চ্যানেল আই অনলাইন
হৃদয়ে বাংলাদেশ প্রবাসেও বাংলাদেশ

মুহিবুল্লাহ হত্যা: আরও চারজন গ্রেপ্তার

পুলিশের ভাষ্য মতে মুহিব্বুল্লাহ হত্যায় যে ১৯ জন রোহিঙ্গা ‘সন্ত্রাসী’ সরাসরি অংশ নেয়, তাদের মধ্যে আজিজুল হকসহ চারজনকে গ্রেপ্তার করেছে আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়ন-এপিবিএন।
সেসময় তাদের কাছ থেকে আগ্নেয়াস্ত্র উদ্ধার করা হয় বলে দাবি করেছে এপিবিএন। এরই মধ্যে ঘটনার সঙ্গে নিজের সম্পৃত্ততার কথা স্বীকার করে আদালতে ১৪৪ ধারায় জবানবন্দিও দিয়েছেন আজিজুল হক।
শনিবার ভোর ৪টায় উখিয়ার কুতুপালং লাম্বাশিয়া পুলিশ ক্যাম্পের অধীন লোহার ব্রীজ এলাকা তাদের গ্রেপ্তার করা হয়। এর আগে মুহিব্বুল্লাহ হত্যার ঘটনায় ৫ জনকে আটক করা হয়েছিল। তাদের মধ্যে ইলিয়াস নামে এক রোহিঙ্গা আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দিও দিয়েছেন।
গ্রেপ্তারের বিষয়ে জানাতে শনিবার দুপুর দেড়টার দিকে প্রেস ব্রিফিংয়ের আয়োজন করেন ১৪নং আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক মো. নাইমুল হক।
তিনি বলেন, ‘‘মাস্টার মুহিবুল্লাহকে হত্যার দুই দিন আগে রাত অনুমান ১০টায় নাম্বাশিয়া মরকজ পাহাড়ে একটি মিটিং হয়। সেই মিটিং এ ঝিলিং মিশনে অংশ নেওয়া ধৃত আসামি আজিজুল হকসহ আরও ৪ জন উপস্থিত ছিলেন। তথাকথিত দুর্বৃত্তদের শীর্ষ পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ মুহিবুল্লাহকে হত্যার নির্দেশ দিয়েছে মর্মে উক্ত মিটিং এ আলোচনা হয়।’’
‘‘কারণ হিসেবে বলা হয় যে, মাস্টার মুহিবুল্লাহ রোহিঙ্গাদের বড় নেতা হয়ে উঠেছে। রোহিঙ্গাদের নিজ দেশে প্রত্যাবাসন সংক্রান্তে বিশেষ ভূমিকা পালন করায় দিনে দিনে তিনি গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিত্বে পরিণত হয়ে উঠেছেন। তাকে থামাতে হবে। পরবর্তীতে তাকে হত্যার পরিকল্পনা করা হয়।’’
নাইমুল হক জানান প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে আজিজুল হক জানিয়েছেন মুহিব্বুল্লাহ হত্যাকাণ্ডে বিভিন্ন পর্যায়ে মোট ১৯ জন রোহিঙ্গা সন্ত্রাসী অংশ নেয়।

বিজ্ঞাপন

পরে বিকালে আজিজুল হককে সিনিয়র জুডিমিয়াল ম্যাজিষ্ট্রেট জেরিন সুলতানার আদালতে হাজির করা হলে সে আদালতে ১৪৪ ধারায় জবানবন্দি দেন।

বিজ্ঞাপন