চ্যানেল আই অনলাইন
হৃদয়ে বাংলাদেশ প্রবাসেও বাংলাদেশ

মানবাধিকার সংগঠনগুলোর সমালোচনায় প্রধানমন্ত্রী

আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংগঠনগুলোর ‘দ্বৈতনীতি’র কড়া সমালোচনা করে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, যারা ঈদের দিনে সাদ্দাম হোসেনকে ফাঁসি দেয়, তারাই মানবতাবিরোধী অপরাধীদের মৃত্যুদণ্ড কার্যকরনা করতে বলে। গণভবনে সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময়ে তিনি একে মানবাধিকার লংঘনকারীদের মানবাধিকার রক্ষার ‘জটিল ফিলোসফি’ বলে মন্তব্য করেন।

তিনি বলেন, সাদ্দাম হোসেনসহ আন্তর্জাতিক নেতাদের যখন বিচার ও সাজা হয়েছে, তখন আন্তর্জাতিক মানবাধিবার সংগঠনগুলো চুপ থাকলেও বাংলাদেশে যুদ্ধাপরাধীদের বিচার নিয়ে বক্তৃতা-বিবৃতি দিচ্ছে।

মানবাধিকার সংগঠনগুলোর সমালোচনা করে তিনি বলেন, ‘মানবাধিবার সংগঠন ধোঁকাবাজি করা সংগঠন। যখন দেশের মানুষদের পুড়িয়ে মারা হয়, তখন তাদের মানবাধিকার লঙ্ঘন হয় না, কিন্তু যখন ওই অপরাধীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হয়, তখন নাকি মানবাধিকার লঙ্ঘন হয়। আসলে এসব সংগঠনগুলোর অভ্যাস হল বাংলাদেশে কোন ঘটনা ঘটলে লাফ দিয়ে পড়া।’

Advertisement

বিএনপি ও জামায়াতের তিন মাস ধরে চলা হরতাল ও অবরোধ সর্ম্পকে শেখ হাসিনা বলেন, আন্দোলন দেশের মানুষের জন্য, মানুষকে পুড়িয়ে হত্যা করা কোনো আন্দোলন হতে পারে না। তাই মানুষ আন্দোলন বর্জন করেছে। আমরা ধ্বংসাত্মক আন্দোলনের পরিস্থিতি থেকে উত্তরণ ঘটাতে সক্ষম হয়েছি।

শেখ হাসিনা বলেন, দেশ আজ খাদ্যে স্বংয়সর্ম্পূণ। বর্তমান সরকার কৃষির উপর জোর দিয়েছে। ‘ঋণের ব্যবস্থা করেছি কৃষকদের জন্য। আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহারে কৃষিতে বিপ্লব ঘটছে। কিন্তু বিএনপির আমলে কৃষকরা খুব দরিদ্র অবস্থায় থাকত। কারণ তখন ভিক্ষুকের সর্দার ক্ষমতায় ছিল। বিদেশ থেকে সাহায্য আনার জন্য কৃষিকে অন্ধকারে রেখেছিল। আমরা এখন মাথা উচু করে গর্বের সঙ্গে বলতে পারি, আমরা বিদেশ থেকে সাহায্য নেই না; বরং আমরা এখন চাল রপ্তানি করছি।

প্রধানমন্ত্রী আবারো দেশবাসীকে নতুন বছরের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন। তিনি জানান, বর্ষবরণ উৎসবে যাতে কোনো অপ্রীতিকর ঘটনা না ঘটে, প্রত্যেক নাগরিকের নিরাপত্তার  সেই  বিষয়টি তিনি নিজে তদারকি করেছেন।