চ্যানেল আই অনলাইন
হৃদয়ে বাংলাদেশ প্রবাসেও বাংলাদেশ

মেসি-রোনালদোর দ্বৈরথ ‘চিরস্মরণীয়’ হয়ে থাকবে

তাদের ফুটবল যাত্রার পুরোটাই মহাকাব্য। রূপকথার বহু গল্প জমিয়ে এখনও ছুটে চলেছেন দুজনে। লিওনেল মেসি ও ক্রিস্টিয়ানো রোনালদো, উচ্চতার ওপর সাফল্যের উচ্চতার ইমারত গড়ায় যেন ক্লান্তি নেই। দুজনের যাত্রাপথের একটি সময়কে বিশেষ বলছেন মেসি। বার্সেলোনা মহাতারকার বয়ান, রোনালদোর সঙ্গে তার দ্বৈরথ চিরস্মরণীয় হয়ে থাকবে।

মেসি ক্যারিয়ারের শুরু থেকেই ন্যু ক্যাম্পে খেলছেন। রোনালদো ২০০৯ সালে আসেন রিয়াল মাদ্রিদে। দুজনে চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী দু’ক্লাবে। পরে কোনোদিন একজন বিশেষ কীর্তি গড়ে বসেছেন তো অন্যদিন আরেকজন তাকে ছাড়িয়ে গেছেন ভিন্ন আলোয় জ্বলে। দুজনের এই ছাপিয়ে যাওয়ার দৌড়ে প্রভাব পড়েছে দলের সাফল্য শোকেসেও। জমে ওঠা দ্বৈরথে দুজনে একদশক ফুটবলপ্রেমীদের আগ্রহের কেন্দ্রে বুদ করে রাখেন।

বিজ্ঞাপন

মেসি বার্সাতেই আছেন। এবছর রোনালদোকে ছাড়িয়ে গেছেন ব্যালন ডি’অর সংখ্যায়। রোনালদো এখন জুভেন্টাসে। যাওয়ার আগে রিয়ালের জার্সিতে চারটি চ্যাম্পিয়ন্স লিগ, দুটি লা লিগাসহ অসংখ্য ট্রফি-সাফল্য, আর ব্যক্তিগত সাফল্যে ৪৫০ গোলের ক্লাব রেকর্ড সঙ্গী করেছেন। সময়টাতে মেসিও চারটি চ্যাম্পিয়ন্স লিগ, দশটি লা লিগাসহ বহু ট্রফি-সাফল্য নামের পাশে যোগ করেছেন, আর সিআর সেভেন মাদ্রিদে খেলাকালীন সময়ে করেছেন ৪৭২ গোল।

বিজ্ঞাপন

রোনালদো-মেসি দুজনে স্পেনে যতবার মুখোমুখি হয়েছেন, স্মৃতির ভাণ্ডার সমৃদ্ধ করেছেন আপন আলোয়। সে প্রসঙ্গ টেনেই এক সাক্ষাৎকারে আর্জেন্টাইন মহাতারকা বলেছেন, ‘রিয়ালের বিপক্ষে ম্যাচ সবসময়ই ভিন্ন কিছু। কিন্তু যখন ক্রিস্টিয়ানো সেখানে ছিলেন, তখন আরও বিশেষ হয়ে উঠত।’

‘যদিও সময়টা এখন অতীত। আমরা একটা স্মরণীয় অভিজ্ঞতার মধ্য দিয়ে গেছি। আমাদের এখন যার যার জায়গা থেকে ভবিষ্যতের দিকে তাকাতে হবে।’

‘এটা ছিল বিশেষ দ্বৈরথ, এবং এটি মানুষের মনে চিরস্মরণীয় হয়ে থাকবে। কারণ এটা অনেক বছর ধরে চলেছে, এবং এতটা লম্বা সময় ধরে সর্বোচ্চ পর্যায়ে এভাবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে যাওয়া সহজ কিছু নয়।’

‘সঙ্গে… আমরা যে দুদলে খেলছি, রিয়াল মাদ্রিদ ও বার্সা উভয়েই বিশ্বের সেরা দুটি ক্লাব। যেখানে সবসময়ই প্রত্যাশার পারদটা থাকে অনেক বেশিমাত্রায়। দুজনের মাঝের এমন ক্রীড়া দ্বৈরথের পরও ব্যক্তি পর্যায়ে আমাদের সম্পর্কটা ছিল দারুণ, এবং আমার ধারণা মানুষও এটা বেশ উপভোগ করেছে। চাই তারা মাদ্রিদ, বার্সা বা কেবল একজন ফুটবলপ্রেমীই হন না কেনো।’