চ্যানেল আই অনলাইন
হৃদয়ে বাংলাদেশ প্রবাসেও বাংলাদেশ

মুক্তির উৎসবে জঙ্গি ও সন্ত্রাসমুক্ত দেশ গড়ার অঙ্গীকার

নাচ, গানসহ নানা আয়োজনে স্বাধীনতার ৪৪ বছরে হলো মুক্তির উৎসব। মুক্তিযোদ্ধা, শহীদ পরিবারের সদস্য, শিল্পী-সাহিত্যিকদের সঙ্গে স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থীরা রঙিন করে তুলে আয়োজন।

অনুষ্ঠা‌নে বিশিষ্টজনেরা বলেন, মুক্তিযুদ্ধের শক্তিতে দেশের উন্নয়ন ধরে রাখার পাশাপাশি জঙ্গি ও সন্ত্রাসমুক্ত দেশ গড়তে হবে।

স্বাধীনতার ৪৪ বছরে মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘরের আয়োজনে হয় মুক্তির উৎসব।

পূর্বসূরীদের মতো মুক্তির গান শোনান শহীদ মুক্তিযোদ্ধা পরিবারের স্বজনেরা। রাজধানী ও এর বাইরের স্কুল কলেজের শিক্ষার্থীরাও যোগ দেয় তাদের সঙ্গে।

Advertisement

শিশু কিশোরদের মাঝে এসে বক্তারা ফিরে গেলেন শৈশবে। শিশুসুলভ উচ্ছ্বাসে তাদের আহবান নতুন বাংলাদেশ গড়ার।

উৎসবে শিক্ষাবিদ ড. মুহাম্মদ জাফর ইকবাল ঢাকার বিভিন্ন জায়গা থেকে আসা শিশুদের  বলেন, বাংলাদেশ স্বাধীন হওয়ার আগেও পাকিস্তান ক্রিকেট দল খেলতো।পাকিস্তান দলে পূর্ব পাকিস্তানের কোনো খেলোয়াড় নেয়া হত না। কিন্তু বাংলার মানুষও ক্রিকেট খেলতে পারে। এভাবে তিনি শিক্ষার্থীদের অনুপ্রাণিত করেন।

সেখানে মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রী আ.ক.ম. মোজাম্মেল হক বলেন, মুক্তিযোদ্ধারা তাদের দায়িত্ত্ব পালন করেছে দেশকে স্বাধীন করে দিয়ে। এখন এই প্রজন্মের যারা আছে তাদের অস্ত্র নিয়ে যুদ্ধ করতে হবে না। কিন্তু জঙ্গিবাদ আর গণতন্ত্রের হত্যাকারীদের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়িয়ে মুক্তিযুদ্ধের চেতনাকে ধারণ করতে হবে।

অর্থনৈতিক-সামাজিক মুক্তির পথে এগিয়ে চলা বাংলাদেশকে আরো সামনে নিয়ে যাওয়ার আহবানও জানান মন্ত্রী।

শিশু কন্ঠে কন্ঠ মিলিয়ে গান কিংবা নাচের তালে উৎসবকে আরও রঙিন করতে গুণীশিল্পীরাও এসেছিলেন ‘মুক্তির উৎসব’ এ। তাদের মধ্যে অন্যতম ছিলেন ফেরদৌস আরা, চ্যানেল আই সেরা কন্ঠের শিল্পী কোনাল।