চ্যানেল আই অনলাইন
হৃদয়ে বাংলাদেশ প্রবাসেও বাংলাদেশ

ব্যারিস্টার মইনুলকে ঢাকায় এনে কেন চিকিৎসা নয়: হাইকোর্ট

সাবেক তত্ত্বাবধায়ক সরকারের উপদেষ্টা ব্যারিস্টার মইনুল হোসেনকে রংপুরের কারাগার থেকে ঢাকায় এনে যথাযথ হাসপাতালে কেন চিকিৎসার নির্দেশ দেওয়া হবে না, তা জানতে চেয়ে রুল জারি করেছেন হাইকোর্ট।

মইনুল হোসেনের স্ত্রীর করা রিটের পরিপ্রেক্ষিতে রোববার বিচারপতি সৈয়দ রেফাত আহমেদ ও বিচারপতি মো. ইকবাল কবীরের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ এ রুল জারি করেন।

বিজ্ঞাপন

আদালতে মইনুল হোসেনের পক্ষে ছিলেন আইনজীবী খন্দকার মাহবুব হোসেন, আবদুর রহিম ও মাসুদ রানা। আর রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল কাজী জিনাত হক।

এর আগে রংপুর আদালত প্রাঙ্গণে মইনুল হোসেনের ওপর হামলার ঘটনায় তার নিরাপত্তা নিশ্চিতে নিষ্ক্রিয়তাকে চ্যালেঞ্জ করে এবং নিজ খরচে বিশেষায়িত হাসপাতালে চিকিৎসার নির্দেশনা চেয়ে তার স্ত্রী দু’টি রিট করেন।

এরপর গত ৮ নভেম্বর সে রিটের শুনানির জন্য উঠলে হাইকোর্ট মইনুল হোসেনের স্বাস্থ্যগত অবস্থার বিষয়টি রোববারের মধ্যে হাইকোর্টকে জানাতে বলেন। সেই সঙ্গে রংপুর কারাগার থেকে মইনুল হোসেনকে অন্য কোনো জেলায় স্থানান্তরের ক্ষেত্রে যথাযথ নিরাপত্তা দিতে নির্দেশ দেন হাইকোর্ট। সেই ধারাবাহিকতায় হাইকোর্টে মইনুল হোসেনের স্বাস্থ্যগত অবস্থার প্রতিবেদন আজ দাখিল করা হয়। এরপর আদালত রুল জারি করেন।

বিজ্ঞাপন

গত ১৬ অক্টোবর মধ্যরাতে একাত্তর টেলিভিশনের নিয়মিত আয়োজন ‘একাত্তর জার্নাল’-এ রাজনৈতিক সংবাদের বিশ্লেষণে সাংবাদিক মাসুদা ভাট্টির করা এক প্রশ্নের জবাবে ব্যারিস্টার মইনুল হোসেন বলেন, ‘আপনার দুঃসাহসের জন্য আপনাকে ধন্যবাদ দিচ্ছি। আপনি চরিত্রহীন বলে আমি মনে করতে চাই।’

ওই ঘটনায় রংপুরে করা মানহানির এক মামলায় গত ২২ অক্টোবর রাত পৌনে ১০টার দিকে রাজধানীর উত্তরায় জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দলের সভাপতি আ স ম আবদুর রবের বাসা থেকে মইনুল হোসেনকে গ্রেপ্তার করে মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ।

টকশোতে দেয়া বক্তব্যের ঘটনায় ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে এখন পর্যন্ত মইনুল হোসেনের বিরুদ্ধে ২২টি মামলা হয়েছে। এর মধ্যে ২০টি মানহানির এবং ২টি ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে করা মামলা।

গত ৩ নভেম্বর মইনুল হোসেনকে ঢাকা থেকে রংপুর কারাগারে পাঠানো হয়। এরপর ৪ নভেম্বর এ মামলায় মইনুল হোসেনের জামিন আবেদন নামঞ্জুর তাকে রংপুর কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন রংপুর অতিরিক্ত চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালত।

ওইদিন মইনুল হোসেনের আইনজীবী মাসুদ রানা বলেন, ‘রংপুর আদালতে নেয়ার সময় তাকে গাড়ি থেকে নামানোর পর পুলিশের ছত্রছায়ায় সরকারি দলের লোকজন ইটপাটকেল নিক্ষেপ করে আহত করে।’

Bellow Post-Green View