চ্যানেল আই অনলাইন
হৃদয়ে বাংলাদেশ প্রবাসেও বাংলাদেশ

দেশের প্রয়োজনে সর্বোচ্চ ত্যাগ স্বীকারে সেনা প্রধানের আহ্বান

সেনাবাহিনীর ইউনিট সমূহ গুলোকে দেশ মাতৃকার যেকোন প্রয়োজনে সর্বোচ্চ ত্যাগ প্রস্তুত থাকার নির্দেশ দিয়েছেন সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল আজিজ আহমেদ। তিনি বলেন: কর্মদক্ষতা, কঠোর পরিশ্রম ও কর্তব্য নিষ্ঠার স্বীকৃতি স্বরূপ প্রাপ্ত পতাকার মর্যাদা রক্ষা সকলকে প্রস্তুত থাকতে হবে। 

নবগঠিত রামু সেনানিবাসে বাহিনীর ৪টি ইউনিটের পতাকা উত্তোলন অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। এর মধ্যদিয়ে, ১০ পদাতিক ডিভিশন রামু সেনানিবাস পূর্ণাঙ্গ সেনানিবাস হিসেবে প্রতিষ্ঠার পথে আরেক ধাপ এগিয়ে গেলো।

বিজ্ঞাপন

সেনা প্রধান তার বক্তব্যে বলেন: বাংলাদেশ সেনাবাহিনী দেশের সার্বভৌমত্ব রক্ষার পাশাপাশি প্রাকৃতিক ও মানব সৃষ্ট দুর্যোগ মোকাবেলাসহ দেশের আর্থসামাজিক এবং অবকাঠামোগত উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখে চলেছে। এছাড়াও উপস্থিত সেনা সদস্যদের উর্ধ্বতন নেতৃত্বের প্রতি আস্থা, পারস্পারিক বিশ্বাস, সহমর্মিতা, ভ্রাতৃত্ববোধ বজায় রেখে প্রশিক্ষণের মাধ্যমে সুশৃংখল, দক্ষ ও যোগ্য সেনা সদস্য হিসেবে গড়ে উঠার নির্দেশ প্রধান করেন।

তিনি আরও বলেন: সেই সাথে পেশাদারিত্বের ঈস্পিতমান অর্জনের মাধ্যমে অভ্যন্তরীণ ও বাহ্যিক যেকোন হুমকি মোকাবেলায় সদা প্রস্তুত থাকার নির্দেশ প্রদান করেন।

বিজ্ঞাপন

জেনারেল আজিজ আহমেদ তার দিক নির্দেশনামূলক বক্তব্যের শুরুতে শ্রদ্ধার সাথে স্মরণ করেন জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে যার একক নেতৃত্বে সুচিত হয়েছিল আমাদের মহান স্বাধীনতার সংগ্রাম। একই সাথে তিনি স্মরণ করেন ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধের আত্মসকল বীর মুক্তিযোদ্ধাদের।

সবশেষে সেনাবাহিনী প্রধান পতাকা উত্তোলন উপলক্ষ্যে একটি সুশৃংখল, মনোজ্ঞ ও বর্ণিল কুচকাওয়াজ প্রদর্শনীর জন্য সংশ্লিষ্ট সকলকে ধন্যবাদ জানান।

বাহিনীর পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে: আজকের অনুষ্ঠানের মধ্যদিয়ে সেনাবাহিনী উন্নয়ন রূপকল্প পোর্সেস গোল ২০৩০ এর বাস্তবায়নের পথে আরেকটি মাইলফলক সংযোজিত হলো।  এই ১০ পদাতিক ডিভিশন সকল প্রশিক্ষণ ও প্রশাসনিক কর্মকাণ্ডের পাশাপাশি জোরপূর্বক বাস্তুচ্যুত মায়ানমার নাগরিকদের নিরাপত্তা এবং ত্রাণ বিতরণে নিরলস ভাবে কাজ করছে।

অনুষ্ঠানে উর্ধ্বতন সেনা কর্মকর্তাগণ ও বিভিন্ন পদবীর সেনাসদস্যগণ উপস্থিত ছিলেন।