চ্যানেল আই অনলাইন
হৃদয়ে বাংলাদেশ প্রবাসেও বাংলাদেশ

মন ছুঁয়েছে নাঈম-আফ্রির ‘চিরকুট’

এফএস নাঈম ও সেলিনা আফ্রি অভিনীত ‘চিরকুট’ নামের একটি স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র প্রকাশ পেয়েছে গতকাল (বৃহস্পতিবার)। ভালোবাসা দিবস উপলক্ষে প্রকাশ হওয়া ‘চিরকুট’ শিরোনামের এই স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্রটি দেখে দর্শকদের মন ছুঁয়ে গেছে।

গতানুগতিক স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্রের ভিড়ে এ কাজটি দর্শকদের হৃদয় নাড়া দিয়েছে বলে কেউ কেউ মন্তব্য করেছেন। ‘চিরকুট’ নির্মাণ করেছেন নবীন নির্মাতা অলক হাসান। গল্প নির্বাচন, শিল্পীদের কাছ থেকে উপযুক্ত অভিনয় আদায় করে নেওয়া, ক্যামেরার কারসাজী এককথায় তার নির্মাণ পরিণত।

বিজ্ঞাপন

চিরকুট দেখে বোঝার উপায় নেই তিনি কাঁচা হাতে এটি নির্মাণ করেছেন। তাছাড়া গল্পের সাথে মানিয়ে লোকেশন নির্বাচনেও ছিল নির্মাতার কৃতিত্ব। এফএস নাঈমও দারুণ অভিনয় করেছেন। আফ্রি তার গ্লামারর্সের খোলস থেকে বেরিয়ে পরিণত অভিনয় করেছেন। ‘আমার একলা আকাশ থমকে গেছে’ যে গানটি ব্যবহার করে সেটি গল্পের সঙ্গে উপযুক্ত। সবকিছু মিলিয়ে চিরকুট সত্যি মন ছুঁয়ে গেছে।

গল্পে দেখা গেছে, আফ্রি শহরের কোন এক এলাকায় একটি বাড়িয়ে ভাড়া থাকেন। একটি প্রতিষ্ঠানে চাকরী করে। অফিসের কাজে তিনি বেশ সিরিয়াস। সে বাড়ির বারান্দা, ছাদ সবখানেই তিনি অবসরে সময় কাটান। অফিস শেষ করে যখন ঘরে ফেরেন তখন নতুন নতুন চিরকুট পেয়ে চমকে যান। আড়াল থেকে নাঈম এগুলো তাকে পাঠান, ভুলেও টের পান না।

একদিন অফিস যাওয়ার পর পিছন থেকে আফ্রিকে ডেকে বড় করে চমক দেন আফ্রি। এরপর কথা বলতে বলতে কফি পানের দাওয়াত দেন নাঈম। সেখান থেকে ধীরে ধীরে তাদের মেলামেশা বাড়তে থাকে। আসতে আসতে মনে মনে নাঈমকে জায়গা দিতে শুরু করেন আফ্রি। ঠিক তখনই নাঈম লাপাত্তা। দিন যায়, সপ্তাহ যায় নাঈমের আর দেখা পান না আফ্রি। হঠাৎ একদিন চিরকুট পেয়ে খুশিতে আত্মহারা হন আফ্রি। কিন্তু তিনি সেখান থেকে যে খবরটি পান, সেটির জন্য প্রস্তুত ছিলেন না। এরপরের গল্পটা অন্যরকম।

‘চিরকুট’ পুরো স্বল্পদৈর্ঘ্য দেখে নিন