চ্যানেল আই অনলাইন
হৃদয়ে বাংলাদেশ প্রবাসেও বাংলাদেশ

মিন্নির জামিন আবেদন হাইকোর্টের আরেক বেঞ্চে

বরগুনার আলোচিত রিফাত শরীফ হত্যা মামলায় আসামি স্ত্রী আয়েশা সিদ্দিকা মিন্নির করা জামিন আবেদন হাইকোর্টের আরেকটি বেঞ্চে দাখিল করা হয়েছে।

রোববার বিচারপতি এম ইনায়েতুর রহিম ও বিচারপতি মো. মোস্তাফিজুর রহমানের হাইকোর্ট বেঞ্চে মিন্নির জামিন আবেদনটি দাখিল করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন মিন্নির আইনজীবী জেড আইন খান পান্না।

বিজ্ঞাপন

এই আইনজীবী আরো বলেন: আজকে আমরা জামিন আবেদনটি সাবমিট করেছি। আগামীকালকে সম্ভবত লিস্ট (কার্যতালিকায়) আসবে। লিস্টে আসলে শুনানি হবে।

এর আগে বিচারপতি শেখ মো: জাকির হোসেন ও বিচারপতি মো: মোস্তাফিজুর রহমানের অবকাশকালীন হাইকোর্ট বেঞ্চ থেকে গত ৮ আগস্ট মিন্নির জামিন আবেদন ফেরত নেন মিন্নির আইনজীবী। ওইদিন হাইকোর্ট বেঞ্চ মিন্নিকে জামিন না দিয়ে জামিন প্রশ্নে রুল জারি করতে চেয়ে বলেন: জামিন দিতে হলে আগে এ মামলার ১৬৪ ধারায় দেওয়া জবানবন্দি দেখতে হবে। তাই আমরা শুধু রুল জারি করতে পারি।

তখন মিন্নির আইনজীবী জেড আই খান পান্না মিন্নির জন্য জামিন প্রার্থনা করলে আদালত বলেন: আমরা এখন রুল দিতে পারি অন্যথায় আপনারা আবেদনটি ‘টেক ব্যাক’ করতে পারেন। তখন মিন্নির আইনজীবী জেড আই খান পান্না বলেন: ওকে, আমরা জামিন আবেদনটি (ফেরত নিচ্ছি) ‘টেক ব্যাক’ করছি।

বিজ্ঞাপন

ওইদিন হাইকোর্টে মিন্নির পক্ষে শুনানি করেন আইনজীবী জেড আই খান পান্না ও ব্যারিস্টার মাহবুব উদ্দিন খোকন। আর রাষ্ট্রপক্ষে শুনানি করেন অতিরিক্ত অ্যাটর্নি জেনারেল মমতাজ উদ্দিন ফকির।

গত ৪ আগস্ট এই মামলায় হাইকোর্টে জামিন আবেদন করেন মিন্নি। এর আগে গত ৩০ জুলাই বরগুনা জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক মো. আছাদুজ্জামান মিন্নির জামিন নামঞ্জুর করে আদেশ দেন। তার আগে গত ২১ জুলাই বরগুনার জ্যেষ্ঠ বিচারিক হাকিম মো. সিরাজুল ইসলাম গাজীর আদালত মিন্নির জামিনের আবেদন নামঞ্জুর করেন।

গত ২৬ জুন সকাল সাড়ে ১০টার দিকে বরগুনা সরকারি কলেজের সামনে রিফাত শরীফকে প্রকাশ্যে কুপিয়ে হত্যা করা হয়। যার ভিডিও অনলাইনে ভাইরাল হলে সাড়া দেশে ব্যাপক তোলপাড় শুরু হয়। এ ঘটনায় রিফাতের বাবা আবদুল হালিম শরীফ বাদী হয়ে ১২ জনের নাম উল্লেখ করে মামলা করেন। তাতে প্রধান সাক্ষী করা হয় রিফাত শরীফের স্ত্রী আয়েশাকে। কিন্তু আয়েশার শ্বশুর মামলার ১৮ দিন পর গত ১৩ জুলাই এই হত্যাকাণ্ডে আয়েশা জড়িত এমন দাবি করে সংবাদ সম্মেলন করার পর মামলাটির তদন্ত নাটকীয় মোড় নেয়।

পরবর্তীতে এ মামলায় গ্রেপ্তার করা হয় মিন্নিকে। আর এই মামলায় এখন পর্যন্ত ১৫ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এদের সবাই আদালতে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দী দিয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

অন্যদিকে গত ২ জুলাই এই মামলার প্রধান আসামি সাব্বির আহম্মেদ ওরফে নয়ন বন্ড পুলিশের সঙ্গে ‘বন্দুকযুদ্ধে’ নিহত হয়।

Bellow Post-Green View