চ্যানেল আই অনলাইন
হৃদয়ে বাংলাদেশ প্রবাসেও বাংলাদেশ

ভ্যাকসিন আসায় মহামারি সংকট কেটে যায়নি: ডব্লিউএইচও

বিশ্বব্যাপী ভ্যাকসিন সরবরাহের কারণে মানুষ যদি মনে করে মহামারির সংকট কেটে গেছে তাহলে মহামারির আরও প্রকোপ আসতে পারে বলে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও)।

এই সংস্থার জরুরি বিভাগের পরিচালক মাইকেল রায়ান এক সংবাদ সম্মেলনে বলেন: ভ্যাকসিন আসায় দুর্দান্ত আশার সঞ্চার হয়েছে, তবে আমরা এই মুহূর্তে বিষয়টির প্রতি মনোযোগ হারাচ্ছি।

বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন

অন্যদিকে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা শুক্রবার বলেছে, আগামী সপ্তাহে আরও ৩১টি দেশে কোভিড-১৯ ভ্যাকসিন সরবরাহ করবে।

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার কোভ্যাক্স (জাতিসংঘের কোভিড-১৯ ভ্যাকসিন গ্লোবাল এক্সেস) পদক্ষেপের মাধ্যমে দরিদ্র দেশগুলোতে চলতি সপ্তাহে টিকাদান নিশ্চিত করতে ২০টি দেশে ২ কোটি ডোজ ভ্যাকসিনের চালান সরবরাহ করা হয়েছে।

ডব্লিউএইচও’র মহাপরিচালক টেড্রোস অ্যাধানম গেব্রিয়েসিস সপ্তাহজুড়ে কোভ্যাক্সের ভ্যাকসিন সরবরাহের প্রশংসা করেন। তবে তিনি বলেন: ভ্যাকসিনেশনে ধনী দেশগুলোর চেয়ে দরিদ্র দেশগুলো এখনও পিছিয়ে আছে।

বিজ্ঞাপন

কোভ্যাক্সের মাধ্যমে আফ্রিকার এঙ্গোলা, কঙ্গো, গাম্বিয়া, ঘানা, আইভরিকোস্ট, কেনিয়া, লেসেথো, মালাউয়ি, মালি, নাইজেরিয়া, রুয়ান্ডা, সেনেগাল, সুদান এবং উগান্ডায় ভ্যাকসিনের প্রথম ডোজ গ্রহণ করেছে।

এছাড়াও কম্বোডিয়া, কলম্বিয়া, ভারত, মালদোভা, ফিলিপাইন ও সাউথ কোরিয়া ভ্যাকসিন পেয়েছে।

টেড্রোস বলেন: আগামী সপ্তাহে কোভ্যাক্স আরও ৩১টি দেশে ভ্যাকসিন সরবরাহ করবে, এ নিয়ে কোভ্যাক্সের মাধ্যমে ভ্যাকসিন পাওয়া দেশের মোট সংখ্যা দাঁড়াবে ৫১টি।

তিনি জানান: এটি উৎসাহজনক অগ্রগতি। তবে কোভ্যাক্সের মাধ্যমে সরবরাহ দেয়া ভ্যাকসিন চাহিদার তুলনায় অপ্রতুল।

প্রথম দফায় চলমান ভ্যাকসিনের প্রথম ডোজের সরবরাহ মে মাসের শেষ নাগাদ চলবে বলেও জানান টেড্রোস।