চ্যানেল আই অনলাইন
হৃদয়ে বাংলাদেশ প্রবাসেও বাংলাদেশ

মাশরাফির জন্য, মাশরাফিকে ফেরাতে এতকিছু

টি-টুয়েন্টি ক্রিকেট থেকে মাশরাফি বিন মর্তুজার হঠাৎ অবসরের সিদ্ধান্ত মেনে নিতে পারছেন না টাইগারপ্রেমীরা। ক্রিকেট বোর্ড তাকে চাপ প্রয়োগ করে সরিয়ে দিয়েছে, এমন অভিযোগ ভক্তদের। তারা শঙ্কা প্রকাশ করছেন এভাবেই হঠাৎ করে ওয়ানডে থেকেও ম্যাশকে সরিয়ে দেয়া হবে। শঙ্কার মাঝেই অবসর সিদ্ধান্ত খতিয়ে দেখার দাবিতে মিরপুরে জমায়েত হয়েছিল মাশরাফি-ভক্তরা। শুক্রবার ‘মাশরাফি ভাইয়ের অবসর মানি না মানব না’ স্লোগানে মুখরিত করে তুলেছিল হোম অব ক্রিকেটের প্রধান ফটকের সামনের জায়গাটুকু।

ওয়ানডে ও টি-টুয়েন্টি সিরিজ খেলতে শ্রীলঙ্কা যাওয়ার আগে মাশরাফি বলেছিলেন, ‘টি-টুয়েন্টিতে বাংলাদেশকে শক্তিশালী একটি দল উপহার দিয়েই অবসর নেবেন। কিন্তু বাস্তবে সেটি হয়নি।’

বিজ্ঞাপন

সেই কথা উল্লেখ করে সোহাগ নামের এক তরুণ ম্যাশ-ভক্ত চ্যানেল আই অনলাইনকে বললেন, ‘মাশরাফি ভাই চেয়েছিলেন দলকে শক্তিশালী করেই টি-টুয়েন্টি ছাড়বেন। হঠাৎ করেন কী এমন হল অবসরের সিদ্ধান্ত নিলেন। সংবাদমাধ্যমে আমরা জেনেছি অবসরের সিদ্ধান্ত প্রথম টি-টুয়েন্টির আগের মিটিংয়ে হয়েছিল এবং ওই রাতে উনি ঘুমাতে পারেননি। আমরা চাই অবসরের এই সিদ্ধান্ত কেন নিলেন সেটি খতিয়ে দেখা হোক।’

পল্টন থেকে মিরপুরে এসে মানববন্ধনে যোগ দেয়া মারুফ বলেন, ‘মাশরাফি শুধু ক্রিকেট দলের ক্যাপ্টেন না। তিনি দেশের ১৬ কোটি মানুষের ক্যাপ্টেন। একজন মানুষ, যিনি সবার অনুপ্রেরণা। উনি ক্যাপ্টেন্সি না করলে ভেঙ্গে পড়বে বাংলাদেশ টিমের একাত্মতা! উনি যে ‘টিম বাংলাদেশ’ হিসেবে দলটাকে গড়েছেন, সেটি থাকবে না। দলের মাঝে কোন্দল তৈরি হবে! সেটি বাংলাদেশের ক্রিকেটের জন্য ভালো হবে না।’

বিজ্ঞাপন

সবুজ হাসান বলেন, ‘এর আগেও মাশরাফি ভাইয়ের ওপর অনেক অবিচার হয়েছে। ফিট থাকার পরও তাকে ২০১১ সালের বিশ্বকাপে খেলতে দেয়া হয়নি। ঘরের মাঠে প্রথম বিশ্বকাপে খেলতে না পেরে কেঁদেছিলেন মাশরাফি। সেই কথা আমরা ভুলিনি। এই মহানায়কের সঙ্গে আর কোন অবিচার হলে আমরা মানব না।’

মানববন্ধন শুরু হয় শুক্রবার সকাল ১০টায়। স্টেডিয়ামের প্রধান ফটকের সামনে দেড় ঘণ্টা অবস্থানের পর প্রশাসনের অনুরোধে মিছিল করে চলে যায় ম্যাশ-ভক্তরা।

মাশরাফি-ভক্তদের মানববন্ধন দেখুন নিচের ভিডিওতে: