চ্যানেল আই অনলাইন
হৃদয়ে বাংলাদেশ প্রবাসেও বাংলাদেশ

মিলার-ডু প্লেসিসের সেঞ্চুরিতে সিরিজ সাউথ আফ্রিকার

শন মার্শ পথেই রেখেছিলেন অস্ট্রেলিয়াকে। তার এক সেঞ্চুরির কাছে মার খেতে বসেছিল ফ্যাফ ডু প্লেসিস ও ডেভিড মিলারের জোড়া শতক। শেষপর্যন্ত অবশ্য সেটা না হওয়ায় স্বস্তির নিশ্বাস ফেলেছে সাউথ আফ্রিকা। জয় থেকে ৪০ রান দূর অজিদের আশার নৌকা ডুবিয়ে ম্যাচের সঙ্গে সিরিজও নিজেদের করে নিয়েছে প্রোটিয়ারা।

হোবার্টে সাউথ আফ্রিকার দেয়া ৩২০ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে নির্ধারিত ওভার শেষে এক উইকেট হাতে রেখে ২৮০ রানে থেমেছে স্বাগতিক অস্ট্রেলিয়া। তাতে তিন ম্যাচের সিরিজ ২-১এ জিতে নিয়েছে সফরকারীরা।

রোববার টস জিতে ফিল্ডিং করার সিদ্ধান্তটা ভালোই নিয়েছিলেন অজি অধিনায়ক অ্যারন ফিঞ্চ। ২৬ রানে প্রতিপক্ষের দুই ওপেনারকে সাজঘরের পথ দেখিয়ে দেন অজি পেসাররা। ১৬ ওভারে আরেক ব্যাটসম্যান এইডেন মার্করাম ফিরলে ঝটপট ইনিংস মেরামতে হাত দেন অধিনায়ক ডু প্লেসিস ও মিলার। প্রোটিয়াদের সংগ্রহ তখন ৩ উইকেটে ৫৫ রান।

Advertisement

শুরুতে আস্তে আস্তে ইনিংস মেরামত করেন দুজনে। পরে ক্রিজে সেট হয়ে যাওয়ায় খুলেছেন হাত। শেষে যেই এসেছেন বোলিংয়ে, তাকেই বেধড়ক পিটিয়েছেন দুজনে। সবচেয়ে বেশি মার খেয়েছেন মার্কাস স্টোয়নিস। ৭ ওভার বল করে এ অলরাউন্ডার খরচ করেছেন ৭০ রান।

সবচেয়ে বিধ্বংসী ছিলেন মিলার। ১০৮ বলে খেলেছেন ১৩৯ রানের ক্যারিয়ারসেরা ইনিংস। ১৩ চারের সঙ্গে ছয়ের মার ছিল ৪টি। অধিনায়ক প্লেসিসও কম যাননি। ১১৪ বলে খেলেছেন ১২৫ রানের ঝলমলে ইনিংস। যাতে ১৫ চারের সঙ্গে ছক্কা হাঁকিয়েছেন ২টি। দুজনের ২৫২ রানের জুটিতে ভর করে তিনশো পেরনো সংগ্রহ পায় প্রোটিয়ারা।

জবাবে শন মার্শের ১০৬ রানে ভর করে লড়াইটা ভালোই করছিল স্বাগতিকরা। ১০২ বলে ৭ চারের সঙ্গে ৪ ছক্কা খেলা ইনিংস শেষে মার্শ ফিরলে লড়াই চালিয়ে যান স্টোয়নিস ও উইকেটরক্ষক অ্যালেক্স কেরে। স্টোয়নিস ৬৩ ও কেরে ৪২ রানের ফেরার পর হার ত্বরান্বিত হয় স্বাগতিকদের।