চ্যানেল আই অনলাইন
হৃদয়ে বাংলাদেশ প্রবাসেও বাংলাদেশ
Partex Group

মাকে দেখতে যাওয়া হলো না, সড়কে স্ত্রী-সন্তানসহ চিকিৎসকের মৃত্যু

বিজ্ঞাপন

রাজধানীর বারডেম হাসপাতালের চিকিৎসক ডা. বাসুদেব সাহা ব্যক্তিগত গাড়িতে করে স্ত্রী, ছেলেকে সঙ্গে নিয়ে অসুস্থ মাকে দেখতে বাড়ি যাচ্ছিলেন। কিন্তু এক ভয়াবহ দুর্ঘটনা তাদরে জীবন কেড়ে নিয়ে যায়। শুধু বেঁচে আছেন পরিবারের একমাত্র কন্যা। তিনি শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজের শিক্ষার্থী।

শনিবার সকাল ১১টার দিকে গোপালগঞ্জের কাশিয়ানী উপজেলার দক্ষিণ ফুকরা এলাকায় বাস ও প্রাইভেট কারের সংঘর্ষে এখন পর্যন্ত মোট আট জন নিহতের খবর পাওয়া গেছে। এদের মধ্যে দুর্ঘটনায় নিহত একই পরিবারের তিনজন রয়েছেন। তারা হলেন: ঢাকা বারডেম হাসপাতালের চিকিৎসক ও গোপালগঞ্জ শহরের বটতলা এলাকার প্রফুল্ল কুমার সাহার ছেলে বাসুদেব কুমার সাহা (৫২), তার স্ত্রী শিবানী সাহা (৪৮) ও ছেলে আহ্‌ছানউল্লা বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী স্বপ্নিল সাহা (১৯)। চিকিৎসক বাসুদেব সাহার ব্যক্তিগত গাড়ির চালক আজিজুর ইসলামও (৪৪) নিহত হয়েছেন।

pap-punno

জানা যায়, ডা. বাসুদেব সাহা অসুস্থ মাকে দেখতে স্ত্রী-সন্তান নিয়ে গাড়িতে করে বাড়ি যাচ্ছিলেন । কিন্তু বাড়িতে যাবার আধা ঘণ্টা আগেই বাসের সঙ্গে প্রাইভেট কারের সংঘর্ষ তাদের মৃত্যু হয়।

Bkash May Banner

ডাক্তার প্রতিদিন নামের একটি প্রতিবেদনে বলা হয়, বিএসএমএমইউ’র সহযোগী অধ্যাপক ডা. আহসান হাবিব জানান, বাসুদেব সাহা পেশায় চিকিৎসক। চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজের ৩১তম ব‍্যাচের ছাত্র ছিলেন তিনি। এনেসথেসিয়া বিভাগে কাজ করতেন বারডেম হাসপাতালে।

ডাক্তার প্রতিদিনের প্রতিবেদনে জানানো হয়, ভাঙ্গা হাইওয়ে থানার উপপরিদর্শক (এসআই) সিরাজুল ইসলাম বলেন, রাজিব পরিবহনের যাত্রীবাহী একটি বাস গোপালগঞ্জের কাশিয়ানী উপজেলার দক্ষিণ ফুকরা এলাকায় পৌঁছালে ঢাকা থেকে ছেড়ে আসা ব্যক্তিগত গাড়ি ও কাশিয়ানী থেকে ছেড়ে আসা মোটরসাইকেলের ত্রিমুখী সংঘর্ষ হয়। মর্মান্তিক এই দুর্ঘটনায় একই পরিবারের তিনজন, ধানমাড়াইরত স্বামী-স্ত্রীসহ আটজন নিহত হন। এ ঘটনায় আরও ৩০ জন আহত হয়।

প্রতিবেদনে বলা হয়, নিহত বাকি চারজন হলেন- কাশিয়ানী উপজেলার ফুকরা ইউনিয়নের দক্ষিণ ফুকরা গ্রামের পেয়ার আলী মোল্লার ছেলে ফিরোজ মোল্লা (৪৮), তার স্ত্রী রুমা বেগম (৪০), একই গ্রামের জিন্দার ফকিরের ছেলে অনীক বাবু (২৮) ও অনীকের নববিবাহিত স্ত্রী ইয়াসমিন আক্তার (১৯)। ফিরোজ ও রুমা সড়কে ধানমাড়াইয়ের কাজ করছিলেন। অনীক ও ইয়াসমিন মোটরসাইকেলে কাশিয়ানী থেকে বাড়িতে ফিরছিলেন।

বিজ্ঞাপন

Bellow Post-Green View
Bkash May offer