চ্যানেল আই অনলাইন
হৃদয়ে বাংলাদেশ প্রবাসেও বাংলাদেশ

মহাসড়কে ১৮ ঘণ্টার ভোগান্তি

তৃতীয় দিনের ঈদযাত্রায় ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কের গাজীপুরের চন্দ্রা থেকে বঙ্গবন্ধু সেতু পর্যন্ত ৭০ কি.মি. অংশের বিভিন্নস্থানে দেখা দিয়েছে তীব্র যানজট।

ভোগান্তির শিকার যাত্রী এবং পরিবহন চালকদের অভিযোগ, যানজটের কারণে এই অংশ পাড়ি দিতেই সময় লাগছে ১৮ ঘণ্টা! কর্তৃপক্ষের গাফিলতিতেই প্রতি বছর মানুষের ভোগান্তি মাত্রা আরও বাড়ছে।

তবে কর্তৃপক্ষ বলছে, অতিরিক্ত যানবাহনের চাপ, ভারী বর্ষণ ও দুর্ঘটনায় মহাসড়কে গাড়ি বিকল, এলেঙ্গা থেকে বঙ্গবন্ধু সেতু পর্যন্ত সিঙ্গেল লাইন ও বঙ্গবন্ধু সেতুতে কয়েক দফা টোল আদায় বন্ধ এবং সিরাজগঞ্জ অংশে সরু ব্রীজ ও সড়কে খানাখন্দ থাকায় গাড়ির স্বাভাবিক গতি ব্যহত হওয়ায় এ যানজটের সৃষ্টি।

যাত্রী ও পরিবহন চালকরা জানান, শনিবার ভোররাত থেকেই টাঙ্গাইলের মির্জাপুর থেকে বঙ্গবন্ধু সেতু পর্যন্ত ৫০ কি.মি এলাকার বিভিন্নস্থানে তীব্র যানজট হয়। এ অংশ পাড়ি দিতেই তাদের সময় লাগছে ১৮ ঘণ্টা! বেলা বাড়ার সাথে সাথে যানজট আরও তীব্র আকার ধারণ করে।

বিজ্ঞাপন

সিরাজগঞ্জ অংশে খানাখন্দ থাকায় ধীরগতিতে চলছে গাড়ি। এতে থেমে থেমে যানজটের সৃষ্টি হচ্ছে। ওই অংশের গাড়ির সারি সেতুর পূর্বপ্রান্তের টোল প্লাজা অতিক্রম করে যাওয়ায় টোল আদায় বন্ধ রাখছে কর্তৃপক্ষ। গত রাত থেকে আজ দুপুর ২টা পর্যন্ত বঙ্গবন্ধু সেতুতে ৭ বার দীর্ঘ সময় ধরে টোল প্লাজা বন্ধ রাখে তারা। এসময় তীব্র  যানজটের প্রতিবাদে সকাল থেকে যাত্রীরা ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া জানান।

এর ফলে সেতু পূর্ব এলাকায় গাড়ির চাপে ভয়াবহ যানজটের সৃষ্টি হয়। চরম ভোগান্তিতে পড়তে হচ্ছে তাদের। সবচেয়ে বেশি দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে নারী ও শিশুদের। প্রচণ্ড গরমে ঘণ্টার পর ঘণ্টা এই গরমের মধ্যে গাড়িতে বসে থেকে অনেক শিশু ও নারী যাত্রী অসুস্থ হয়ে পরেছে।

টাঙ্গাইল জেলা প্রশাসক মো. শহিদুল ইসলাম ও পুলিশ সঞ্জিত কুমার রায় জানান, টাঙ্গাইল জেলা পুলিশ ও প্রশাসনের সকল কর্মকর্তারাই মাঠে থেকে ঘরে ফেরা মানুষদের ভোগান্তি লাগবের জন্য চেষ্টা করে যাচ্ছেন।

শেয়ার করুন: