চ্যানেল আই অনলাইন
হৃদয়ে বাংলাদেশ প্রবাসেও বাংলাদেশ

ভ্যাকসিন নিলেন দুই লাখ ২৬ হাজারের বেশি মানুষ

দেশে করোনা ভ্যাকসিন দেয়ার ১০তম দিনে দুই লাখ ২৬ হাজার ৭৫৫ জন ভ্যাকসিন নিয়েছেন। এরমধ্যে পুরুষ এক লাখ ৪৫ হাজার ২০৩ জন ও নারী ৮১ হাজার ৫৫২ জন ভ্যাকসিন নেন।

বুধবার সন্ধ্যায় স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হেলথ্ ইমার্জেন্সী অপারেশন সেন্টার ও কন্ট্রোল রুমের (এমআইএস) পরিচালক অধ্যাপক ডা. মিজানুর রহমানের সই করা বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, ঢাকা মহানগরীতে ভ্যাকসিন নিয়েছেন ৩১ হাজার ৮৭০ জন। এরমধ্যে পুরুষ ২০ হাজার ৯৪৬ জন ও নারী ১০ হাজার ৯২৪ জন ভ্যাকসিন নেন।

ঢাকা বিভাগে ভ্যাকসিন নিয়েছেন ৭০ হাজার ২৫ জন। এরমধ্যে পুরুষ ৪৫ হাজার ৫৭৮ জন ও নারী ২৪ হাজার ৪৪৭ জন ভ্যাকসিন নেন। এছাড়াও ময়মনসিংহ বিভাগে ১০ হাজার ৭৭৩ জন ভ্যাকসিন নেন; যার মধ্যে পুরুষ ছয় হাজার ৭০৯ ও নারী চার হাজার ৬৪ জন।

চট্টগ্রাম বিভাগে ৪৪ হাজার ৭৮৩ জন ভ্যাকসিন নেন; যার মধ্যে পুরুষ ২৯ হাজার ২৫২ জন ও নারী ১৫ হাজার ৫৩১ জন ভ্যাকসিন নেন।

রাজশাহী বিভাগে ২৭ হাজার ১০৮ জন ভ্যাকসিন নেন; যার মধ্যে পুরুষ ১৬ হাজার ৯০০ জন ও নারী ১০ হাজার ২০৮ জন।

রংপুর বিভাগে ১৯ হাজার ৭৫৯ জন ভ্যাকসিন নেন; যার মধ্যে পুরুষ ১২ হাজার ৫২৮ জন ও নারী সাত হাজার ২৩১ জন। খুলনা বিভাগে ২৮ হাজার ৪৩৬ জন ভ্যাকসিন নেন; যার মধ্যে পুরুষ ১৭ হাজার ৯৩২ ও নারী ১০ হাজার ৫০৪ জন।

বিজ্ঞাপন

বরিশাল বিভাগে ১৩ হাজার ১৪৬ জন ভ্যাকসিন নেন; যার মধ্যে পুরুষ আট হাজার ৪৮৪ জন ও নারী চার হাজার ৬৬২ জন এবং সিলেট বিভাগে ১২ হাজার ৭২৫ জন ভ্যাকসিন নেন; যার মধ্যে পুরুষ সাত হাজার ৮২০ জন ও নারী চার হাজার ৯০৫।

এ পর্যন্ত মোট টিকা গ্রহিতার সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১৫ লাখ ৮৬ হাজার ৩৬৮ জন। এদের মধ্যে পুরুষ ১০ লাখ ৬৮ হাজার ৭১৯ এবং নারী পাঁচ লাখ ১৭ হাজার ৬৪৯।

রাজধানীর বিভিন্ন হাসপাতালসহ সারা দেশের এক হাজার পাঁচটি হাসপাতালে কোভিড-১৯ টিকা দেয়া হচ্ছে। টিকাদানের প্রথম দিন মোট ৩১ হাজার ১৬০ জনকে টিকা দেয়া হয় বলে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর থেকে জানানো হয়েছিল।

বর্তমানে বাংলাদেশে অক্সফোর্ড-অ্যাস্ট্রাজেনেকার টিকার ৭০ লাখ ডোজ রয়েছে এবং করোনার টিকা নিতে চাইলে www.surokkha.gov.bd ওয়েবসাইটে গিয়ে নিবন্ধন করতে হবে।

গত ২৭ জানুয়ারি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ঢাকার কুর্মিটোলা জেনারেল হাসপাতালে করোনাভাইরাসের ভ্যাকসিন কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন। সে সময় দুই দিনে মোট ৫৬৭ জনকে ভ্যাকসিন দেওয়া হয়।

বাংলাদেশে এই ভ্যাকসিন পরীক্ষামূলক প্রয়োগ না হওয়ায় বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার প্রটোকল অনুযায়ী তাদের এক সপ্তাহ পর্যবেক্ষণ করা হয়।

কারও মধ্যে গুরুতর কোনো পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া দেখা না দেওয়ায় পরিকল্পনা মত ৭ ফেব্রুয়ারি থেকে গণ ভ্যাকসিন দেয়া শুরু হয়।