাঠের ব্যবস্থা।

বিজ্ঞাপন

আন্তর্জাতিক সিরিজ আয়োজনও প্রত্যাশা অনুযায়ী বাড়েনি। অস্ট্রেলিয়ায় টি-টুয়েন্টি বিশ্বকাপ খেলতে যাওয়ার আগেভাগে মেয়েরা পায়নি সিরিজ খেলার সুযোগ।

বিজ্ঞাপন

২০১৮ সালের জুনে সালমা-জাহানারা-রুমানারা এশিয়ার শ্রেষ্ঠত্বের মুকুট পরার পর গেল দুই বছরে দ্বিপাক্ষিক সিরিজ খেলেছে মাত্র চারটি। সবশেষ ২০১৯ সালের অক্টোবরে পাকিস্তান সফরে তিনটি টি-টুয়েন্টি খেলেছে মেয়েরা। খেলায় লম্বা বিরতি পড়েনি টি-টুয়েন্টি বিশ্বকাপ বাছাইপর্ব, সাউথ এশিয়ান গেমস, বিশ্বকাপ থাকায়।

মেয়েদের চাওয়া একটাই, নিয়মিত ম্যাচ খেলার সুযোগ। বিশ্বকাপের পর সাবেক হওয়া বাংলাদেশ কোচ অঞ্জু জৈনও বলেছেন খেলার মধ্যে বিরতি যেন না পড়ে। আন্তর্জাতিক ও ঘরোয়া ক্রিকেট ক্যালেন্ডার তৈরির পরামর্শ তার।

মেয়েদের জন্য নতুন কোচ নিয়োগের ব্যাপারটি অনেকটাই চূড়ান্ত। অথচ এখবর নেই সালমা-রুমানার কাছে। ভিন্ন দুই সংস্করণে তারা বাংলাদেশকে নেতৃত্বে দিলেও তাদের মতামত নেয়ার প্রয়োজন মনে করছে না বিসিবি।

ছেলেদের ক্রিকেটেও ছিল এমন সংস্কৃতি। সম্প্রতি কিছুটা বদলেছে বোর্ডের মনোভাব। অধিনায়ক ছাড়াও সিনিয়র ক্রিকেটারদের মতামত নেয়া হয়, প্রয়োজনে সভায় ডাকা হয় মুশফিক-মাহমুদউল্লাহদের। নারী দলের এক অধিনায়ক আক্ষেপ করেই বললেন, কখনোই আমাদের কাছে জানতে চাওয়া হয় না, আমরা কেমন কোচ চাই।