চ্যানেল আই অনলাইন
হৃদয়ে বাংলাদেশ প্রবাসেও বাংলাদেশ

মিশা-জায়েদের পদত্যাগ ছাড়া কোনো আলোচনা নয়: চলচ্চিত্র পরিবার

শিল্পী সমিতির সভাপতি-সাধারণ সম্পাদক মিশা সওদাগর-জায়েদ খানের পদত্যাগ না করা পর্যন্ত কোনো প্রকার আলোচলায় বসেব না চলচ্চিত্র পরিবার। বুধবার দুপুরে এফডিসিতে চলচ্চিত্র পরিবারের আওতায় থাকা সবগুলো সংগঠনের নেতারা এ সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।

চলচ্চিত্র পরিবারের অন্যতম সদস্য ও প্রযোজক সমিতির সাধারণ সম্পাদক শামসুল আলম চ্যানেল আই অনলাইনকে তাদের মিটিং শেষে এ সিদ্ধান্তের কথা জানিয়ে বলেন, আগে আমাদের সিদ্ধান্ত ছিল মিশা-জায়েদে নিষিদ্ধ, তাদের সঙ্গে আমরা কাজ করব না। আজ সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে যতদিন তারা দুজন পদত্যাগ না করবে তাদের সঙ্গে কোনো আলোচনায় বসবো না।

বিজ্ঞাপন

এ প্রযোজক নেতা বলেন, শিল্পী সমিতি থেকে মিশা-জায়েদ যে ১৮৪ জনের শিল্পীর সদস্যপদ বাতিল করেছে চলচ্চিত্র পরিবার ওইসব শিল্পীদের সঙ্গে একাত্মতা প্রকাশ করেছে। তারা মানববন্ধন করে মিশা-জায়েদের পদত্যাগ চেয়েছেন, আমরাও সদস্যপদ হারানোদের দাবির সাথে একমত হয়েছি।

বিজ্ঞাপন

তাই মিশা-জায়েদের পদত্যাগ না করা পর্যন্ত চলচ্চিত্র পরিবার কোনোভাবেই আলোচনায় বসবে না বলে জানান প্রযোজক সমিতির সাধারণ সম্পাদক শামসুল আলম। তিনি জানান, বুধবার মিটিংয়ে সিদ্ধান্তে একমত পোষণ করেছেন চলচ্চিত্র পরিবারের অন্যসব সংগঠনের নেতারাও।।

তিনি বলেন, আমাদের অভিযোগ মিশা-জায়েদ দুজন ব্যক্তির বিরুদ্ধে। চলচ্চিত্র পরিবার থেকে তাদের নিষিদ্ধ আগের মতো আদেশ বহাল আছে। একইসঙ্গে আমরা তাদের দুজন (সভাপতি-সাধারণ সম্পাদক) পদত্যাগ চাই। তারা পদত্যাগ করলেই এর সমাধান হবে। আমরা শিল্পী সমিতির বিরুদ্ধে নই। সমিতির প্রতি আমরা শ্রদ্ধাশীল।

চলচ্চিত্র পরিবারের আরেক সদস্য ও পরিচালক সমিতির সভাপতি মুশফিকুর রহমান গুলজার বলেন, আমাদের অভিযোগ শিল্পী সমিতির বিরুদ্ধে নয়, অভিযোগ দুজন ব্যক্তিকে (মিশা-জায়েদ) নিয়ে। তাদের বিরুদ্ধে অভিযোগের সত্যতা আমাদের কাছে আছে। তারা অনিয়ম করেছেন, দুর্নীতি, স্বেচ্ছাচারিতা, ক্ষমতার দাপট দেখিয়েছেন, চলচ্চিত্রকে ব্যক্তি স্বার্থে ব্যবহার করেছেন। তাই অভিযুক্ত দুজন ব্যক্তিকে সরে যাওয়া উচিত। তারা সরে গেলেই সমস্যার সমাধান হয়ে যাবে।

এর আগে ১৫ জুলাই চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির সাধারণ সম্পাদক হয়েও চলচ্চিত্রের উন্নয়নে কাজ করেনি, বরং ব্যক্তি স্বার্থে চলচ্চিত্রকে ব্যবহার করেছেন জায়েদ খান। তার বিভিন্ন কর্মকাণ্ডে ক্ষুব্ধ হয়ে চলচ্চিত্রের ১৮ সংগঠন মিলে জায়েদ খানকে ‘নিষিদ্ধ’ করার সিদ্ধান্ত নেয়। তাকে মদদ দেয়ার জন্য মিশাকেও নিষিদ্ধ করা হয়।