চ্যানেল আই অনলাইন
হৃদয়ে বাংলাদেশ প্রবাসেও বাংলাদেশ

‘ভ্যাকসিন সংরক্ষণে প্রতি উপজেলা স্বাস্থ্য কেন্দ্রে কুলিং বক্স’

করোনাভাইরাস প্রতিরোধে আমদানি করা ভ্যাকসিন সংরক্ষণের জন্য প্রতিটি উপজেলা স্বাস্থ্য কেন্দ্রে কুলিং বক্স সংযোজনের উদ্যোগ নেয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক।

বৃহস্পতিবার সচিবালয়ে করোনাভাইরাস এর টিকার প্রয়োগ পরিকল্পনা নিয়ে আয়োজিত সভায় উপস্থিত ছিলেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী।

বিজ্ঞাপন

এসময় তিনি জানান: নভেল করোনাভাইরাসের ভ্যাকসিন রাখার স্টোরেজের নিরাপত্তা বাড়ানো হচ্ছে। পুলিশ বা আনসার এর নিরাপত্তায় থাকবে। এটাও বলেছি টিকা যেখানে রাখা হবে সেখানে ফ্রিজটা যেন সঠিকভাবে চালু থাকে। বিদ্যুৎ যেন ঠিকমতো থাকে সেদিকেও নজর রাখা হবে।

‘ভ্যাকসিন প্রয়োগে সাত হাজার জনের একটি দল প্রস্তুত করা হয়েছে। ভ্যাকসিন প্রয়োগের ক্ষেত্রে ৫৫ ঊর্ধ্বের নাগরিক, চিকিৎসক, স্বাস্থ্যকর্মী, সাংবাদিকসহ জনসেবায় যারা জড়িত রয়েছে তাদের অগ্রাধিকার দেয়া হবে’, বলেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী।

জাহিদ মালেক জানান: বেসরকারি উদ্যোগে নভেল করোনাভাইরাসের টিকা আমদানি এবং কিভাবে প্রয়োগ হবে তা নিয়ে একটি নীতিমালা তৈরি হচ্ছে।

বিজ্ঞাপন

ভারতের সেরাম ইনস্টিটিউটে উৎপাদিত অক্সফোর্ড-অ্যাস্ট্রাজেনেকার তিন কোটি ডোজ টিকার মধ্যে ৫০ লাখ ডোজ বাংলাদেশে আসার কথা রয়েছে ২৫ জানুয়ারির মধ্যে। সবকিছু ঠিক থাকলে টিকা প্রয়োগ শুরু হবে ফেব্রুয়ারির প্রথম সপ্তাহে।

স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক বলেন: নীতিমালার মধ্যে সবকিছু থাকবে। তারা কিভাবে দিবে, কিভাবে হিসাব রাখবে, কী দামে দিবে- এ বিষয়গুলো ঠিক করা হবে। এটাও ঠিক করে দেওয়া হবে হাসপাতালের মাধ্যমে, কোন ডায়াগনোস্টিক সেন্টারের মাধ্যমে ভ্যাকসিন দেওয়া যাবে।

‘কোভেক্স থেকে ফাইজারের টিকা পেতে আবেদন করতে বলা হয়েছিল। আমরা সে আবেদন করেছি। আমরা হিসাব করে দেখেছি, প্রায় ৪ লাখ লোককে দেওয়ার জন্য ৮ লাখ ডোজ টিকা পাওয়া যাবে’, এমনটাই বলেছেন জাহিদ মালেক।

তিনি জানান: দেশজুড়ে নভেল করোনাভাইরাসের ভ্যাকসিন দেওয়ার প্রতিটি দলে দুজন টিকাদান কর্মী এবং চার স্বেচ্ছাসেবক মিলিয়ে ছয়জন সদস্য থাকবেন। একটি দল প্রতিদিন ১০০ থেকে ১৫০ জন মানুষকে টিকা দিতে পারবে।

সারাদেশে ভ্যাকসিন কার্যক্রম পর্যবেক্ষণে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় এবং স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের দুটি মনিটরিং সেল তৈরি করা হচ্ছে, যা শিগগিরই কার্যক্রম শুরু করবে বলে জানান তিনি।

বাংলাদেশে থাকা বিদেশি নাগরিকদেরও টিকা দেওয়ার পরিকল্পনা করা হচ্ছে জানিয়ে জাহিদ মালেক বলেন: এই বিষয়ে সিদ্ধান্ত আসবে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে। সেই সিদ্ধান্ত অনুযায়ী আমরা টিকা দেব।