চ্যানেল আই অনলাইন
হৃদয়ে বাংলাদেশ প্রবাসেও বাংলাদেশ

মিরপুর ক্লাবের ১০ বছরের পরিকল্পনা প্রকাশ

মিরপুর ক্লাবের ‘১০ বছরের পরিকল্পনা বেনসিটি থেকে বেন-ইকোনমি’ চূড়ান্ত ধাপ গুলশানের হোটেল ট্রপিকাল ডেইজিতে অনুষ্ঠিত হয়েছে শুক্রবার।

ক্লাবের প্রেসিডেন্ট এস এম মাহাবুব আলম ক্লাবের ভবিষ্যত পরিকল্পনার বিভিন্ন দিক ও বেনসিটির ধারণা উপস্থিত সদস্যদের মাঝে তুলে ধরেন।

বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন

মিরপুর প্রফেশনালস এন্ড এন্টারপ্রেনারস ক্লাব একটি পেশাজীবী এবং উদ্যোক্তাদের সংগঠন। সংগঠনটি সামাজিক দায়বদ্ধতা থেকে কাজ করছে। এটি একটি স্কলারদের সংগঠন। এতে আছে বিভিন্ন পর্যায়ের প্রতিষ্ঠিত উদ্যোক্তা, বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য, আইসিটি বিশেষজ্ঞ, ডাক্তার, ইঞ্জিনিয়ার, প্রফেসর, কনসালটেন্ট, গ্রুপ অব কম্পানিজের সিইও, ব্যাংকার, সিএফও, ঊর্ধ্বতন সামরিক কর্মকর্তা, বিভিন্ন পর্যায়ের সরকারী ও বেসরকারী কর্মকর্তা।

এছাড়াও একটি উপদেষ্টা পরিষদ আছে যেখানে সমাজের গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ রয়েছেন। মিরপুর ক্লাব সামাজিক কর্মকাণ্ডের পাশাপাশি সুস্থ বিনোদন চর্চা, সাংস্কৃতিক চর্চা, খেলাধুলার আয়োজন এবং বিজ্ঞান চর্চা করছে। এছাড়াও ক্লাবের সদস্যদের জন্য বিভিন্ন কমিউনিটি সার্ভিস দিয়ে যাচ্ছে।

বিজ্ঞাপন

মেধাবী ভালো মানুষদের জড়ো করে মেধা, বুদ্ধি, নেটওয়ার্ক আর অভিজ্ঞতার সম্মিলন ঘটিয়ে বড় কিছু করা যেতে পারে। মিরপুর ক্লাবের যাত্রা শুরুই হয়েছে এই ধারণাকে কেন্দ্র করে। প্রশ্ন হলো, কত বড়, আর কী কী করা যেতে পারে? উত্তরটি নিহিত আছে একটি সংখ্যার উপর, কতগুলো ডেডিকেটেড মানুষ আছে তার উপর।

মিরপুর প্রফেশনালস এন্ড এন্টারপ্রেনারস ক্লাবের প্রতিষ্ঠিত কমিউনিটির নাম বেনটেনকে (BEN10K)। ভালো মানুষ তার নিজের শক্তি সম্পর্কেই জানে না। মিরপুর ক্লাব এই শক্তিকে বের করবে। মানুষের সমাজে বসবাসের মূল কারণ নেটওয়ার্ক। কোন সমাজ কতটা উন্নত সেটা নির্ভর করে সেখানে থাকা মানুষগুলোর নেটওয়ার্ক কত মাত্রায় শক্তিশালী, তাদের নেটওয়ার্ক তৈরি করার উদ্দেশ্য আর নেটওয়ার্ক তৈরির উপাদানের উপর।

মিরপুর ক্লাবের “বেনটেনকে” আসলে কাঙ্খিত সমাজের সুবিধা প্রাপ্তি নিশ্চিত করতে নির্মিত এক নতুন সমাজ (Community)। দশ হাজার করিৎকর্মা ভালো মানুষের নেটওয়ার্ক বেনটেনকে, যার সম্পূর্ণ নির্মাণের সময় ধরা হয়েছে দশ বছর। আগামী পাঁচ বছরে মূল কাঠামো তৈরি হবে। বেনটেনকে কমিউনিটি ধারণার মূলে আছে মানুষ এবং পরিবার। তাই পুরো বেনটেনকে কমিউনিটি নির্মিত হবে মানুষে মানুষে শক্তিশালী নেটওয়ার্কের মাধ্যমে। আর তাই পরিবার কেন্দ্রিক এই মানুষগুলোর পারিবারিক নেটওয়ার্কও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তারই পরিকল্পনার চূড়ান্ত ধাপ পেশ করা হলো আজ।

মিরপুর ক্লাব আশা করছে, আগামী ২০৩১ সালের ১৬ ডিসেম্বর হবে ক্লাবের স্বপ্নের ঠিকানা বেনসিটিতে বেনটেনকের অভিষেকের দিন। স্বপ্নের শহর বেনসিটি বাস্তবায়ন করতে হলে বেন-ইকনোমী একমাত্র পথ। আজ থেকে দশ বছর পর ক্লাবের দশ হাজার সদস্যের সকলেরই অর্থনৈতিক কাঠামো চালিত হতে হবে বেনটেনকে এবং বেনসিটি’কে কেন্দ্র করে। বেন-ইকনোমী নিশ্চিত করবে সম্পদের পূর্ণ ব্যবহার এবং সর্বনিম্ন খরচে সর্বোচ্চ জীবনমান।

জ্ঞানভিত্তিক সমাজ বিনির্মাণে পরিকাঠামোর কেন্দ্রে থাকবে গবেষণা এবং শিক্ষা, যার বাহন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান মানে বিশ্ববিদ্যালয় এবং গবেষণাগার। উদ্যোক্তা বিশ্ববিদ্যালয়কে ঘিরে মিরপুর ক্লাব এই পরিকাঠামো গড়ে তুলতে চায়। স্বল্প আয়ুর মানব জীবনে তাদের উদ্দেশ্য ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য বিশ্ব দরবারে কাঁধে কাধ মিলিয়ে চলতে পারার মতো কিছু করে যাওয়া।

বিজ্ঞাপন