চ্যানেল আই অনলাইন
হৃদয়ে বাংলাদেশ প্রবাসেও বাংলাদেশ

ভিয়েতনামে বঙ্গবন্ধুর জুলিও কুরি শান্তি পুরস্কার প্রাপ্তির বার্ষিকী উদযাপিত

জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জুলিও কুরি শান্তি পুরস্কার প্রাপ্তির ৪৮তম বার্ষিকী উপলক্ষ্যে বিশ্ব শান্তি ও মানবাধিকার প্রতিষ্ঠায় বঙ্গবন্ধুর অবদান তুলে ধরার প্রয়াসে ভিয়েতনামের বাংলাদেশ দূতাবাসে ২৩ মে (রবিবার) যথাযোগ্য মর্যাদা এবং বিপুল উৎসাহ উদ্দীপনার মধ্য দিয়ে দিবসটি উদযাপিত হয়েছে।

জাতির পিতার জন্মশতবার্ষিকী তথা মুজিব বর্ষের কর্মসূচী হিসেবে এ আয়োজন ছিল বাংলাদেশ দূতাবাস, হ্যানয়ের এক বিশেষ শ্রদ্ধা জ্ঞাপন। ভিয়েতনামে কোভিড-১৯ মহামারীর সতর্কতার জন্য এবং জনসমাগমের উপর নিষেধাজ্ঞা থাকায় সকল স্বাস্থ্য বিধি মেনে এবং সামাজিক দূরত্ব বজায় রেখে দিবসটি স্বল্প সংখ্যক ভিয়েতনামী অতিথি, প্রবাসী বাংলাদেশী, দূতাবাসের সকল কর্মকর্তা-কর্মচারী এবং তাদের পরিবারবর্গের উপস্থিতিতে দূতাবাসে দিবসটি উদযাপন করা হয়।

বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন

সেসময় উদযাপন উপলক্ষ্যে বিশেষ প্রার্থনা, আলোচনা সভা ও বঙ্গবন্ধুর উপর ডকুমেন্টারী প্রদর্শনের আয়োজন এবং ভিয়েতনামের জাতীয় শিল্পীদের সংগীত পরিবেশন করা হয়।

বিজ্ঞাপন

দিবসটি স্মরণ করে আলোচনাপর্বে মান্যবর রাষ্ট্রদূত মিজ সামিনা নাজ সমবেত অতিথিদের স্বাগত জানিয়ে বক্তব্য প্রদান করেন। নতুন প্রজন্মের কাছে বঙ্গবন্ধুর অসাম্প্রদায়িক, গণতান্ত্রিক এবং প্রগতিশীল আদর্শকে শক্ত ভিত্তির ওপর প্রতিষ্ঠিত করতে বিশ্ব শান্তি ও মানবাধিকার প্রতিষ্ঠায় জাতির পিতার অবদানকে তুলে ধরার জন্য তিনি বলেন, ‘জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে ১৯৭৩ সালের ২৩ মে বিশ্ব শান্তি পরিষদ কর্তৃক ‘জুলিও কুরি’ শান্তি পদকে ভূষিত করা হয়’।

বিশ্ববিখ্যাত বিজ্ঞানী ম্যরি কুরি ও পিয়েরে কুরি দম্পতি বিশ্ব শান্তির সংগ্রামে যে অবদান রেখেছেন, তা চিরস্মরণীয় করে রাখার লক্ষ্যে বিশ্ব শান্তি পরিষদ ১৯৫০ সাল থেকে ফ্যাসিবাদবিরোধী, সাম্রাজ্যবিরোধী সংগ্রামে, মানবতার কল্যাণে, শান্তির সপক্ষে বিশেষ অবদানের জন্য বরণীয় ব্যক্তি ও সংগঠনকে ‘জুলিও কুরি’ শান্তি পদকে ভূষিত করে আসছে।

বিশ্ব শান্তি পরিষদের শান্তি পদক ছিল জাতির পিতার কর্মের স্বীকৃতিস্বরূপ, বিশ্ব শান্তি প্রতিষ্ঠায় তাঁর অবদানের আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি। এটি ছিল বাংলাদেশের জন্য প্রথম আন্তর্জাতিক সম্মান। এ মহান অর্জনের ফলে জাতির পিতা পরিণত হয়েছেন বঙ্গবন্ধু থেকে বিশ্ববন্ধুতে।

আলোচনা পর্বের শেষে ভিয়েতনামের বিশিষ্ট জাতীয় শিল্পীদের সমন্বয়ে বিশ্ব শান্তি ও বন্ধুত্বের উপর সংগীত পরিবেশন করা হয়। অনুষ্ঠান শেষে আমন্ত্রিত অতিথিদেরকে বাংলাদেশী রসনা স্বাদে সান্ধ্য ভোজে আপ্যায়িত করা হয়।