চ্যানেল আই অনলাইন
হৃদয়ে বাংলাদেশ প্রবাসেও বাংলাদেশ

ভ্যাকসিন রপ্তানিতে বিধিনিষেধ নেই: সেরাম ইনস্টিটিউট

ভারতের সেরাম ইনস্টিটিউট বিবিসিকে জানিয়েছে যে, তাদের করোনা ভ্যাকসিন রপ্তানিতে কোনো বিধিনিষেধ নেই, তবে অনুমতির অপেক্ষায় রয়েছে।

সেরাম ইন্সটিটিউটের জনসংযোগ কর্মকর্তা মায়াঙ্ক সেন দিল্লিতে বিবিসির ইয়োগিতা লিমায়িকে জানিয়েছেন, ভ্যাকসিন রপ্তানিতে নিষেধাজ্ঞার যে খবর প্রকাশিত হয়েছে তা পুরোপুরি সঠিক নয়। কারণ তাদের ভ্যাকসিন রপ্তানির ওপর কোনো নিষেধাজ্ঞা নেই।

বিজ্ঞাপন

তারা অন্য দেশে ভ্যাকসিন রপ্তানির অনুমতি পাওয়ার প্রক্রিয়ার মধ্যে রয়েছে, যা পেতে কয়েকমাস পর্যন্ত সময় লেগে যেতে পারে।

এক সাক্ষাতকারে বিবিসিকে সেরামের প্রধান নির্বাহী আদর পুনাওয়ালা বলেন, বিশ্বের ভ্যাকসিনের ৭০ শতাংশ ভারত থেকে যাবে। স্বাভাবিকভাবেই ভারত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে।

বিজ্ঞাপন

তিনি বলেন, আমি এটা স্পষ্ট করতে চাই যে, সেরামের ভ্যাকসিনের ৫০ শতাংশ থাকবে ভারতের জন্য। বাকি ৫০ শতাংশ অন্য দেশগুলোর জন্য। আর এর জন্য অনুমতি পেতে ২ বা ৩ মাস লেগে যাবে।

সেরাম ইনস্টিটিউট বলছে, যদিও রপ্তানি শুরুর আগেই ভারত সরকারকে ১০ কোটি ভ্যাকসিন দেয়ার বিষয়ে সম্মত হয়েছে প্রতিষ্ঠানটি। তবে এই মুহূর্তে তারা রপ্তানি করতে পারবে না, যেহেতু তাদের রপ্তানির অনুমতি নেই।

এটা কি সবচেয়ে ভালো ভ্যাকসিন হতে চলেছে কিনা এমন প্রশ্নে তিনি বলেন, আমি জানি না। কারণ সাধারণত ভ্যাকসিন তৈরি করতে ৩-৫ বছর লেগে যায়, সেদিক থেকে এই ভ্যাকসিন তৈরিতে অনেক লড়াই করতে হচ্ছে।

অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয় ও অ্যাস্ট্রাজেনেকা মিলে করোনাভাইরাসের যে ভ্যাকসিন তৈরি করেছে, তার উৎপাদন ও বিপণনের সঙ্গ যুক্ত রয়েছে সেরাম ইনস্টিটিউট অব ইন্ডিয়া। এই প্রতিষ্ঠানের সঙ্গেই চুক্তি বাংলাদেশ সরকারের।

চুক্তি অনুযায়ী বাংলাদেশ আগামী মাসের শুরুতে যে ৫০ লাখ ডোজ ভ্যাকসিন পাবে বলে আশা করা হচ্ছে। প্রতি মাসে ৫০ লাখ ডোজ হিসেবে পুরো তিন কোটি ভ্যাকসিনের জন্য অগ্রিম হিসেবে ৬০০ কোটি টাকা সেরামের অ্যাকাউন্টে রোববার জমাও দেয়ার কথা জানিয়েছে বাংলাদেশের সরকার।