চ্যানেল আই অনলাইন
হৃদয়ে বাংলাদেশ প্রবাসেও বাংলাদেশ

মুমিনুলের চোখে কোন সেঞ্চুরিটা এগিয়ে?

চট্টগ্রাম থেকে: প্রথম ইনিংসে ১৭৬, দ্বিতীয় ইনিংসে ১০৫। দুটো দুই প্রেক্ষাপটে। একটা ম্যাচের ভিত্তি গড়ে দিয়েছে, আরেকটা হার বাঁচিয়েছে। তবে গুরুত্বের বিচারে দ্বিতীয় শতককেই এগিয়ে রাখলেন মুমিনুল হক।

‘আমি দ্বিতীয় ইনিংসেরটা এগিয়ে রাখব। কারণ ওটা ম্যাচ বাঁচানো ইনিংস ছিল।’ ম্যাচ শেষে সংবাদ সম্মেলনে মুমিনুলের সার্টিফিকেট।

চট্টগ্রাম টেস্টের পঞ্চমদিন বাংলাদেশের জন্য ছিল ম্যাচ বাঁচানোর লড়াই। প্রথম ইনিংসের ১৭৬ রানে কীর্তি মিলিয়ে যেতে পারত যদি রোববার লিটনকে নিয়ে শক্ত প্রতিরোধটা মুমিনুল না গড়তে পারতেন। তাই ম্যাচ বাঁচাতে পারাকেই বড় অর্জন হিসেবে দেখছেন টেস্টের উভয় ইনিংসে সেঞ্চুরির কীর্তি গড়া প্রথম বাংলাদেশি তারকা।

তিন নম্বর পজিশনের বিশেষজ্ঞ ব্যাটসম্যান মুমিনুলের ‍দিকে তাকিয়ে ছিল পুরো বাংলাদেশই। লঙ্কানদের চেয়ে ২০০ রান পিছিয়ে থেকে ব্যাটিং শুরু করে ৮১ রানে তিন উইকেট হারানোর চাপ জয় সহজ ছিল না। চাপ নিয়েই পঞ্চমদিন লিটনকে সঙ্গী করে নেমেছিলেন জহুর আহমেদের ২২ গজে। জুটি বিচ্ছিন্ন হয়েছে চা-বিরতির খানিক আগে। ততক্ষণে অবশ্য ম্যাচের ভাগ্যে ড্র লেখা শুধুই ঘোষণার অপেক্ষায় ছিল।

বিজ্ঞাপন

ব্যাটিংয়ের সময় মাথায় কী কাজ করছিল মুমিনুলের? ‘আপনি যদি চিন্তা করেন পুরো দিনটা খেলবেন, তাহলে কিন্তু কঠিন। আমি আর লিটন যেটা করছিলাম; সেশন বাই সেশন, এক ঘণ্টা, এক ঘণ্টা করে প্ল্যান করেছি।’

মূর্তিকারিগর

১৭৬ রানের ইনিংস খেলার পর ১৯৯.৩ ওভার ফিল্ডিং, তারপর আবার ব্যাট হাতে নিয়ে ১০৫ রানের ইনিংস। ম্যাচের পাঁচদিন অসম্ভব খাটুনির পরও ম্যাচ শেষে সংবাদ সম্মেলনে হাসিমুখেই ধরা দিলেন মুমিনুল। সাবেক কোচ হাথুরুসিংহে যেভাবে উপেক্ষা করে টেস্ট দলেই ‘বাতিল’ বলে দিয়েছিলেন, সেই হাথুরুর দলের বিপক্ষে এমন কীর্তি নিশ্চয় মুমিনুলকে অন্যভাবে ছুঁয়ে যাচ্ছে।

শেয়ার করুন: