চ্যানেল আই অনলাইন
হৃদয়ে বাংলাদেশ প্রবাসেও বাংলাদেশ

ভ্যাকসিন দেওয়ার দিনে সর্বনিম্ন আক্রান্ত শনাক্ত

নতুন মৃত্যু ১৫

দেশে কোভিড-১৯ প্রাদুর্ভাবের শুরু থেকে আজ ৩৩৭তম দিনে ১৫ জনের মৃত্যুতে করোনায় মোট মৃত্যুর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে আট হাজার ২০৫ জনে।

তবে গণ হারে ভ্যাকসিন দেওয়ার দিনে সবচেয়ে কম আক্রান্ত শনাক্ত হয়েছে। শনাক্তের হার কমে হয়েছে ২ দশমিক ৩৫ শতাংশ। গত ১০ মাসে এখন পর্যন্ত দেশে এটাই সর্বনিম্ন শনাক্তের হার।

বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক (প্রশাসন) ডা. নাসিমা সুলতানার সই করা এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, রোববার সকাল ৮টা পর্যন্ত ২৪ ঘণ্টায় (অ্যান্টিজেন টেস্টসহ) ১২ হাজার ৪০৪টি নমুনা পরীক্ষায় ২৯২ জন শনাক্ত হয়েছেন। এই সময়ে পরীক্ষার বিপরীতে শনাক্তের হার ২ দশমিক ৩৫ শতাংশ।

তবে শুরু থেকে মোট পরীক্ষার বিপরীতে শনাক্তের হার ১৪ দশমিক ৩৫ ।

সরকারী ব্যবস্থাপনায় এখন পর্যন্ত ২৯ লাখ ১৮ হাজার ১৪৯টি নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছে, বেসরকারী ব্যবস্থাপনায় পরীক্ষা হয়েছে ৮ লাখ ৩০ হাজার ৮৬৩টি নমুনা। অর্থাৎ, মোট পরীক্ষা ৩৭ লাখ ৪৯ হাজার ১২টি নমুনা।

বিজ্ঞাপন

এর মধ্যে শনাক্ত হয়েছেন ৫ লাখ ৩৮ হাজার ৬২ জন। তাদের মধ্যে ২৪ ঘণ্টায় ৫৩১ জনসহ মোট চার লাখ ৮৩ হাজার ৩৭২ জন সুস্থ হয়েছেন। শনাক্ত বিবেচনায় সুস্থতার হার ৮৯ দশমিক ৮৪ শতাংশ।

গত ২৪ ঘণ্টায় যে ১৫ জন মৃত্যুবরণ করেছেন তাদের মধ্যে ১১ জন পুরুষ ও চার জন নারী। তাদের মধ্যে সবারই হাসপাতালে মৃত্যু হয়েছে। তারাসহ মৃতের মোট সংখ্যা আট হাজার ২০৫। মোট শনাক্ত বিবেচনায় মৃত্যুহার এক দশমিক ৫২ শতাংশ।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্যমতে, এখন পর্যন্ত ৬ হাজার ২১৭ জন পুরুষ মারা গেছেন যা মোট মৃত্যুর ৭৫ দশমিক ৭৭ শতাংশ এবং ১ হাজার ৯৮৮ জন নারী মৃত্যুবরণ করেছেন যা মোট মৃত্যুর ২৪ দশমিক ২৩ শতাংশ।

বয়সভিত্তিক বিশ্লেষণে দেখা গেছে, ২৪ ঘণ্টায় করোনায় মৃত ১৫ জনের মধ্যে একুশ থেকে ত্রিশ বয়সী এক জন, ত্রিশোর্ধ্ব এক জন, চল্লিশোর্ধ্ব এক জন, পঞ্চাশোর্ধ্ব দুই জন এবং ষাটোর্ধ্ব ১০ জন। আর বিভাগওয়ারী হিসাবে ঢাকা বিভাগে আট জন, চট্টগ্রাম বিভাগে ছয় জন ও রাজশাহী বিভাগে এক জন।

চীন থেকে ছড়িয়ে পড়া করোনাভাইরাসে বিশ্বের ২১৫টি দেশ ও অঞ্চলে এখন পর্যন্ত ১০ কোটি ৬৩ লাখেরও বেশি মানুষ আক্রান্ত হয়েছেন। এদের মধ্যে মারা গেছেন ২৩ লাখ ২১ হাজারের বেশি মানুষ। তবে সুস্থ হয়ে ঘরে ফিরেছেন ৭ কোটি ৮০ লাখের বেশি।