চ্যানেল আই অনলাইন
হৃদয়ে বাংলাদেশ প্রবাসেও বাংলাদেশ

স্বাধীনতার সুফল মানুষের দোরগোড়ায় পৌঁছে দেয়াই সরকারের মূল লক্ষ্য: প্রধানমন্ত্রী

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, স্বাধীনতার সুফল যেনো মানুষের দোরগোড়ায় পৌঁছাতে পারি এটাই আমাদের লক্ষ্য।  একটা সময় বাংলাদেশকে দুর্ভিক্ষের দেশ, ঘূর্ণিঝড়ের দেশ বলতো। কিন্তু আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় আসার পর আর্থসামাজিক উন্নতিতে অবদান রেখে চলেছে। 

সোমবার বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে ১৩ ব্যক্তি ও একটি প্রতিষ্ঠানকে স্বাধীনতা পুরস্কার প্রদান অনুষ্ঠানে এ কথা বলেন প্রধানমন্ত্রী।

বিজ্ঞাপন

প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন,  উন্নত দেশ হিসেবে বিশ্বে বাংলাদেশের একটা মর্জাদার অবস্থানের লক্ষ্যে আমরা কাজ করছি। আমরা এ অর্থ বছরে এখন প্রবৃদ্ধি ৮ এর ঘরে নিয়ে যেতে পেরেছি  এবং মাথাপিছু আয় ১ হাজার ৯০৯ মার্কিন ডলার অর্জন করতে যাচ্ছি।

বিজ্ঞাপন

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দেশের ১৩ বিশিষ্ট ব্যক্তি ও একটি প্রতিষ্ঠানকে নিজ নিজ ক্ষেত্রে গৌরবময় এবং অসামান্য অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ তাদের হাতে স্বাধীনতা পুরস্কার-২০১৯ তুলে দেন।

পদকপ্রাপ্ত ব্যক্তিরা হলেন- স্বাধীনতা ও মুক্তিযুদ্ধে শহীদ বুদ্ধিজীবী মোফাজ্জ্বল হায়দার চৌধুরী (মরণোত্তর), শহীদ এটিএম জাফর আলম (মরণোত্তর), একেএম মোজাম্মেল হক, ইঞ্জি. মোশাররফ হোসেন, ড. কাজী মিসবাহুন নাহার, আবদুল খালেক (মরণোত্তর) ও অধ্যাপক মোহাম্মাদ খালেদ (মরণোত্তর), শওকত আলী খান (মরণোত্তর), সংস্কৃতিতে মুর্তজা বশীর, সাহিত্যে হাসান আজিজুল হক, চিকিৎসা বিজ্ঞানে ব্রিগেডিয়ার জেনারেল নুরুন্নাহার ফাতেমা বেগম, সমাজসেবায় ড. কাজী খলীকুজ্জমান আহমেদ, গবেষণা ও প্রশিক্ষণে অধ্যাপক ড. হাসিনা খান।

আর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিতে অসামান্য অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব অ্যাগ্রিকালচারকে (বিআইএনএ) পুরস্কৃত করা হয়।

প্রধানমন্ত্রী এ সময় মানব কল্যাণে যারা অবদান রাখে তাদের খুঁজে বের করতে হবে বলে জানান। এছাড়া ২৫ মার্চকে গণহত্যা দিবস হিসেবে যেনো আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি দেয়া হয়, তার প্রচেষ্টা করতে সবার প্রতি আহ্বান জানান।