চ্যানেল আই অনলাইন
হৃদয়ে বাংলাদেশ প্রবাসেও বাংলাদেশ

ভ্যাকসিন থাক বা না থাক, যুক্তরাষ্ট্র খুলে দেয়া হবে: ট্রাম্প

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন, ‘করোনাভাইরাসের ভ্যাকসিন (টিকা) আবিষ্কার হোক বা না হোক; যুক্তরাষ্ট্র খুলে দেওয়া হবে।’

এই বছরের শেষের দিকে করোনাভাইরাসকে বড় একটা ধাক্কা দেওয়ারও ঘোষণা দিয়েছেন ট্রাম্প।

বিজ্ঞাপন

‘অপারেশন র‌্যাপ স্পিড’ নাম দেওয়া টিকার প্রজেক্টকে তিনি দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময়ে বিশ্বের প্রথম পারমাণবিক অস্ত্র তৈরির সঙ্গে তুলনা করেন।

বিজ্ঞাপন

তবে মার্কিন প্রেসিডেন্ট পরিষ্কার করে বলেন, ‘টিকা না থাকলেও আমেরিকানরা তাদের স্বাভাবিক জীবনে ফেরা শুরু করবে।’

বিশেষজ্ঞদের ধারণা, এই বছরের শেষের দিকে করোনাভাইরাসের টিকা পাওয়া যেতে পারে।

শুক্রবার হোয়াইট হাউজের রোজ গার্ডেনে সংবাদ সম্মেলনে ট্রাম্প আরও বলেন, ‘১৪টি উদীয়মান টিকা নিয়ে অপারেশন র‌্যাপ স্পিড প্রজেক্ট শুরু হবে। তাতে গবেষণা ও অনুমোদন আরো ত্বরান্বিত করা হবে।’

‘‘তার মানে এই প্রজেক্ট বড় ও দ্রুত। অপারেশন র‌্যাপ স্পিড বড় আকারের বৈজ্ঞানিক, শিল্পজাত এবং যৌক্তিক প্রচেষ্টা যেটা ম্যানহ্যাটন প্রজেক্টের পরে আর আমাদের দেশ কখনো দেখেনি।’’

বিজ্ঞাপন

জেনারেল পর্যায়ের সেনা কর্মকর্তা  এবং সাবেক স্বাস্থসেবা কর্মকর্তাদের এই কার্যক্রম পরিচালনার দায়িত্ব দিয়েছেন ট্রাম্প।

দেশটিতে সরকারি ও বেসরকারিখাতের অংশদারিত্বে টিকা খোঁজার কার্যক্রম চলছে।

এর আগে অন্যতম ফার্মাসিউটিক্যাল কোম্পানি গ্ল্যাক্সোস্মিথক্লাইনের টিকা বিভাগের নেতৃত্ব দেওয়া মনসেফ স্লাওয়ি এই মিশনটির পরিচালনা করবেন।

ট্রাম্পের সঙ্গে আলোচনা শেষে স্লাওয়ি বলেন, ‘আমি আত্মবিশ্বাসী। ২০২০ সালের শেষের মধ্যে কয়েক লাখ টিকা সরবরাহ করা সম্ভব হবে।’

সংবাদ সম্মেলনে ট্রাম্প বলেন, ‘আমি চাই না মানুষ ‍শুধু টিকার উপর নির্ভর করুক। টিকা থাক বা না থাক, আমরা ফিরবো। সেই প্রক্রিয়া আমরা শুরু করেছি।’

‘‘অনেক কিছুরই টিকা আমাদের নেই। সেগুলো আসে আর আমরা তার সঙ্গে যুদ্ধ করি। সেগুলো চলে যায়। আমি মনে করি স্কুলগুলোও আগামী শরতে খুলে দেওয়া উচিত।’’

গত বছরের ডিসেম্বরে চীনের উহান শহর থেকে ছড়িয়ে পড়ে করোনাভাইরাস। পরে সারাবিশ্বে তা মহামারী রূপ ধারণ করে। বর্তমানে সারাবিশ্বে ৪৬ লাখেরও বেশি মানুষ এই ভাইরাসে আক্রান্ত আর প্রাণ হারিয়েছে ৩ লাখেরও বেশি মানুষ।