চ্যানেল আই অনলাইন
হৃদয়ে বাংলাদেশ প্রবাসেও বাংলাদেশ

মুজিববর্ষে সূর্যসন্তানদের উপহার

বীরশ্রেষ্ঠ ও বীরউত্তম ছাড়া সব বীর মুক্তিযোদ্ধাদের ভাতা ১২ হাজার টাকা থেকে বাড়িয়ে ২০ হাজার টাকা করা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। এটিকে মুজিববর্ষে প্রধানমন্ত্রীর ‘উপহার’ বলছে সরকার।

মুক্তিযোদ্ধাদের সম্মানী ভাতা ইলেক্ট্রনিক পদ্ধতিতে দেওয়ার কার্যক্রমের উদ্বোধন অনুষ্ঠানে ভাতা বাড়ানোর সিদ্ধান্তের কথা জানান প্রধানমন্ত্রী।

বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন

বর্তমানে দেশে ২ লাখ ৫ হাজার ১ শত ৯৮ জন বীর মুক্তিযোদ্ধা বা তাঁদের পরিবার বর্তমানে ভাতা পাচ্ছেন। সম্মানি ও অন্যান্য আর্থিক সুবিধা বাবদ গত ৫ বছরে প্রায় ১৭ হাজার কোটি টাকা ব্যয় করা হয়েছে বলে জানা গেছে মন্ত্রণালয় সূত্রে। মাসিক সম্মানি ভাতার পাশাপাশি ২টি উৎসব ভাতা, জীবিত বীর মুক্তিযোদ্ধাদের জন্য বিজয় দিবস ভাতা ও সকলের জন্য বৈশাখী ভাতাও চালু করা হয়েছে।

বিজ্ঞাপন

পিএমও এবং সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় সূত্র জানায়, যুদ্ধাহত, খেতাবপ্রাপ্ত ও শহিদ পরিবারবর্গের মাসিক সম্মানী ভাতার পরিমাণ পুনঃনির্ধারণ করা হয়েছে। ৬ হাজার ১৭৪ জন যুদ্ধাহত বীর মুক্তিযোদ্ধাকে পঙ্গুত্বের ধরণ ভেদে ২৫ হাজার টাকা থেকে ৪৫ হাজার টাকা মাসিক সম্মানি প্রদান করা হচ্ছে। এছাড়া, ৫ হাজার ৮১৬ শহিদ পরিবারকে মাসিক ৩০ হাজার টাকা, মৃত যুদ্ধাহত পরিবারকে মাসিক ২৫ হাজার টাকা, ৭ বীরশ্রেষ্ঠ শহিদ পরিবারকে মাসিক ৩৫ হাজার টাকা, বীর উত্তম খেতাবধারীগণ মাসিক ২৫ হাজার টাকা, বীর বিক্রম খেতাবধারীগণ মাসিক ২০ হাজার টাকা এবং বীর প্রতীক খেতাবধারীগণ মাসিক ১৫ হাজার টাকা হারে ভাতা পাচ্ছেন। যা বিভিন্নসময় বেড়েছে।

মহান মুক্তিযুদ্ধে দেশের সূর্যসন্তানদের যে অবদান, তার ঋণ টাকার অঙ্কে কখনই শোধ হবে না। তারপরেও এই ভাতার মাধ্যমে জাতির ঋণ শোধের চেষ্টা ইতিবাচক। ভাতার অর্থ সরাসরি মুক্তিযোদ্ধা ও তাদের পরিবারের মনোনীত জনের মোবাইল ফোনে চলে যাবার পদ্ধতি ভোগান্তি কমাবে বলে আমাদের ধারণা।

সাম্প্রতিক সময়ে মুক্তিযোদ্ধাদের তালিকা যাচাইবাছাই নিয়ে নানা ঘটনার অবতারণা হয়েছে, ভাতা বাড়ানোর মতো পদক্ষেপের পাশাপাশি তালিকা সংশ্লিষ্ট বিষয়েও সরকারের নজর দেয়া জরুরি। মুক্তিযোদ্ধাদের অবদানেই আমাদের আজকের স্বাধীনতা। কাজের তাদের প্রতি সর্বোচ্চ সম্মান প্রদর্শন করা আমাদের একান্ত দায়িত্ব।

বিজ্ঞাপন