চ্যানেল আই অনলাইন
হৃদয়ে বাংলাদেশ প্রবাসেও বাংলাদেশ

মরগানের হাতে কেকেআরের দায়িত্ব ছাড়লেন কার্তিক

মুম্বাই ইন্ডিয়ান্সের বিপক্ষে রেকর্ডটা বেশ নাজুক কলকাতা নাইট রাইডার্সের। শুক্রবার তাদের বিপক্ষে নামার আগে কলকাতাকে আরও নড়বড়ে করে দিলেন দীনেশ কার্তিক। হঠাৎ করেই দলের নেতৃত্ব থেকে সরে দাঁড়িয়েছেন ডানহাতি উইকেটরক্ষক-ব্যাটসম্যান। নতুন অধিনায়ক করা হয়েছে ইয়ন মরগানকে।

২০১৮ সালে ৭.৪ কোটি রুপিতে কার্তিককে কিনে অধিনায়ক বানায় কলকাতা। গৌতম গম্ভীরের জায়গায় নেতৃত্ব পেয়ে ওই আসরে দলকে তৃতীয় বানান কার্তিক। পরের আসরে খুব একটা সুবিধা করতে পারেননি, কেকেআর শেষ করে পঞ্চম স্থানে থেকে।

বিজ্ঞাপন

কার্তিকের নেতৃত্বে এবারের কলকাতার অবস্থা মোটামুটি, ৪ জয় আর ৩ হারে টেবিলের চার নম্বরে আছে। নিজের ব্যাটিং খুব একটা সুবিধাজনক অবস্থানে নেই তার, ৭ ম্যাচে করেছেন মাত্র ১০৮ রান। স্ট্রাইকরেট বেশ ভালো, ১৩৬! নিজের ব্যাটিংকে আরও ভালো করতেই সরে দাঁড়িয়েছেন কার্তিক, এমন মনে করেন কলকাতার প্রধান নির্বাহী ভেঙ্কি মায়সোর।

বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন

ভারতের গণমাধ্যমগুলোর যদিও দাবি, চাপের মুখে সরে দাঁড়াতে বাধ্য হয়েছেন কার্তিক। দলে মরগানের মতো একজন বিশ্বকাপজয়ী অধিনায়ক থাকার পরও কেনো কার্তিককে অধিনায়কত্ব দেয়া হয়েছে, তা নিয়ে ক্রমাগত প্রশ্ন উঠতে থাকায় ব্যাটিংয়ের অজুহাতে নেতৃত্ব ছেড়ে দিতে বাধ্য হলেন তিনি। আসরের মাঝামাঝিতে আইপিএলের নেতৃত্ব বদলের রেকর্ড সেটাই সমর্থন করে।

২০১৮ সালে দিল্লির অধিনায়কত্ব থেকে ছেঁটে ফেলা হয়েছিল কলকাতাকে দুবার চ্যাম্পিয়ন বানানো গৌতম গম্ভীরকে। তার জায়গায় দিল্লির অধিনায়ক করা হয়েছিল শ্রেয়াস আয়ারকে। গম্ভীরকে পরে আর দলেই রাখা হয়নি। ভারতের বিশ্বকাপজয়ী দলের এ সদস্য ক্রিকেট থেকে অবসর নেন তখন।

২০১৭ সালে আইপিএল শুরু হওয়ার মাত্র একমাস আগে মহেন্দ্র সিংহ ধোনিকে সরিয়ে রাইজিং পুনে সুপারজায়ান্টসের অধিনায়ক করা হয়েছিল অস্ট্রেলিয়ার স্টিভেন স্মিথকে।

এদিকে মরগান এবছরেই আবার কলকাতায় ফিরেছেন। ২০১০ সালে খেলেছিলেন রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স বেঙ্গালুরুতে। ২০১১ থেকে ২০১৩ খেলেছিলেন কলকাতায়। ২০১৪ সালে আইপিএল খেলেননি। ২০১৫ এবং ২০১৬ সালে খেলেছিলেন সানরাইজার্স হায়দরাবাদের হয়ে। ২০১৭ এবং ২০১৮ সালে খেলেছিলেন কিংস ইলেভেন পাঞ্জাবের জার্সিতে। ২০১৯ সালে ফের আইপিএল খেলেননি। আর আইপিএলে অধিনায়কত্ব করবেন এই প্রথমবার।