চ্যানেল আই অনলাইন
হৃদয়ে বাংলাদেশ প্রবাসেও বাংলাদেশ

মাহমুদউল্লাহরা ভেঙেছেন, মচকাননি

পচেফস্ট্রমে প্রথম টেস্টের সমাধিতে চোখ রাখলে জ্বল জ্বল করতে দেখা যাবে ৯০ রানে অলআউটের সঙ্গে ৩৩৩ রানে হারের ফলক। তবে চাইলেও আর অতীতটা বদলানো যাবে না। এখন যা করার, ভবিষ্যতটা অতীতের থেকে আলাদা করে নির্মাণের। সেজন্য অপেক্ষায় ব্লুমফন্টেইন টেস্ট। বড় হারের ধাক্কা সামলে কতটা পারবে বাংলাদেশ? মাহমুদউল্লাহ অবশ্য জানালেন, দলের আত্মবিশ্বাস অটুট থাকার কথাই।

দ্বিতীয় টেস্টের ভেন্যু ব্লুমফন্টেইন রওনা দেওয়ার আগে সংবাদ মাধ্যমের মুখোমুখি হয়েছিলেন মাহমুদউল্লাহ। সেখানেই প্রথম টেস্টের ব্যর্থতা, হতাশা ঝেরে সামনে তাকানোর প্রত্যয়ের কথা জানালেন মিডলঅর্ডারের অভিজ্ঞ ব্যাটসম্যান।

‘ব্যাটিং নিয়ে অবশ্যই হতাশা আছে। ভাল একটা উইকেটে ব্যাটিংটা চাওয়া মত করতে পারিনি আমরা। স্কিলের ব্যবহার করতে পারিনি। ভুল ছিল অনেকগুলো। এরপরও আমরা আত্মবিশ্বাসী। পরের টেস্টে উইকেট যেমনই থাকুক, ভাল ব্যাটিং করে আমরা সিরিজে ফিরে আসব।’



ফিরে আসার সামর্থ্যটা ভালোভাবেই আছে বাংলাদেশের। সেটা কেবল মাঠের পারফরম্যান্সে রূপান্তরের প্রয়োজনীয়তা বাড়ছে দিনদিন। ব্যাটসম্যানরা না হয় ঘুরে দাঁড়ালেন। কিন্তু এই অনভিজ্ঞ ধারহীন বোলিং লাইনআপ?

বিজ্ঞাপন

মাহমুদউল্লাহ অবশ্য তাসকিন-মোস্তাফিজদের আগলেই রাখছেন, ‘বোলাররাও ঘুরে দাঁড়াবে। আত্মবিশ্বাসটা আছে। পচেফস্ট্রমে স্পিনটা আরেকটু ভাল হওয়া উচিত ছিল। আসলে ব্যাটিং, বোলিং, ফিল্ডিং সব বিভাগেই আমাদের কাজ করতে হবে।’

এমন হারের পরেও আত্মবিশ্বাসের এই স্ফুরণ কোথায় পান মাহমুদউল্লাহরা? বিশ্বাসটা নাকি ভেতর থেকেই আসে, ‘শেষ ইনিংসে হয়ত ভাল খেলিনি। তবে আত্মবিশ্বাস থাকেই। ছোট ইনিংসগুলো বড় হলে প্রথম ইনিংস অন্যরকমই হত। এখন এসব ভাবার চেয়ে পরের টেস্টে অন্যরকম করতে পারাটাই আসল।’

সেটা করতে পারার টোটকা আত্মস্থ করা শুরু হয়ে গেছে প্রথম টেস্টের পর থেকেই। কয়েকদফা টিম মিটিং হয়েছে, ক্রিকেটাররা নিজেদের মাঝেও কথা বলেছেন। ভুলগুলো নিয়ে আলোচনা করেছেন। এখন নিজেদের সামর্থ্যটা পারফরম্যান্সে টানতে দৃঢ়প্রত্যয়ী তারা।

বিজ্ঞাপন