চ্যানেল আই অনলাইন
হৃদয়ে বাংলাদেশ প্রবাসেও বাংলাদেশ

মৃত্যু ও শনাক্তের হার কমলো

করোনাভাইরাস

দেশে কোভিড-১৯ প্রাদুর্ভাবের ২৭৭তম দিনে মৃত্যু কমে হয়েছে ২৪ জনে। যা গতকাল ছিল ৩২। এদিন শনাক্তের হার কমে হয়েছে ১২ দশমিক ৬৭ শতাংশ, গতকাল যা ছিল ১২ দশমিক ৮৯ শতাংশ।

নমুনা পরীক্ষায় (অ্যান্টিজেন টেস্টসহ) নতুন করে শনাক্ত হয়েছেন ২ হাজার ১৫৯ জন। এসময় সুস্থ হয়েছেন ৪ হাজার ৭৭২ জন।

বিজ্ঞাপন

বুধবার দুপুরে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের অতিরিক্ত পরিচালক (প্রশাসন) অধ্যাপক ডা. নাসিমা সুলতানা সাক্ষরিত সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তর জানায়, নতুন করে ১৬ হাজার ৯৭২টি নমুনা সংগ্রহ করা হয়। পরীক্ষা করা হয়েছে ১৭ হাজার ৪২টি নমুনা। সরকারী ব্যবস্থাপনায় ২৩ লাখ ২৯ হাজার ৮১টি পরীক্ষা করা হয়, অন্যদিকে বেসরকারী ব্যবস্থাপনায় ৫ লাখ ৮২ হাজার ৫৮৩টি পরীক্ষা করা হয়েছে। এ নিয়ে দেশে মোট ২৯ লাখ ১১ হাজার ৬৬৪টি নমুনা পরীক্ষা করা হলো। নমুনা পরীক্ষার তুলনায় নতুন করে শনাক্তের হার ১২ দশমিক ৬৭ শতাংশ।

সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, নতুন নমুনা পরীক্ষায় আরও ২ হাজার ১৫৯ জনের দেহে করোনাভাইরাস শনাক্ত হয়। এ নিয়ে দেশে মোট আক্রান্ত ৪ লাখ ৮৪ হাজার ১০৪ জন। মোট পরীক্ষার বিপরীতে সংক্রমণ শনাক্তের হার ১৬ দশমিক ৬৩ শতাংশ।

নতুন করে আক্রান্তদের মধ্যে মারা গেছেন ২৪ জন। এদের মধ্যে ১৮ জন পুরুষ ও ৬ জন নারী। এ নিয়ে মোট মৃতের সংখ্যা দাঁড়াল ৬ হাজার ৯৩০ জনে। শনাক্ত বিবেচনায় মৃত্যুর হার ১.৪৩ শতাংশ।

বিজ্ঞাপন

মৃতদের মধ্যে সবাই হাসপাতালে মারা গেছেন। এখন পর্যন্ত পুরুষ ৫ হাজার ২৯৮ জন মারা গেছেন যা মোট মৃত্যুর ৭৬ দশমিক ৪৫ শতাংশ এবং ১ হাজার ৬৩২ জন নারী মৃত্যুবরণ করেছেন যা ২৩ দশমিক ৫৫ শতাংশ।

তবে এ সময়ে সুস্থ হয়েছেন আরও ৪ হাজার ৭৭২ জন। সবমিলিয়ে সুস্থ হওয়ার সংখ্যা ৪ লাখ ৫৯ হাজার ৬৬ জন। শনাক্ত বিবেচনায় সুস্থতার হার ৮৩ দশমিক ৮৬ শতাংশ।

বয়সভিত্তিক বিশ্লেষণে দেখা গেছে, নতুন করে করোনায় মৃত ২৪ জনের মধ্যে চল্লিশোর্ধ্ব ৩ জন, পঞ্চাশোর্ধ্ব ৫ জন এবং ষাটোর্ধ্ব ১৬ জন রয়েছেন।

বিভাগ অনুযায়ী, নতুন করে করোনায় মৃত ২৪ জনের মধ্যে ঢাকা বিভাগে ১৭ জন, চট্টগ্রাম বিভাগে ২ জন, খুলনা বিভাগে ২ জন, বরিশাল বিভাগে ১ জন এবং ময়মনসিংহ বিভাগে ২ জন রয়েছেন।

চীন থেকে ছড়িয়ে পড়া করোনাভাইরাসে বিশ্বের ২১৫টি দেশ ও অঞ্চলে এখন পর্যন্ত ৬ কোটি ৮৬ লাখেরও বেশি মানুষ আক্রান্ত হয়েছেন। এদের মধ্যে মারা গেছেন ১৫ লাখ ৬৫ হাজারের বেশি মানুষ। তবে সুস্থ হয়ে ঘরে ফিরেছেন ৪ কোটি ৭৫ লাখের বেশি।

করোনাভাইরাসের বিস্তার ঠেকাতে প্রথমে ২৬ মার্চ থেকে ৪ এপ্রিল পর্যন্ত সাধারণ ছুটি ঘোষণা করে সরকার। পরে বিভিন্ন মেয়াদে ছুটি বাড়িয়ে সর্বশেষ ৩০ মে পর্যন্ত সাধারণ ছুটি ছিল। দেশের ইতিহাসে দীর্ঘ এ ছুটির পর স্বাস্থ্যবিধি মেনে ৩১ মে থেকে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ছাড়া অন্য সবকিছু খুলে দেয়া হয়েছে। শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ছুটি ১৯ ডিসেম্বর পর্যন্ত বাড়ানো হয়েছে।