চ্যানেল আই অনলাইন
হৃদয়ে বাংলাদেশ প্রবাসেও বাংলাদেশ

মুশফিকের জরিমানা, সঙ্গে ডিমেরিট পয়েন্ট

ম্যাচ চলাকালীন মাঠে সতীর্থের গায়ে হাত তুলতে উদ্যত হওয়ার ঘটনায় জরিমানা গুনতে হল মুশফিকুর রহিমকে। পাশাপাশি তার নামের পাশে যোগ হয়েছে একটি ডিমেরিট পয়েন্টও।

মুশফিক আচরণবিধির লেভেল ১-এর ২.৬ ধারা ভঙ্গ করায় ম্যাচ ফি’র ২৫ শতাংশ জরিমানা করেছেন ম্যাচ রেফারি।

বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন

সোমবার মিরপুরে বঙ্গবন্ধু টি-টুয়েন্টি কাপের এলিমিনেটর ম্যাচে ফরচুন বরিশালের মুখোমুখি হয়েছিল বেক্সিমকো ঢাকা। বরিশালের রানতাড়ার সময় দুবার সতীর্থ নাসুম আহমেদের দিকে তেড়ে যান ঢাকার অধিনায়ক মুশফিক।

ইনিংসের ত্রয়োদশ ওভারে নাসুমের বল শর্ট মিড উইকেটে ঠেলে দ্রুত একটি রান নেন আফিফ হোসেন ধ্রুব। বোলার ও কিপার, দুজনই ছুটে যান বল ধরতে। মুশফিক আগে পৌঁছে বল ধরে হাত বাড়িয়ে নাসুমকে মারের ভঙ্গি করেন।

বিজ্ঞাপন

পরের ঘটনা ১৭তম ওভারে। বাঁহাতি পেসার শফিকুল ইসলামকে পুল করতে গিয়ে বল আকাশে তোলেন আফিফ। মুশফিক শর্ট ফাইন লেগের দিকে ছুটে গিয়ে গ্লাভসবন্দি করেন বল। শর্ট ফাইন লেগে ফিল্ডার ছিলেন নাসুম। তিনি ক্যাচ নিতে ছুটে এলেও শেষ পর্যন্ত মুশফিককেই সুযোগ দেন।

মুশফিক যেন ক্যাচটা নিতে পারেন সেজন্য বলের খুব কাছেও যাননি। তারপরও মুশফিক ক্যাচ ধরেই নাসুমের গায়ে হাত তুলতে উদ্যত হন। তাৎক্ষণিকভাবে মুখ সরিয়ে নেন নাসুম। অভিজ্ঞ খেলোয়াড়ের এমন আচরণে হতাশা প্রকাশ করে ভক্তরা। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে দেখা যায় ক্ষোভের প্রকাশ।

অনুতপ্ত হয়ে মুশফিক ক্ষমাপ্রার্থনা করেছেন মঙ্গলবার। টিমমেট নাসুম আহমেদ তো বটেই, ভক্ত-সমর্থকদের কাছেও ক্ষমা চেয়েছেন বাংলাদেশের অভিজ্ঞ ক্রিকেটার।

সকালে নাসুমের পিঠে হাত রাখা একটি ছবি ফেসবুকে পোস্ট করে মুশফিক লিখেছেন, ‘আমি আনুষ্ঠানিকভাবে আমার ভক্ত-সমর্থকদের কাছে গতকালের ঘটনার জন্য ক্ষমা চাইছি।’

‘ম্যাচ শেষেই আমি আমার সতীর্থ নাসুমের কাছে ক্ষমা চেয়েছি। দ্বিতীয়ত সৃষ্টিকর্তার কাছেও মাফ চেয়েছি। একজন মানুষ হিসেবে এমন আচরণ করা মোটেও উচিত হয়নি। আমি প্রতিজ্ঞা করছি ভবিষ্যতে মাঠ ও মাঠের বাইরে এমন ঘটনার পুনরাবৃত্তি ঘটবে না।’