চ্যানেল আই অনলাইন
হৃদয়ে বাংলাদেশ প্রবাসেও বাংলাদেশ
Partex Cable

ভয় পেতে দেখতে পারেন যে ১০ সিনেমা

Nagod
Bkash July

৩১ অক্টোবর মঙ্গলবার হ্যালোইন উৎসব। পাশ্চাত্য ও প্রাচ্যে মৃত আত্মাদের স্মরণে পালিত হয় এ দিবস। এই দিনে নানারকম ভৌতিক সাজে সেজে উঠে মানুষ। ক্রিসমাসের আগে আমেরিকার বড় উৎসব। এই দিবসে যাদের ভূত সেজে বের হওয়ার সুযোগ নেই, তারা অনেকেই বাড়িতে বসে ভূতের সিনেমা দেখতে ভালোবাসেন। এক নজরে দেখে নিন হ্যালোইনে দেখার মতো কালজয়ী কিছু ভৌতিক ছবির তালিকা।

Reneta June

সাইকো (১৯৬০): আলফ্রেড হিচকক পরিচালিত এই ছবির গল্প ম্যারিয়ে ক্রেন নামের এক মহিলাকে ঘিরে। একটা নতুন জীবন শুরু করতে উনি বেটস মোটেলে থাকতে যান। প্রথমে যায়গাটি অস্বাভাবিক না লাগলেও একদিন তার জীবন পাল্টে যায়।

দ্য টেক্সাস চেইন স মাসাক্রে (১৯৭৪): টোব নুপার পরিচালিত এই ছবির গল্প পাঁচ বন্ধুকে ঘিরে। গ্রামে দাদুর বাড়িতে ছুটি কাটাতে গিয়ে তারা একজন খুনির পাল্লায় পড়ে। এই খুনি এবং তার পরিবার আবার নরখাদক ।

দ্য শাইনিং (১৯৮০): স্টানলে কুব্রিক পরিচালিত এই ছবিটি সাইকোলজিক্যাল হরর ছবি। ছবির গল্প জ্যাক টরেন্স‚ তার স্ত্রী ওয়েন্ডি এবং পুত্র ড্যানি কে ঘিরে। দ্যা ওভারলুক হোটেলে কেয়ারটেকারের চাকরি পেয়ে হোটেলে থাকতে এসে পুরো পরিবার কিছু অস্বাভাবিক ঘটনার মুখোমুখি হতে থাকে।

হ্যালোইন (১৯৭৮): জন কার্পেন্টার পরিচালিত এই ছবির গল্প একজন মানসিক বিকারগ্রস্ত খুনি ঘিরে যে ছোটবেলায় নিজের ছোট বোনকে খুন করে। পরে সে পালিয়ে যায়। এরপর একজন কিশোরী এবং তার বন্ধুদের ফলো করে তাদের মেরে ফেলার জন্য ।

দ্য এক্সরসিস্ট (১৯৭৩–২০০৫): উইলিয়াম ফ্রায়েডকিন পরিচালিত এই ছবির গল্প জর্জটাউনের অদ্ভুত কিছু ঘটনা নিয়ে। ঘটনাগুলো ঘটার ফলে ১২ বছরের রেগান ম্যাকনেলের ব্যক্তিত্ব ধীরে ধীরে সম্পূর্ণ পাল্টে যায়।

ইট: ২০১৭ সালের সাড়া জাগানো ভৌতিক ছবি ‘ইট’। ছবিটি শুধু দর্শকদের নয়, কাঁপিয়েছে বক্স অফিসও। উদ্বোধনী দিনে এটি আয় করে রেকর্ড ৫ কোটি ৪ লাখ মার্কিন ডলার, যা হরর ছবির ইতিহাসে সর্বোচ্চ। ছবিটি পুরো বিশ্বে আয় করেছে ৭০১.৭ মিলিয়ন ডলার। নির্মাণ করেছেন অ্যান্ডি মুশিয়েটি।

ইট চ্যাপ্টার টু: ‘ইট’-এর সিকুয়েল ‘ইট চ্যাপ্টার টু’। ১৯৮৬ সালে প্রকাশ পাওয়া স্টিফেন কিংয়ের উপন্যাস ‘ইট চ্যাপ্টার টু’- নিয়ে ছবিটি নির্মাণ করেছেন অ্যান্ডি মুশিয়েটি। ‘ইট’ ছবিতে প্রথমবার পেনিওয়াইজের সঙ্গে একটি ছোট শহরের সাত শিশুর সাক্ষাৎ হয়। আর ‘ইট চ্যাপ্টার টু’-তে সে শিশুরাই বড় হয় এবং তারা তাদের ছেলেবেলার সেই ভয়ংকর অভিজ্ঞতার সম্মুখীন হয়।

ওয়ার্ল্ড ওয়ার জি: ব্র্যাড পিট প্রযোজিত ও অভিনীত জোম্বি অ্যাকশনধর্মী চলচ্চিত্র ‘ওয়ার্ল্ড ওয়ার জি’। গতানুগতিক জোম্বি সিনেমা থেকে কিছুটা আলাদা। বিশ্বব্যাপী ছবিটি আয় করেছে ৫৪০ মিলিয়ন ডলার।

দ্য মামি: ১৯৯৯ সালের অ্যাকশন-হরর ছবি ‘দ্য মামি’। ছবিটি পুরো বিশ্বে আয় করেছে ৪১৫,৯ মিলিয়ন ডলার। স্টিফেন সোমারস পরিচালিত এই ছবিতে অভিনয় করেছেন ব্রেন্ডন ফ্রেজার, রাচেল ওয়েইজ, জন হান্না, আর্নল্ড ভসলু, জোনাথন হাইডে এবং কেভিন জে ও’কনর।

দ্য মামি রিটার্ন্স: ‘দ্য মামি’র সিকুয়েল ‘দ্য মামি রিটার্ন্স’ পুরো বিশ্বে আয় করেছিল ৪৪৩.২ মিলিয়ন ডলার। ব্রেন্ডন ফ্রেজার, রাচেল ওয়েইজ, জন হান্না, আর্নল্ড ভসলু, ওডে ফেহর, প্যাট্রিসিয়া ভেলাস্কেজ এবং ডোয়াইন জনসন অভিনীত এই অ্যাকশন-অ্যাডভেঞ্চার ফ্যান্টাসি হরর ফিল্মটি পরিচালনা করেছেন স্টিফেন সোমারস।

BSH
Bellow Post-Green View